রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
সড়ক নিরাপত্তায় বিশেষ অবদান রাখায় নিসচা বিশেষ সম্মাননা পেলেন লায়ন গনি মিয়া বাবুল রংপুরে ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার কালিগঞ্জে বৃদ্ধাকে লাঠি দিয়ে মারধরের অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ জামালপুর বকশীগঞ্জ পুরাতন কারাগারে এখন মাদক সেবীদের আস্তানা রেলওয়ের অবহেলায় ভোগান্তি ও ঝুঁকিতে যাত্রীরা: নরসিংদী ও জিনারদীতে চরম দুর্ভোগ কবিতা /ছোট গল্প/ এম এম মিজান বিদেশি ফলে দিনাজপুরের যুবক কামাল পাবনায় গোপন কক্ষ থেকে চোরাই গরু উদ্ধার, যুবদল কর্মী আটক নিষিদ্ধ জালের ছোবলে হাকালুকি হাওর, অবাধে চলছে দেশীয় মাছ নিধনের মহা-উৎসব তারাগঞ্জে ২ লাখ টাকার প্রকল্পের অনিয়ম ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে 

তারাগঞ্জে ২ লাখ টাকার প্রকল্পের অনিয়ম ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে 

  • প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬

তারাগঞ্জে ২ লাখ টাকার প্রকল্পের অনিয়ম ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে 

মোঃ আলমগীর হোসেন লেবু , রংপুর

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের তেঁতুলতলা উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাটে ২ লাখ টাকার উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা আলমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি  রবিউল ইসলাম রাসেলের বিরুদ্ধে।

এলাকাবাসী জানান, বর্ষা মৌসুমে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয় মাঠে জলাবদ্ধতা থাকায় মাঠ ভরাটের জন্য উপজেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন করা হলে এলজিইডির প্রাক্কলনের ভিত্তিতে ইউনিয়ন উন্নয়ন সহায়তা তহবিল থেকে ২ লাখ টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায় আলমপুর ইউনিয়ন পরিষদ। তবে স্থানীয়দের দাবি, প্রকল্পের কাজ শেষ হলেও মাঠের অবস্থার তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি। ইউপি চেয়ারম্যান দায়সারা কাজ করেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, মাঠের বিভিন্ন স্থানে এখনও হাঁটুপানি জমে রয়েছে। একই মাঠ ব্যবহারকারী তেঁতুলতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরও প্রতিদিন পানি মাড়িয়ে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা আনিসুল হক বলেন, ‘মাঠে খুবই অল্প পরিমাণ মাটি ফেলা হয়েছে। আমার ধারণা, ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকার বেশি কাজ হয়নি।’আরেক বাসিন্দা জোবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘২ লাখ টাকার কাজ হলে মাঠের এমন অবস্থা থাকার কথা নয়। বাস্তবে যে কাজ হয়েছে, তা বরাদ্দের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।’

প্রকল্প ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘কাগজে-কলমে আমাকে সভাপতি করা হলেও প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। কীভাবে কাজ হয়েছে, সে সম্পর্কেও আমি অবগত নই।’ আলমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান উপজেলা যুব লীগের সভাপতি মো. রবিউল ইসলাম রাসেলর সাথে  কথা হলে অভিযোগটি  অস্বীকার করে বলেন, ‘সরকারি বিধি-বিধান মেনেই পুরো ২ লাখ টাকার কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। প্রকল্পে কোনো ধরনের অনিয়ম হয়নি।’

এ বিষয়ে তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোনাব্বর হোসেন বলেন, ‘অভিযোগ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তে অনিয়ম বা কাজের গুণগত মানে অসঙ্গতি পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রকল্পের বিল পরিশোধ করা হবে না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews