বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
অভীক্ষাপদ প্রণয়নে ব্লুম ট্যাক্সোনমির ধারণার ব্যবহার: প্রাথমিক তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির বাংলা ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের আলোকে ঐতিহ্যের বারোবাজার: ৭০০ বছরের ইতিহাস থাকলেও নেই পর্যটনের বিকাশ সিলেটের এআরডি ভূয়া এনজিও সংস্থার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ ঢাকা শহরের বর্জ্যজনিত দুর্ভোগ প্রশমনে কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন দক্ষিন কোরিয়ার সিংগায়েংজু বিশ্ববিদ্যালয়ে আটকা পরেছে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের প্রায় ১৮ কোটি টাকা মনোহরদীতে মোবাইল কোর্টের অভিযান: ৩ ইয়াবা সেবীর ৫ মাস করে কারাদণ্ড পিরোলী খানকাহপাড়া সবুজ সংঘের উদ্যোগে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ নৌপথে চাঁদাবাজি ও হয়রানি বন্ধের দাবিতে বাল্কহেড মালিক-শ্রমিকদের মানববন্ধন রাজশাহী মোহনপুর উপজেলার প্রবেশ মুখে পিলারে নির্মিত হয়েছে পানের প্রতিক

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬
0-0x0-0-0#

কাওসার মোল্লা হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

বিশ্বজিৎ মন্ডল  (ঢাকা) :

রাজধানীর ভাসানটেকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা মো. কাওসার মোল্লার (২৬) মূল জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তাঁর স্ত্রী মোছা. সুমা।
​সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নিহতের স্ত্রী অভিযোগ করেন, গত ১৭ জুলাই (শুক্রবার) রাত আনুমানিক ১১:৩০ মিনিটে সাইফুল নামে এক ব্যক্তি কাওসার মোল্লাকে মোবাইল ফোনে ডেকে বাসা থেকে বের করে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে রাত আনুমানিক ১২:৩০ মিনিটে তাকে ৩ নম্বর দামাল কোট এলাকা থেকে তুলে নিয়ে রবিউল ইসলাম সুমন নামের এক ব্যক্তির হুকুমে তাঁর বাসার দ্বিতীয় তলায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কাওসারকে রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে নির্মমভাবে মারধর করা হয়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ৩ নম্বর দামাল কোট এলাকায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা।
​পরবর্তীতে রাত আনুমানিক ২:৩০ টায় ভাসানটেক থানার এসআই আবুল কালাম নিহতের পরিবারকে বিষয়টি জানালে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) নেওয়া হয়। চিকিৎসা চলাকালীন ভোর আনুমানিক ৪:৩০ মিনিটে চিকিৎসকরা কাওসারকে মৃত ঘোষণা করেন।
​নিহতের স্ত্রী আরও জানান, মৃত্যুর আগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কাওসার মোল্লা তাঁর ওপর হামলাকারীদের নাম উল্লেখ করে জবানবন্দি দিয়ে গেছেন। কাওসারের মুখে উঠে আসা অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন— রবিউল ইসলাম সুমন, রাজু, শরিফ, সাইফুল, ওহিদুল, ইন্দ্রজিৎ, ইফাদ, ইমরান, সাদ্দাম, জুয়েল ও বিপুল। এই জবানবন্দির ধারণকৃত ভিডিও এবং উপস্থিত ভাসানটেক থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাজিদুন করিম সরকারের উপস্থিতির কথা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
​তবে অভিযোগ উঠেছে, নিহতের মৃত্যুর পর ভাসানটেক থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে আসামিদের নাম বাদ দিয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণ করা হয়। এ বিষয়ে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান নিহতের পরিবার।
​সংবাদ সম্মেলনে নিহতের পরিবার প্রশাসনের কাছে কাওসারের মৃত্যুর আগে দেওয়া জবানবন্দি ও ভিডিও রেকর্ড আমলে নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত, মূল অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং আইনের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার আকুল আবেদন জানান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews