বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত ইউনিয়ন গঠনের প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রফিকুল আল আমিন জনপ্রিয়তার শীর্ষে গোবিন্দগঞ্জে সীমানা প্রাচীর বিরোধে প্রতিপক্ষের ধাক্কায় বৃদ্ধের মৃত্যু  বড়পুকুরিয়া ৫২৫ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র পুরোপুরি বন্ধ স্বপদে বহাল পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক বিএম নাঈম মাহমুদ অপপ্রচার ও ভুয়া সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার দাবি কুমিল্লায় ‘খ’ ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ ওসি মেঘনা থানার শহীদুল ইসলাম ​সমাজে বিষফোঁড়া ‘কিশোর গ্যাং : স্পট, অপরাধের ধরন, আইনি পদক্ষেপ ও উত্তরণের উপায়! গাজীপুরে বন ও পরিবেশ সুরক্ষায় বন বিভাগ’প্রতিষ্ঠাসহ ৫ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন দ্বীনি চর্চা ও আলেমদের কল্যাণে অভূতপূর্ব অগ্রগতি-মুফতী বিএম শরিফুল্লাহ বাল্যবিয়েতে ৩২ সহপাঠী! প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পণ্ড!

বড়পুকুরিয়া ৫২৫ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র পুরোপুরি বন্ধ

  • প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬



বড়পুকুরিয়া ৫২৫ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র পুরোপুরি বন্ধ

আব্দুস সালাম, দিনাজপুর 

দেশের একমাত্র কয়লাভিত্তিক দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত বড়পুকুরিয়া ৫২৫ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। কেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পার্বতীপুর উপজেলাসহ উত্তরাঞ্চলের আট জেলার মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছেন।
কেন্দ্রের ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার প্রথম ইউনিট ও ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার তৃতীয় ইউনিট যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সাময়িকভাবে বন্ধ হয়েছে। তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের সংস্কার করার জন্য ওভার হোলিং কাজ ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে ৫ বছর ১১ মাস বন্ধ রয়েছে।
বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, সোমবার (৫ অক্টোবর) ভোর ৫টা ৫০ মিনিটে প্রথম ইউনিট এবং মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ভোর ৫টা ৫ মিনিটে কেন্দ্রের তৃতীয় ইউনিটটি যান্ত্রিক ত্রুটির কবলে পড়ে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায় বন্ধ। তবে, এ দুটি ইউনিট কবে উৎপাদনে ফিরবে বলা মুশকিল।
তিনি আরও বলেন, বন্ধ হয়ে যাওয়া দুটি ইউনিটের যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামতে চীনা হারবিন কোম্পানির এক দল প্রকৌশলী কাজ শুরু করেছেন।
উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়া ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার তৃতীয় ইউনিট থেকে প্রতিদিন ১৬০-১৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হতো। তৃতীয় ইউনিটটি চালু রাখতে দৈনিক ২ হাজার ৫০০ টন কয়লা লাগে। ১২৫ মেগাওয়াট ইউনিট থেকে প্রতিদিন ৫০-৫৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ হতো। প্রথম ইউনিটটি চালু রাখতে দৈনিক ৮০০ থেকে ৯০০ টন কয়লা ব্যবহার হতো।
তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের সংস্কার করার জন্য ওভার হোলিং কাজ ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে ৫ বছর ১১ মাস বন্ধ রয়েছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, অক্টোবর মাসে যে কোনো সময় দ্বিতীয় ইউনিট চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews