
জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার এলতা উত্তরপাড়া গ্রামে পরকীয়া সন্দেহে স্বামী তার দ্বিতীয় স্ত্রীকে হত্যার পর পালিয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে।
রোববার (১ মার্চ) রাত আনুমানিক তিনটার দিকে নিহতের নিজ বাড়িতে এ ঘটেছে। নিহত মোছাম্মদ খালেদা (৩৫) কালাই উপজেলার এলতা উত্তরপাড়া গ্রামের আব্দুল বারী ওরফে সাইদুর (৫৫) এর দ্বীতিয় স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই যুগ আগে কালাই উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের মৃত মভেজ আলীর ছেলে আব্দুল বাকী ওরফে সাইদুরের সাথে একই উপজেলার এলতা উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের মেয়ে মোছাম্মদ খালেদার সাথে দ্বিতীয় বিয়ে হয়। এরপর থেকে আব্দুল বাকী ঘর জামাই হিসেবে স্ত্রীর পিতার বাড়িতে থাকেন। সেখানে তাদের সংসারে একটি মেয়ে সন্তান রয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারী শনিবার দুপুরে স্ত্রী মোবাইল ফোনে অন্য লোকের সাথে কথা বলে এমন পরকীয় সন্দেহে স্বামী তার স্ত্রীকে মারধর করে স্ত্রীর সোনার গহনা কেরে নেয়। ওই দিন সন্ধ্যায় স্থানীয়ভাবে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে মিমাংসা করে দেন। পরে গভীর রাত আনুমানিক তিনটার দিকে স্বামী তাঁর স্ত্রীকে গলায় ওড়না ও তাঁর দিয়ে পেঁচিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়। এসময় স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে মরদেহ উদ্ধার করে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়ে দেয়।
কালাই থানার ওসি তদন্ত দীপেন্দ্রনাথ সিংহ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে সুরতহাল রিপোর্ট শেষে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, স্বামী তাঁর স্ত্রীর সন্দেহের জেরে হত্যা করে পালিয়েছে। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা হয়েছে। আসামিকে গ্রেফতার চেষ্টা চলছে।