অপরিকল্পিত নগরায়ণ রোধে প্রয়োজন কার্যকর পদক্ষেপ

লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল
৩১ অক্টোবর বিশ্ব নগর দিবস। ২০২৬ সালের প্রতিপাদ্য ‘শহরের পুনর্জাগরণঃ সবার জন্য পর্যাপ্ত আবাসন’ নগর উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি জরুরি প্রশ্ন সামনে আসে, শহর কাদের জন্য গড়ে উঠছে? শহর যদি শুধু কাজ, শিক্ষা ও চিকিৎসার সুযোগ দেয়, কিন্তু নিরাপদ বাসস্থান, চলাচল, বিশুদ্ধ পানি ও সুস্থ পরিবেশ না দেয়, তবে নগর উন্নয়ন অসম্পন্ন থেকে যায়। নগর দিবস তাই শুধু শহরের অর্জন উদ্যাপনের উপলক্ষ নয়। এই দিবস নগরের পরিকল্পনা, সেবা ও জবাবদিহি কতটা মানুষের জীবনে পৌঁছেছে, তা পর্যালোচনারও দিন।
বাংলাদেশের শহরগুলোতে মানুষের আগমন দ্রুত বাড়ছে। বিশ্বব্যাংকের ২০২৫ সালের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০১১ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে দেশের নগর জনসংখ্যা বেড়েছে ১ কোটি ১৫ লাখ, এর মধ্যে প্রায় ৬০ লাখ মানুষ গ্রাম থেকে শহরে এসেছেন। একই বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, দেশের দরিদ্র মানুষের প্রতি চারজনের একজন শহরে বাস করেন। এই পরিবর্তনকে শুধু জনসংখ্যার চাপ হিসেবে দেখলে চলবে না, এটি আবাসন, কর্মসংস্থান, পরিবহন, পানি ও নাগরিক সেবা পরিকল্পনারও পরীক্ষা। ঢাকা এই সংকটের সবচেয়ে দৃশ্যমান উদাহরণ, তবে অপরিকল্পিত নগরায়ণ দেশের বড় শহর, জেলা শহর ও পৌর এলাকাতেও উদ্বেগের বিষয়।
ঢাকার জন্য রাজউকের বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা বা ড্যাপ ভূমি ব্যবহার, জলাধার, বন্যাপ্রবাহ এলাকা ও অবকাঠামো উন্নয়নের দিকনির্দেশ দেয়। কিন্তু পরিকল্পনা থাকলেই শহর পরিকল্পিত হয় না, অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী ভবন নির্মাণ, এলাকার ধারণক্ষমতা মেনে ভূমি ব্যবহার এবং জনসংখ্যার অনুপাতে সেবা নিশ্চিত করার ধারাবাহিক প্রয়োগ দরকার। রাজউকের চেয়ারম্যান ২০২৫ সালের এপ্রিলে জানিয়েছিলেন, রাজউক এলাকায় নির্মাণাধীন ৩,৩৮২টি ভবনে নিয়মবহির্ভূত অংশ সনাক্তের কাজ শুরু হয়েছে। এই সংখ্যা ঢাকার সব ভবন বা সারাদেশের হিসাব নয়, এটি রাজউকের চিহ্নিত নির্মাণাধীন ভবনের তথ্য। তবু তা ভবন অনুমোদনের পর নিয়মিত পরিদর্শন ও নিয়ম প্রয়োগের গুরুত্ব স্পষ্ট করে।
অনুমোদনহীন বা নকশার বাইরে নির্মাণ শুধু নিয়মভঙ্গ নয়, এটি বাসিন্দা ও আশপাশের মানুষের নিরাপত্তাকে ঝুঁকিতে ফেলে। ভবনের কাঠামোগত ও অগ্নিনিরাপত্তা, জরুরি নির্গমনপথ, প্রবেশপথ এবং আশপাশের সড়কের সক্ষমতা সবকিছুই অনুমোদন ও পরিদর্শনের সঙ্গে যুক্ত। তাই ভবন অনুমোদন, নকশা, নির্মাণপর্যায়ের পরিদর্শন এবং ব্যবহার-অনুমতির তথ্য নাগরিকের সহজে যাচাই করার উপযোগী করে প্রকাশ করতে হবে। গুরুতর অনিয়মে নির্মাণ বন্ধ, সংশোধনের নির্দেশ বা ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের ব্যবহার সীমিত করার ব্যবস্থা কার্যকর হওয়া দরকার। নিয়ম ভাঙলে নির্মাতা যেমন জবাবদিহি করবেন, অনুমোদন বা তদারকিতে অবহেলা থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেও ব্যাখ্যা দিতে হবে।
নগর উন্নয়নের আরেকটি বড় মাপকাঠি সড়ক কতটা নিরাপদ ও সবার ব্যবহারযোগ্য। সড়ককে শুধু যানবাহন চলাচলের জায়গা হিসেবে দেখলে পথচারী, গণপরিবহনের যাত্রী, সাইকেলচালক, শিশু, প্রবীণ ও প্রতিবন্ধী মানুষের প্রয়োজন উপেক্ষিত হয়। দখল হওয়া বা বিচ্ছিন্ন ফুটপাত, নিরাপদ পারাপারের অভাব, অপর্যাপ্ত আলো ও ঝুঁকিপূর্ণ মোড় মানুষকে যানবাহনের সঙ্গে একই পথে চলতে বাধ্য করে। নিরাপদ পারাপার, পরিকল্পিত বাসস্টপ, রাস্তার উপযোগী আলো ও চিহ্ন এবং প্রতিবন্ধীবান্ধব নকশা প্রতিটি সড়ক প্রকল্পের আবশ্যিক অংশ হওয়া উচিত।
সড়ক দুর্ঘটনাকে শুধু চালকের ভুল হিসেবে দেখলে প্রতিরোধের বড় সুযোগগুলো আড়ালে থেকে যায়। অতিরিক্ত গতি, আইন অমান্য ও অদক্ষ চালকের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক নকশা, রাস্তার পাশে বাধা, পথচারীর জন্য ফুটপাত ও পারাপারের ঘাটতিও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায়। বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বিশ্লেষণ বলছে, বিভিন্ন ধরনের যানবাহন ও পথচারী একই সড়ক ব্যবহার করেন, সরু লেন, সীমিত কাঁধ বা ফুটপাত না থাকা এবং নিরাপদ অবকাঠামোর অভাব ঝুঁকি বাড়ায়। অর্থাৎ অপরিকল্পিত সড়ক নকশা দুর্ঘটনার একটি বাস্তব কারণ, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারে সেটিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০২৩ সালের বাংলাদেশ প্রোফাইলে ২০২১ সালে সরকারি হিসাবে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫,০৮৪ জনের মৃত্যুর তথ্য আছে, একই বছরের জন্য সংস্থাটির মডেলভিত্তিক অনুমান ৩১,৫৭৮। এ দুটি সংখ্যা ভিন্ন পদ্ধতির হিসাব একটি সরকারি প্রতিবেদনের, অন্যটি ডাব্লিউএইচও’র অনুমান তাই এক করে দেখার সুযোগ নেই। এই ব্যবধান দুর্ঘটনার তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ উন্নত করার প্রয়োজনও তুলে ধরে। নতুন সড়কের নিরাপত্তা নিরীক্ষার ব্যবস্থা থাকলেও সব সড়ককে নিরাপত্তার মানে উন্নীত করার জাতীয় লক্ষ্যমাত্রার ঘাটতি ডাব্লিউএইচও’র প্রোফাইলে উল্লেখ করা হয়েছে। সরকারকে তাই নতুন ও পুরোনো সড়কে নিরাপত্তা নিরীক্ষা, দুর্ঘটনাপ্রবণ স্থান সংশোধন এবং দুর্ঘটনার তথ্য ও গৃহীত ব্যবস্থার নিয়মিত প্রকাশ নিশ্চিত করতে হবে।
ঢাকার যানজটও কেবল গাড়ির সংখ্যা বাড়ার ফল নয়। গণপরিবহনের রুট ও সেবায় সমন্বয়ের অভাব, অনিয়মিত যাত্রী ওঠানামা, অপরিকল্পিত পার্কিং, সড়কে নির্মাণকাজের বিশৃঙ্খলা এবং হাঁটার নিরাপদ পথের সংকট যান চলাচলকে আরও জটিল করে। শুধু রাস্তা প্রশস্ত করা বা উড়ালপথ নির্মাণে স্থায়ী সমাধান হবে না। নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী গণপরিবহন, সমন্বিত রুট, পরিকল্পিত বাসস্টপ ও পার্কিং এবং গণপরিবহনে পৌঁছানোর নিরাপদ হাঁটার পথ একসঙ্গে গড়ে তুলতে হবে। নতুন আবাসন, শিল্পাঞ্চল বা বাণিজ্যকেন্দ্র অনুমোদনের আগে সেখানে পরিবহন, পানি, পয়ঃনিষ্কাশন, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চাহিদা কীভাবে পূরণ হবে, তার পরিকল্পনা থাকতে হবে।
বর্ষায় জলাবদ্ধতা, খাল দখল ও দূষণ অপরিকল্পিত উন্নয়নের মূল্য মানুষকে সরাসরি বুঝিয়ে দেয়। পানি বের হওয়ার পথ বন্ধ হলে শুধু নালা পরিষ্কার করলেই হবে না, খাল, জলাধার, বন্যাপ্রবাহ এলাকা ও প্রাকৃতিক নিষ্কাশনপথ রক্ষা করতে হবে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের ঢাকা পানি নিরাপত্তা কর্মসূচির বিবরণে বলা হয়েছে, ঢাকার অর্ধেকের বেশি খাল হারিয়ে গেছে বা আটকে আছে। একই বিবরণে পয়ঃনিষ্কাশন সংযোগের সীমাবদ্ধতা এবং অপরিশোধিত বর্জ্য জলপথে যাওয়ার কথাও উঠে এসেছে। এই তথ্য ঢাকাকে কেন্দ্র করে হলেও শিক্ষা দেশের অন্য নগরের জন্যও প্রযোজ্য। খাল পুনরুদ্ধার, বর্জ্য সংগ্রহ, পয়ঃবর্জ্য শোধন, পানি সরবরাহ ও নিষ্কাশনকে একই পরিকল্পনায় আনতে হবে।
নগরবাসীর স্বাস্থ্য শুধু হাসপাতালের ওপর নির্ভর করে না, তারা যে বাতাসে শ্বাস নেন, যে পানি পান করেন, যে শব্দের মধ্যে থাকেন এবং যে পরিবেশে চলাচল করেন সবই স্বাস্থ্যের সঙ্গে জড়িত। বিশ্বব্যাংকের ২০২৩ সালের বাংলাদেশ পরিবেশ বিশ্লেষণে ঢাকায় বার্ষিক গড় সূক্ষ্ম কণাদূষণ পিএম ২.৫-এর মাত্রা ৯০-১০০ মাইক্রোগ্রাম/ঘনমিটার পর্যন্ত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। নির্মাণের ধুলো, যানবাহনের ধোঁয়া, ইটভাটা, শিল্পনিঃসরণ ও বর্জ্য পোড়ানো বায়ুদূষণের বিভিন্ন উৎস। অতিরিক্ত হর্ন, নির্মাণকাজ ও যানবাহনের শব্দও নিছক বিরক্তির বিষয় নয়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, দীর্ঘস্থায়ী শব্দ ঘুমের ব্যাঘাত, মানসিক চাপ ও হৃদ্স্বাস্থ্যের ঝুঁকির সঙ্গে যুক্ত। নির্মাণস্থলে ধুলো নিয়ন্ত্রণ, যানবাহন ও শিল্পের নিঃসরণ পর্যবেক্ষণ, শব্দসীমা প্রয়োগ এবং নিয়মিত তথ্য প্রকাশ তাই নগর জনস্বাস্থ্য রক্ষার অংশ।
নগরকে জলবায়ু ঝুঁকির জন্যও প্রস্তুত করতে হবে। গাছ, পার্ক, খেলার মাঠ, পুকুর ও জলাভূমি শুধু সৌন্দর্যের জন্য নয়, এগুলো তাপ কমাতে, বৃষ্টির পানি ধারণ করতে এবং মানুষের সুস্থতার জায়গা দিতে সাহায্য করে। বিশ্বব্যাংকের বিশ্লেষণে ঢাকার তাপ বৃদ্ধির সঙ্গে সবুজ জায়গা ও উদ্ভিদ কমে যাওয়ার সম্পর্ক উল্লেখ করা হয়েছে। তাই উন্নয়ন পরিকল্পনায় উন্মুক্ত স্থান ও জলাধার রক্ষা, ছায়াযুক্ত হাঁটার পথ, রাস্তার পাশে গাছ, বৃষ্টির পানি ধারণ এবং তাপপ্রবাহে জনসতর্কতা অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। নিম্ন আয়ের ও অনানুষ্ঠানিক বসতিতে থাকা মানুষকে পানি নিষ্কাশন, জরুরি সেবা ও তাপ থেকে সুরক্ষার পরিকল্পনায় অগ্রাধিকার দেওয়া জরুরি।
বিশ্ব নগর দিবসের ২০২৬ এর প্রতিপাদ্য পর্যাপ্ত আবাসনের প্রশ্নটিও সামনে আনে। জমি ও ভাড়ার উচ্চ ব্যয়ে নিম্ন আয়ের মানুষ অনেক সময় অনানুষ্ঠানিক বসতি বা অপর্যাপ্ত সেবার এলাকায় থাকতে বাধ্য হন। তাঁদের উচ্ছেদ করলেই আবাসন সংকট মেটে না, জীবিকা, শিক্ষা ও চিকিৎসায় প্রবেশ বরং কঠিন হতে পারে। পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা উন্নয়নে বাসিন্দাদের অংশগ্রহণ, নিরাপদ পানি-বিদ্যুৎ-পয়ঃনিষ্কাশন, সাশ্রয়ী ভাড়া ও আবাসন এবং স্থানচ্যুতি ঠেকানোর সুরক্ষা থাকতে হবে। নগর পুনর্জাগরণ মানে শুধু নতুন ভবন নির্মাণ নয়, বিদ্যমান বাসিন্দাদের অধিকার ও জীবনযাত্রা উন্নত করাও তার অংশ।
নগর উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট সমস্যাগুলো একাধিক কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে থাকায় সমন্বয়হীনতা উন্নয়নকে ব্যাহত করে। সরকারের উচিত গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের সমন্বয়ে একটি জাতীয় নগর কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ করা। এতে রাজউক ও অন্যান্য উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন সংস্থা, সড়ক ও পরিবহন কর্তৃপক্ষ এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের দায়িত্ব স্পষ্ট করতে হবে। বার্ষিক কর্মপরিকল্পনার প্রথম ছয় মাসে শহরভিত্তিক তথ্য ভবন অনুমোদন ও পরিদর্শন, দুর্ঘটনাপ্রবণ সড়ক, ফুটপাত, খাল, জলাবদ্ধতা, বায়ু ও শব্দদূষণ, আবাসন ও বর্জ্যসেবা প্রকাশ করা যেতে পারে। পরের ছয় মাসে অগ্রাধিকার, বাজেট, দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা ও পরিমাপযোগ্য লক্ষ্যসহ নগর কর্মপরিকল্পনা দিতে হবে। এরপর প্রতি বছর অগ্রগতি, ব্যয়, সময়সীমা ও নাগরিক অভিযোগ নিষ্পত্তির প্রতিবেদন প্রকাশ করা উচিত।
পরিকল্পনা নাগরিকের প্রয়োজন শুনে তৈরি না হলে তা বাস্তবসম্মত হয় না। ওয়ার্ডভিত্তিক শুনানিতে নারী, শিশু, প্রবীণ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, পথচারী, গণপরিবহনের যাত্রী, নিম্ন আয়ের বাসিন্দা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মতামত নিতে হবে। তাঁদের প্রস্তাবের কোনটি পরিকল্পনায় যুক্ত হলো, কোনটি হলো না এবং কেন তা জানানোও কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। প্রকল্প শুরুর আগে পরিবেশ, সড়ক নিরাপত্তা, পানি, জীবিকা ও স্থানচ্যুতির প্রভাব মূল্যায়ন করে ফল প্রকাশ করা দরকার। নাগরিক অংশগ্রহণ পরিকল্পনার গ্রহণযোগ্যতা বাড়ায় এবং বাস্তবায়নের ঘাটতি দ্রুত চিহ্নিত করতে সাহায্য করে।
অপরিকল্পিত নগরায়ণ একটি দেশের টেকসই উন্নয়নের পথে বড় বাধা। এ সমস্যা সমাধানে সরকার, নগর পরিকল্পনাবিদ, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ জনগণকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে। সুষ্ঠু নগর পরিকল্পনা, কঠোর আইন প্রয়োগ, পরিবেশ সংরক্ষণ, পর্যাপ্ত আবাসন ও উন্নত নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার মাধ্যমে অপরিকল্পিত নগরায়ণ রোধ করা সম্ভব। জলাশয়, কৃষিজমি ও সবুজ এলাকা রক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। নগর উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি। তাই একটি বাসযোগ্য, নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব নগর গড়ে তুলতে এবং অপরিকল্পিত নগরায়ণ রোধে প্রয়োজন কার্যকর পদক্ষেপ।
লেখক পরিচিতি:
লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল
(শিক্ষক, কবি, কলাম লেখক, সমাজসেবক ও সংগঠক)
প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বাংলাদেশ সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি (কৃষি) কেন্দ্রীয় কমিটি
যুগ্মমহাসচিব, নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) কেন্দ্রীয় কমিটি
ফোন: ০১৫৫২৬৩১১১৮, ০১৮৪২৬৩১১১৮
ইমেইল: lionganibabul@gmail.com
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আব্দুল্লাহ্ আল-মামুন, নির্বাহী সম্পাদক : রাবেয়া সিরাজী, সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ শাহজালাল,
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ: ২ আর কে মিশন রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১২০৩।
𝐌𝐨𝐛𝐢𝐥𝐞 : 𝟎𝟏𝟕𝟗𝟔-𝟕𝟕𝟕𝟕𝟓𝟑, ইমেইল: bhorerawajbd@gmail.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত