রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৬ অপরাহ্ন

হাটিকুমরুলে ১১ দলের লংমার্চের পথসভা!

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬



সিরাজগঞ্জের ​হাটিকুমরুলে ১১ দলের লংমার্চের পথসভা: “উত্তরাঞ্চলকে বৈষম্যমুক্ত করতে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে”

মো: মোতালেব হোসেন

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ​গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা অবিলম্বে চালুর দাবিতে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-টু-রংপুর ঐতিহাসিক লংমার্চের বহরটি বেলা ১২ টায় সিরাজগঞ্জে এসে পৌঁছায়।

মহাসড়কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল মোড়ে আয়োজিত এক বিশাল পথসভায় বক্তব্য দেন জোটের শীর্ষ নেতারা।
​শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭ টায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে রওয়ানা হওয়া সুদীর্ঘ গাড়িবহরটি সলঙ্গা ও হাটিকুমরুল মোড়ে পৌঁছালে হাজার হাজার স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ করতালির মাধ্যমে লংমার্চকে অভ্যর্থনা জানান। সেখানে ইন্টারচেঞ্জ সংলগ্ন বগুড়া মহাসড়কে নির্মিত অস্থায়ী মঞ্চে পথসভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

​বৈষম্যমুক্ত উত্তরের দাবি
​পথসভায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “উত্তরাঞ্চলের মানুষ বছরের পর বছর ধরে অর্থনৈতিক ও আঞ্চলিক বৈষম্যের শিকার। তিস্তা নদীর ন্যায্য পানি না পাওয়া এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতার কারণে এ অঞ্চলের কৃষি ও অর্থনীতি আজ ধ্বংসের মুখে। উত্তরাঞ্চলের মানুষের এই দুর্দশা আর মেনে নেওয়া হবে না। তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং ৮ দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন থামবে না।”

স্বৈরাচার ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন
​জোটের সমন্বয়ক ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, “আজকের এই ঐতিহাসিক লংমার্চে সিরাজগঞ্জবাসীর অকুতোভয় অংশগ্রহণ প্রমাণ করে দেশের মানুষ গণভোটে প্রদত্ত রায়ের বাস্তবায়ন চায়। কোনো সিন্ডিকেট বা কায়েমি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীকে দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না। অতিদ্রুত দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, সিন্ডিকেট দমন এবং জুলাই গণহত্যার বিচারে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে হবে।”
​পথসভায় আরও বক্তব্য দেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এন সি পির নেতা নাহিদ ইসলাম, নাসিম উদ্দিন পাটোয়ার, খেলাফত মজলিসের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় জামায়াত ও শরিক দলের জেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

কঠোর নিরাপত্তা বিধান
​পথসভা ও লংমার্চ বহরের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে হাটিকুমরুল ও সংলগ্ন এলাকায় জেলা পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশের প্রায় ৫০০ সদস্য মোতায়েন ছিল। সুশৃঙ্খলভাবে বক্তব্য প্রদান ও জোহরের নামাজ আদায়ের বিরতি শেষে লংমার্চের বহরটি বগুড়ার উদ্দেশে রওনা হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews