নরসিংদীতে ২০০ বছরের পুরোনো রাস্তা বন্ধ নিয়ে দ্বন্দ্ব: হামলায় ২ বৃদ্ধ আহত, মামলা না নেওয়ার অভিযোগ
ফালু মিয়া,নরসিংদী
নরসিংদীর শিবপুর উপজেলায় জনসাধারণের বহুল ব্যবহৃত একটি চলাচলের রাস্তা বন্ধ করাকে কেন্দ্র করে দুই বৃদ্ধের ওপর বর্বরোচিত হামলার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর থেকে আহতদের পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও পুলিশ এখনো মামলা গ্রহণ করেনি বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।
শনিবার (৩ অক্টোবর) সরেজমিনে জানা যায়, উপজেলার চৈতান্যা এলাকায় প্রায় দুইশত বছরের পুরোনো একটি পায়ে চলার রাস্তা বন্ধ করে দেওয়াকে কেন্দ্র করে এই বিরোধের সূত্রপাত।
ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ২১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ওই রাস্তা দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন বৃদ্ধ সামসুল হক ও তার ভাই রুহুল আমিন। পথিমধ্যে প্রতিপক্ষের বাড়ির সামনে পৌঁছালে মোহাম্মদ, আব্দুল্লাহ, শাহজালাল, সুলাইমান, আব্দুর রশিদ ও আবুল ফজলসহ কয়েকজন তাদের গতিপথ রোধ করে। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে প্রতিপক্ষরা ধারালো অস্ত্র ও লোহার শাবল দিয়ে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে দুই ভাই-ই গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে শিবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরবর্তীতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় নরসিংদী জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, হামলার এক সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও এবং থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া সত্ত্বেও পুলিশ রহস্যজনক কারণে মামলা নথিভুক্ত করছে না।
তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিপক্ষরা তা অস্বীকার করে বলেন, “বিকল্প একটি চলাচলের রাস্তা তৈরি করে দেওয়ার পরেই পুরোনো রাস্তাটি বন্ধ করা হয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের চলাচলে কোনো ভোগান্তি হচ্ছে না। অভিযোগকারীরা উদ্দেশ্যেপ্রণোদিতভাবে বিষয়টি নিয়ে জলঘোলা করছেন।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কহিনুর মিয়া জানান, “ঘটনাটির বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” তবে বিষয়টিতে ক্যামেরার সামনে বিস্তারিত কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আব্দুল্লাহ্ আল-মামুন, নির্বাহী সম্পাদক : রাবেয়া সিরাজী, সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ শাহজালাল,
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ: ২ আর কে মিশন রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১২০৩।
𝐌𝐨𝐛𝐢𝐥𝐞 : 𝟎𝟏𝟕𝟗𝟔-𝟕𝟕𝟕𝟕𝟓𝟑, ইমেইল: bhorerawajbd@gmail.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত