রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:১৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
​হাবিপ্রবিতে ৫ দিনব্যাপী বার্ষিক গবেষণা কর্মশালা শুরু সাংবাদিক হাফিজুর রহমান শফিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন ​মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যাগ্রস্ত ব্যক্তি ও কেয়ারারদের মর্যাদা রক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় ভারতের সারনাথ বৌদ্ধ প্রত্নস্থল কালিহাতীতে তিন কিশোরকে আটকে রেখে বিকাশে ২৫ হাজার টাকা মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ ডুয়েট ছাত্রকে অপহরণের পর মামলা নিতে পুলিশের ‘টালবাহানা! হাবিব উন নবী খান সোহেলকে ভবিষ্যতে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা জাতীয় স্মৃতিসৌধে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা দেশের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ : মির্জা ফখরুল সময়ের চাহিদানুযায়ী সেনাবাহিনী গড়তে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী

কালিহাতীতে তিন কিশোরকে আটকে রেখে বিকাশে ২৫ হাজার টাকা মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ

  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬

কালিহাতীতে তিন কিশোরকে আটকে রেখে বিকাশে ২৫ হাজার টাকা মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ

শাহ আলম ,টাঙ্গাইল :

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় তিন কিশোরকে কয়েক ঘণ্টা জিম্মি করে তাদের একজনের পরিবারের কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে ২৫ হাজার টাকা মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে ২৫ জুলাই সন্ধ্যায়  কালিহাতী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২০ জুলাই ২০২৬ দুপুর আনুমানিক ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত উপজেলার ইন্দুটি মৎস্য খামারে রুকন (১৭), ফরিদ (১৬) ও কামরুল (১৮) নামের তিন কিশোরকে আটকে রাখা হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, চারজন ব্যক্তি তাদের অবৈধভাবে আটক রেখে রুকনের বাবার কাছে মুক্তিপণ দাবি করেন। ভুক্তভোগী রুকনের বাবা মো. শাহা গাজী (৪০), পিতা মৃত আব্দুর রশিদ, গ্রাম সাতকুড়িয়া, ডাকঘর ইছাপুর, কালিহাতী, টাঙ্গাইল—অভিযোগে উল্লেখ করেন, ছেলের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে এবং অন্য কোনো উপায় না পেয়ে তিনি অভিযুক্তদের দাবিকৃত ২৫ হাজার টাকা বিকাশের মাধ্যমে পাঠান। অভিযোগ অনুযায়ী, টাকা পাঠানো হয় ০১৮১১-৭১৬৩৭৫ নম্বরের বিকাশ অ্যাকাউন্টে এবং এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হয় ০১৩১০-৫৬৪২৫১ নম্বর থেকে। টাকা পাওয়ার পর তার ছেলেকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের শনাক্তকরণ এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে। এ বিষয়ে কালিহাতী থানার দায়িত্বশীল কর্মকর্তার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে এবং তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইনজীবীদের মতে, অভিযোগের সত্যতা তদন্তে প্রমাণিত হলে ঘটনাটি বাংলাদেশের প্রচলিত দণ্ডবিধি এবং অপহরণ, অবৈধভাবে আটক রাখা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও চাঁদাবাজি-সংক্রান্ত প্রযোজ্য আইনের আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তবে তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের আইনগতভাবে দোষী বলা যায় না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews