কবি সারাফ নাওয়ার—এক নাম, যেখানে কবিতা জীবন্ত হয়ে ওঠে এবং শব্দের আড়ালে জ্বলে উঠে এক অপার আভা। তিনি শুধু কবি নন, তিনি এক উদ্দাম চিন্তার মশাল, যে প্রতিটি পঙক্তিতে শাণিত
জীবনযুদ্ধে যিনি হন আলোর দিশারি, মানবতার মর্মে আছেন যিনি সদা সংগ্রামী, জাবেদ আবছার চৌধুরী, সেবার অমল চরিত্র, চট্টগ্রামের প্রাণে, তিনি এক সমাজের হিরা। সমাজে এমন কিছু ব্যক্তি আছেন, যাঁদের নিঃস্বার্থ কাজ এবং মানুষের
“লেখকের কথাঃ ‘সাংবাদিক ও সংবাদপত্রের কথা’ বইটি রচনা করার পেছনে আমার দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞতা, উপলব্ধি এবং একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য কাজ করেছে। একজন সাংবাদিক, গবেষক এবং টেলিভিশন উপস্থাপক হিসেবে আমার প্রায়
প্রতিদিন ভোরে বাটালি হীলের উঁচুতে দাঁড়িয়ে যে সবুজ আর নীলিমা চোখের সামনে মেলে ধরে, তার চেয়ে বেশি মোহনীয় আরেকটি জিনিস সেখানে অপেক্ষা করে—কাসেম ভাইয়ের উপস্থিতি। শরীরচর্চার অঙ্গন হলেও, এখানে প্রতিদিন
এক শিক্ষণীয় গল্প এক গ্রামের ধনী ব্যবসায়ী ছিলেন মকসুদ সাহেব। সারা গ্রামে তাঁর সুনাম ছিল, আর্থিক অবস্থাও ছিল বেশ স্বচ্ছল। তবুও তার মনে একধরনের অতৃপ্তি লুকিয়ে ছিল। তিনি ভাবতেন, আরেকটু
শুভ সকাল। বাটালি হীলে শতায়ু অঙ্গন সবুজ বেষ্টনী, অরণ্যের প্রাণ, শত বছর ধরে জাগুক স্বপ্ন, বন্ধুতায় জাগুক জীবনের গান। লিখতে বসি যতবারই মনে,ফিরে যাই সেই নির্জন কোণে, যেখানে প্রকৃতি বলে
প্রতিদিনের মতোই সেদিন সকালটা শুরু হলো ভোরের আলো ফুটতেই। বাটালি হিলের শতায়ু অঙ্গন আমার পায়ের নিচে ছিল যেন পাহাড়ি মেঘের মতো এক কোমল অনুভূতি। সেখানেই পরিচয় হলো সাবাহ মাহিরা আর
শীতল হাওয়ায় আসে ভোরের প্রথম ছোঁয়া, বাটালি হীলের ওপরে নীরবতা ছুঁয়ে থাকা মেঘেরা দেখে শরীর চর্চার দৃপ্ত আঙ্গন, শতায়ুর ছন্দে জীবনের দোল। পাহাড়ের কোলে, উঁচুতে উঠন্ত দুই কিশোরী তরুণীর সাক্ষাৎ-তাদের
তানহার জীবন যেন এক মর্মস্পর্শী কাব্য, যেখানে প্রতিটি পঙক্তির মাঝে লুকিয়ে আছে ভুল, অভিমান, আর অতল ভালোবাসার গভীর আর্তনাদ। ছোট্ট একটি মেয়েবেলার স্বপ্ন আর ভালোবাসার গল্প থেকে তার জীবনের পথচলা
কোনো এক গভীর রাতের নিশব্দতায়, যখন পৃথিবী ঘুমিয়ে পড়ে এবং বাতাসে চাঁদের আলোকরেখা মিশে যায়, তখন কিছু অদৃশ্য ঘটনা ঘটে যায়, যেগুলোর সাক্ষী হয় কেবল সেইসব নিরব মানুষেরা, যারা পৃথিবীর