সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
যার যার ধর্ম নির্ভয়ে ও স্বাধীনভাবে পালন করবেন,সরকার এটাই প্রত্যাশা করে …. এমপি নুরুল তারাগঞ্জে অবৈধ চার দোকান উচ্ছেদ, জরিমানা ৫৪ হাজার ৫০০ টাকা পীরগঞ্জে প্রতিবন্ধী কিশোরকে বলৎকার ॥ ১৫ মাসেও বিচার পায়নি অসহায় পরিবার বিমানবন্দরে প্রায় দেড় কোটি টাকার স্বর্ণসহ যাত্রী আটক দিনাজপুরে “বউ মেলা” জীবনসঙ্গী খুঁজতে আসবেন আদিবাসী তরুণ-তরুণীরা! শিক্ষিত বেকার বাড়ছে:  কর্মসংস্থানে কার্যকর উদ্যোগ জরুরি! সাঘাটায় তেল পাচারে বাধা দেওয়ায় যুবদল নেতাকে পিটিয়ে জখম! কবিতা/আত্মোপলব্ধি /আসাদুজ্জামান খান মুকুল কালিহাতীর বল্লা হাটে পরিচ্ছন্নতা  অভিযান, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়তে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর দুই দেশের সম্পর্ক উচ্চতর পর্যায়ে উন্নীত করবে —জহির উদ্দিন স্বপন

আজ মায়ামিতে ইউক্রেন-মার্কিন বৈঠক, ‘বাস্তব অগ্রগতি’ নির্ভর করছে রাশিয়ার ওপর

  • প্রকাশিত: শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫




ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা আজ শনিবার মায়ামিতে টানা তৃতীয় দিনের মতো আলোচনায় বসবেন বলে জানা গেছে। ওয়াশিংটন জানিয়েছে, উভয় পক্ষ একমত হয়েছে যে বাস্তব অগ্রগতি রাশিয়া যুদ্ধ শেষ করতে কতটা প্রস্তুত তার ওপর নির্ভর করবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং তার জামাতা জ্যারেড কুশনার ইউক্রেনের প্রধান আলোচক রুস্তম উমেরভ এবং কিয়েভের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ আন্দ্রি হ্নাতভের সঙ্গে বৈঠক করছেন।

মঙ্গলবার ক্রেমলিনে উইটকফ এবং কুশনার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সাথে বৈঠকের পর এই আলোচনা শুরু হয়। আলোচনায় সংঘাতের অবসানের জন্য মার্কিন পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। তবে মস্কো প্রস্তাবের কিছু অংশ প্রত্যাখ্যান করে।

মায়ামি বৈঠকের শুক্রবার উইটকফ এক্স-এ দেয়া এক বিবৃতিতে বলেন, ‘উভয় পক্ষই একমত হয়েছে যে কোনো চুক্তির দিকে বাস্তব অগ্রগতি নির্ভর করে রাশিয়ার দীর্ঘমেয়াদি শান্তির প্রতি আন্তরিক অঙ্গীকারের ওপর, যার মধ্যে উত্তেজনা কমানো এবং হত্যাকাণ্ড বন্ধে পদক্ষেপ নেওয়া অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।’

মার্কিন ও ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা ‘নিরাপত্তা ব্যবস্থার কাঠামোতেও একমত হয়েছেন এবং টেকসই শান্তির জন্য প্রয়োজনীয় প্রতিরোধ সক্ষমতা নিয়ে আলোচনা করেছেন।’

ওয়াশিংটনের পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, ইউক্রেনকে কিছু অঞ্চল রাশিয়ার হাতে ছেড়ে দিতে হতে পারে, যা তারা যুদ্ধক্ষেত্রে পুরোপুরি দখল করতে পারেনি, বিনিময়ে ইউক্রেন নিরাপত্তা নিশ্চয়তা পাবে, যা ন্যাটোর সদস্যপদের চেয়ে কম হলেও, রাশিয়ার আগ্রাসন থেকে সুরক্ষার একটি বিকল্প পথ হতে পারে।

তবে ইউক্রেন কী ধরনের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা পেতে পারে তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রাথমিক পরিকল্পনায় শুধু বলা হয়েছে, কিয়েভকে রক্ষা করার জন্য জন্য পোল্যান্ডে যুদ্ধ বিমান রাখা হতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews