1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:৫১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
বিশ্বের জন্য ভয়াবহ মুহূর্তে’ শেষ হলো যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া সর্বশেষ পরমাণু চুক্তি পিতার কবর জিয়ারত করলেন টাঙ্গাইল–৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল সেনাবাহিনী প্রধানের ঢাকা মহানগরে সেনা ক্যাম্প পরিদর্শন ও মতবিনিময় রমজান উপলক্ষে জামালপুরে দোস্ত এইডের ৫০০ ফ্যামিলি ফুড প্যাকেট বিতরণ ঘিওরে রমজান আলী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত   উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত যৌথ বাহিনীর অভিযানে স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই সদস্য সচিব আটক সর্বস্তরের জনসাধাণের কাছে জনপ্রিয়তার শীর্ষে সিলেট-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী আব্দুল মুক্তাদির ভেদরগঞ্জে দৈনিক গণমুক্তির ৫৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন সুবর্ণচরে সাংবাদিকদের সঙ্গে সেনাবাহিনীর মতবিনিময়

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ

জাবের আলী :
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আবারও সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট আয়োজন নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সরকার বারবার দাবি করে আসছে, এবারের নির্বাচন হবে দেশের ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ ও সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। তবে মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা সরকার ও নির্বাচন কমিশনের আশ্বাসের বিপরীতে অবস্থান করছে। ফলে দলগুলোর পরস্পরবিরোধী অভিযোগ ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন জনমনে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। সরকার একদিকে ছাত্রসমাজকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বার্তা জোরদার করলেও প্রশাসনের বড় একটি অংশ একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। একদিকে নির্বাচন কমিশন ভোটের পরিবেশকে ‘তুলনামূলকভাবে ভালো’ বলে দাবি করছে, অন্যদিকে একাধিক রাজনৈতিক দল ভোট কারচুপি ও নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শঙ্কা প্রকাশ করছে। সব মিলিয়ে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের গণতন্ত্রের জন্য আস্থা ফেরাবে, নাকি নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক ও সংকটকে ঘনীভূত করবে—এই প্রশ্নই এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনায়। নির্বাচনের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি থাকলেও মাঠপর্যায়ে সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। বরং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে বেশি। কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ, প্রশাসন নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং নির্বাচনি আইন প্রয়োগে দ্বৈত নীতির অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন মহল থেকে। বিশেষ করে গণভোট ও জাতীয় নির্বাচনের সম্ভাব্য ফলাফল ঘিরে বড় ধরনের ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর আশঙ্কা প্রকাশ করছেন কয়েকটি রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। তাদের মতে, ভোটের আগেই একটি নির্দিষ্ট ফলাফল নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা চলছে, যা নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।‌এমন পরিস্থিতিতে জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক তৎপরতা চোখে পড়ার মতো বেড়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় জামায়াত এটিকে নিজেদের জন্য সবচেয়ে অনুকূল সময় হিসেবে দেখছে। ফলে তারা মরণকামড় দিয়ে মাঠে নেমেছে এবং নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠনের চেষ্টা করছে। নির্বাচনি প্রচারণা, সাংগঠনিক সক্রিয়তা ও কৌশলগত জোটে জামায়াতের তৎপরতা আগের যে কোনো সময়ের তুলনায় বেশি দৃশ্যমান।আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কারচুপির আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মাহদী আমিন। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে বিভিন্ন ধরনের ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে, যা গণতন্ত্রের জন্য উদ্বেগজনক।’ গতকাল বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে নির্বাচন কমিশন বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি)-এর সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি। মাহদী আমিন বলেন, অতীতে পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থার মাধ্যমে কীভাবে একটি পক্ষকে সুবিধা দেওয়া হয়েছিল, তা গণমাধ্যমই তুলে ধরেছে। বর্তমানে দেশের মানুষ মোটামুটি সবাই জানে, পোস্টাল ব্যালট কীভাবে নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়।’এ সময় তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন তথ্যের কথাও উল্লেখ করেন। বলেন, কোথাও বিপুলসংখ্যক ভোটার স্থানান্তরের কথা বলা হচ্ছে, আবার ঢাকার কয়েকটি এলাকায় পরিকল্পিতভাবে বোরকা প্রস্তুতের খবরও শোনা যাচ্ছে। এসব বিষয় নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে।
মাহদী আমিন বলেন, যে কোনো ধরনের অনিয়ম, কারচুপি ও নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বিরুদ্ধে সাংবাদিকসহ সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। দেশের স্বার্থে এবং জনগণের ভোটাধিকার রক্ষায় সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা আব্বাস। সম্প্রতি তিনি দাবি করেছেন, নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে এবং জাল ভোট দেওয়ার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে সারা দেশে প্রায় ৪০ লাখ বোরকা তৈরি করা হয়েছে। বোরকার আড়ালে ভোটকেন্দ্রে ঢুকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং ভুয়া ভোট দেওয়ার একটি গোপন নীলনকশা বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে। এ ধরনের অপচেষ্টা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। পাশাপাশি সাধারণ ভোটার ও দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রতিটি কেন্দ্রে সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের একাংশের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন এই জ্যেষ্ঠ বিএনপি নেতা। তার দাবি, সরকারের ভেতরে ও নির্বাচন কমিশনে একটি চক্র সক্রিয়ভাবে নির্বাচনকে বিতর্কিত ও প্রশ্নবিদ্ধ করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। বিশেষ করে ভোটের ফলাফল ঘোষণায় ইচ্ছাকৃত বিলম্বের পরিকল্পনা থাকতে পারে বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
ফলাফল ঘোষণার সময়সীমা নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে কড়া বার্তা দিয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর ১২ ঘণ্টার বেশি সময় নিয়ে ফলাফল ঘোষণা করা হলে তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে বিবেচিত হবে। এমন বিলম্ব হলে বিএনপি ও জনগণ সেই ফলাফল মেনে নেবে না বলেও তিনি স্পষ্ট করে জানান। ডিজিটাল যুগে ফল প্রকাশে অযৌক্তিক দেরি মানেই কারচুপির ইঙ্গিত।’
নাটোর-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, ‘বিএনপির বিজয় ঠেকানোর জন্য সূক্ষ্ম কারচুপির চেষ্টা করা হচ্ছে; কিন্তু দেশের জনগণ সচেতন আছেন। কোনো ষড়যন্ত্র করে আর কাজ হবে না। মানুষ বিএনপিকে ভোট দিয়ে সংসদে পাঠানোর জন্য মুখিয়ে আছেন।’ বাংলাদেশ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘খেলা যে এখন কোন লেভেলে চলছে, তা বুঝতেই পারছেন না। খেলা যে চেঞ্জ করব, শুধু এটা না—আমরা খেলার নিয়মটাই পাল্টে দেব ইনশাআল্লাহ।’তিনি বলেন, ‘আমাদের দায়বদ্ধতা সাধারণ জনগণের কাছে। আমরা কোনো চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ বা মাদকসম্রাটের কাছ থেকে টাকা খাইনি। তাই তাদের কাছে আমরা দায়বদ্ধ নই। কিছু করলে আমাদের জনগণের আদালতে দাঁড়াতে হবে। গত তিনটি নির্বাচনে দিনের ভোট রাতে হয়েছে। মরা মানুষ এসে ভোট দিয়েছে। এর ফলাফল ৫ আগস্ট জনগণ দিয়েছে।’
বিএনপির প্রার্থীদের জন্য পরিস্থিতি ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। নির্বাচনের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি থাকলেও বিএনপির একাধিক প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলের দাবিতে আদালতে যাচ্ছেন তাদের প্রতিদ্বন্দ্বীরা। এতে করে ভোটের মাঠে অসম প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ করছে দলটি। বিএনপি নেতাদের দাবি, প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের নীরবতায় এসব আইনি পদক্ষেপ একটি পরিকল্পিত কৌশলের অংশ হয়ে উঠছে।
তবে এসব অভিযোগ নাকচ করে নির্বাচন কমিশন বলছে, এখনো সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং নির্বাচন সুষ্ঠুভাবেই অনুষ্ঠিত হবে। কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, তারা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছে এবং কোনো পক্ষকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার সুযোগ নেই।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচন কমিশনের এই আশ্বাসের সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতির একটি স্পষ্ট ব্যবধান রয়েছে। মাঠপর্যায়ে প্রশাসনের ভূমিকা, আদালতে প্রার্থিতা বাতিলের আবেদন এবং একাধিক দলের অভিযোগ মিলিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও ঘনীভূত হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমান মাছউদ বলেছেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সপ্তাহখানেক আগে নির্বাচনি পরিবেশ ‘যথেষ্ট ও তুলনামূলকভাবে ভালো’। আমরা সব রাজনৈতিক দলের কর্মী, তাদের নেতৃত্ব এবং সংশ্লিষ্ট সবার নিকট আবেদন জানাই—তারা যেন একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখতে আমাদের সহযোগিতা করেন এবং তাদের তরফ থেকে যে যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার, সেটাই গ্রহণ করেন।’ দুই দলের শীর্ষ নেতাদের পরস্পরবিরোধী বক্তব্যের বিষয়ে কমিশনার মাছউদ বলেন, ‘সারা দেশে ৩০০ জন জজের সমন্বয়ে ৩০০টি ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও অ্যাডজুডিকেশন কমিটি কাজ করছে। তা ছাড়া অনেক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছেন। কেউ যদি আচরণবিধি ভঙ্গ করেন—এমন অভিযোগ থাকলে ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও অ্যাডজুডিকেশন কমিটির কাছে প্রতিকার চাইতে পারেন।’ কমিশনার মাছউদ আরও বলেন, বহু ঘটনায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা বিভিন্ন জায়গায় আচরণবিধি ভঙ্গের কারণে ইতিপূর্বে শাস্তি দিয়েছেন ও জরিমানা করেছেন। নির্বাচনে নিয়োজিত কোনো কর্মকর্তা নিজে আচরণবিধি বা আইন ভঙ্গ করলে, কিংবা পক্ষপাতিত্ব দেখা দিলে, সেক্ষেত্রেও ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও অ্যাডজুডিকেশন কমিটির কাছে অভিযোগ দায়ের করা যাবে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারা দেশে দায়িত্ব পালনের জন্য এক হাজার ৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়েছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা আগামী ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করবেন।
গত মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিভিন্ন মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্সের সঙ্গে—বিশেষ করে বিজিবি ও কোস্টগার্ডের সঙ্গে—দায়িত্ব পালনের লক্ষ্যে নির্বাচনি এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ প্রতিরোধ কার্যক্রম সংক্রান্ত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য ‘ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮’, যা ‘ফৌজদারি কার্যবিধি (সংশোধন) আইন, ২০০৯’ দ্বারা সংশোধিত, এর ১০(৫) ধারার বিধান অনুযায়ী এসব কর্মকর্তাকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাদের আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোবাইল কোর্ট আইন মোতাবেক তফসিলভুক্ত আইনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট