1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
ঝিনাইগাতীতে মাছের প্রজেক্টের রাস্তা কেটে বন্ধ, ক্ষতির মুখে মৎস্যচাষী, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা - দৈনিক ভোরের আওয়াজ
শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
কালিহাতীতে ফিলিং স্টেশনে বিক্রি বন্ধ রেখে তেল মজুত, জরিমানা  হাটহাজারীতে সড়কে গেইট স্থাপন নিয়ে বিতর্ক, নিরাপত্তার যুক্তি বিবাদীর! ‎রংপুরে দুঃসাহসিক হামলা: প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টা, নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার  পাবনা প্রেসক্লাবে সতীর্থদের সাথে প্রাণবন্ত আড্ডা দিলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পাবনায় ভাইরাসজনিত ছোঁয়াচে রোগ হামের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে ॥ আক্রান্ত ২৭ শেবন্দী ফুটবল প্রিমিয়ার লীগের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত মেঘনায় ওরশের বিরোধে যুবক নিহত: থানায় হত্যা মামলার এজাহার দাখিল দখলের ধকলে মৃত প্রায় প্রমত্তা করতোয়া– অস্তিত্ব সংকটে বাঙালী দেলোয়ার-সভাপতি, হামিদ-সম্পাদক চন্দনাইশ প্রেস ক্লাবের কার্যকরি পরিষদ গঠন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১৩

ঝিনাইগাতীতে মাছের প্রজেক্টের রাস্তা কেটে বন্ধ, ক্ষতির মুখে মৎস্যচাষী, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

মুহাম্মদ আবু হেলাল, শেরপুর :
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
Oplus_16908288
শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার হাতিবান্ধা ইউনিয়নের লয়খা গ্রামে একটি মাছের প্রজেক্টে যাতায়াতের একমাত্র রাস্তাটি কেটে বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে ছয়টি পুকুরভিত্তিক মাছের খামারের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে এবং বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মৎস্যচাষী শফিকুল ইসলাম রহিম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, লয়খা মোল্লা বাড়ির দক্ষিণ পাশে পরিষদের রাস্তা থেকে পূর্ব দিকে জমির মালিকদের সঙ্গে আলোচনা ও সম্মতিক্রমে নিজ অর্থায়নে ভ্যান চলাচলের উপযোগী একটি রাস্তা নির্মাণ করেন মো. আব্দুল করিম দুদু ও তার পরিবার। দীর্ঘদিন ধরে ওই রাস্তা ব্যবহার করে চারটি মাছের প্রজেক্টে খাদ্য সরবরাহ ও উৎপাদিত মাছ পরিবহন করা হয়ে আসছিল। সময়ের সঙ্গে স্থানীয় বহু মানুষও রাস্তাটি ব্যবহার করতে শুরু করেন।
ভুক্তভোগী পক্ষের অভিযোগ, একই এলাকার মৃত ছলিম উদ্দিনের ছেলে মো. হবিবুর রহমান হবি (৬০) তার পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে সম্প্রতি রাস্তাটি কেটে গর্ত করে চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন।মৎস্যচাষী শফিকুল ইসলাম রহিম জানান, তার মোট ছয়টি পুকুর রয়েছে। প্রতিদিন মাছের খাদ্য আনা ও বাজারজাতের জন্য এ রাস্তাটিই একমাত্র ভরসা। কিন্তু রাস্তার অর্ধেক অংশ কেটে গর্ত করে দেওয়ায় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে মাছের খাদ্য সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে এবং সময়মতো মাছ বাজারে নিতে না পারায় তিনি মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে চলতি মাসে হবিবুর রহমান হবির নির্দেশে তার পুত্রবধূ লিজা প্রকাশ্যে রাস্তাটি কেটে গর্ত করেন, যাতে সরু দু’পায়ের আইল ছাড়া অন্য কোনোভাবে প্রজেক্টের মালামাল পরিবহন সম্ভব না হয়।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত হবিবুর রহমান হবি বলেন, “আমি ইউসুফ মেম্বারের মরহুম বাবা মনির উদ্দিনের কাছ থেকে প্রায় ৫০বছর আগে জমিটি কিনেছি। আমার ক্রয়কৃত জমি শফিকুল গংরা বেদখল করেছে। তাই আমার জমির ওপর দিয়ে যাওয়া ব্যক্তিগত রাস্তার একপাশে মাটি খনন করেছি। জমি ছেড়ে না দিলে পুরো রাস্তা ব্যবহার করতে দেব না।”এ প্রসঙ্গে হাতিবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, বিষয়টি মীমাংসার জন্য উভয় পক্ষকে একাধিকবার আলোচনায় বসার উদ্যোগ নেওয়া হলেও একপক্ষের অসহযোগিতার কারণে এখনো কোনো সমাধান হয়নি।
এদিকে ভুক্তভোগী মৎস্যচাষী শফিকুল ইসলাম রহিম বলেন, “রাস্তাটি দ্রুত খুলে দেওয়া না হলে আমার মাছের প্রজেক্টে অপূরণীয় ক্ষতি হবে।” তিনি বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট