
আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক : জাপানের সাধারণ নির্বাচনে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির দল লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে। এর ফলে দেশটির ক্ষমতাসীন এই দল ইতিহাসে প্রথমবারের মতো শক্তিশালী পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
যদি সরকার ফলাফল নিশ্চিত করে, তবে এই ফলাফল জাপানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রীকে তার সংরক্ষণশীল এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য একটি শক্তিশালী ম্যান্ডেট দেবে এবং আগামী চার বছরে ১২৩ মিলিয়ন মানুষের এই দেশে তার ছাপ রাখতে সক্ষম করবে।তবে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল ঘনিষ্ঠভাবে এই ব্যাপারে নজর রাখবে যে ৬৪ বছর বয়সী প্রধানমন্ত্রী নভেম্বর মাসে তাইওয়ান নিয়ে করা মন্তব্যের কারণে বেইজিংকে ক্ষুব্ধ করার পর তিনি চীনের সঙ্গে সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবেন, না কি তা শান্ত করবেন।যদি তাকাইচি কর কমানোর ও এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে ব্যয় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন। তবে জাপানের সরকারি অর্থনীতি ও বিশাল দেনার পরিমাণ নিয়ে আর্থিক বাজারও উদ্বিগ্ন হতে পারে।
তাকাইচি রোববার রাতে জোর দিয়ে বলেন, ‘আমরা ধারাবাহিকভাবে দায়িত্বশীল ও সক্রিয় আর্থিক নীতির গুরুত্বের ওপর জোর দিচ্ছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আর্থিক নীতির স্থায়িত্বকে অগ্রাধিকার দেব। আমরা প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ নিশ্চিত করব। সরকারি ও বেসরকারি খাতকে অবশ্যই বিনিয়োগ করতে হবে। আমরা একটি শক্তিশালী ও স্থিতিস্থাপক অর্থনীতি গড়ে তুলব।’গত অক্টোবরে মাত্র এক বছরের মধ্যে জাপানের পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করার পর, গত মাসে হঠাৎ নির্বাচন ঘোষণা করেন তাকাইচি।স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, গতকাল রোববার অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে আংশিক ফলাফলের ভিত্তিতে ৪৬৫ আসনের নিম্নকক্ষে তাকাইচির লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ৩১৬টি আসনে জয়ী হয়েছে।এতে পার্টিটি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় ৩১০ আসনের সীমা অতিক্রম করেছে।
তাদের ছোট জোট অংশীদারের সঙ্গে মিলিতভাবে, তারা প্রায় ৩৫২ আসন পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সূত্র:খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।