
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে এক প্যানেল আলোচনায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত ম্যাথিউ হুইটেকার বলেন, ‘‘আমার মনে হয় ইউক্রেনীয়রা বর্তমান পরিস্থিতিতে একটি যুক্তিসঙ্গত ও ন্যায্য চুক্তিতে আসতে আগ্রহী।’তিনি আরও বলেন, ‘কিন্তু আমি নিশ্চিত নই যে শেষ পর্যন্ত রাশিয়ানরা চুক্তির জন্য প্রস্তুত, বা তারা আদৌ কোনোদিন চুক্তিতে পৌঁছাতে পারবে কি না।’তার এই বক্তব্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একই দিনে দেওয়া বক্তব্যের ঠিক উল্টো। ট্রাম্প বলেছিলেন, ইউক্রেনীয় নেতা ভলোদিমির জেলেনস্কিকে ‘এগিয়ে আসতে হবে’ কারণ ‘রাশিয়া একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চায়।’
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই সংঘাত বন্ধে ট্রাম্প চেষ্টা করলেও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় চলা আলোচনায় এখন পর্যন্ত কোনো অগ্রগতি হয়নি।মস্কো এখনও ইউক্রেনের কাছ থেকে বিশাল ভূখণ্ড এবং রাজনৈতিক ছাড়ের দাবিতে অনড় রয়েছে। তবে কিয়েভ এই দাবিকে আত্মসমর্পণের শামিল বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। রাশিয়া চায় ইউক্রেনীয় বাহিনী পূর্ব দোনেৎস্ক অঞ্চল থেকে সরে যাক।
ইউক্রেন একতরফাভাবে সেনা প্রত্যাহারের বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছে। এর পরিবর্তে তারা যেকোনো যুদ্ধবিরতির পর রাশিয়া যাতে পুনরায় আক্রমণ করতে না পারে, সেজন্য পশ্চিমাদের কাছ থেকে শক্তিশালী নিরাপত্তা গ্যারান্টি চাইছে।
সূত্র: অনলাইন