রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
খালেদা জিয়া স্মৃতি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের মাঠ পরিদর্শন করলেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী মানিকগঞ্জের বেউথা কালীগঙ্গা নদীতে নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে ‘অপ-সাংবাদিকতা’ বন্ধে ব্যবস্থা চেয়ে ভূমিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা আউটসোর্সিং নীতিমালার আত্মঘাতী সংশোধন! জৈন্তাপুরে বড়গাং নদীর পানিতে পড়ে বারকি শ্রমিকের মৃত্যু শরীয়তপুরে ভেস্তিতো এক্সপোর্ট কোয়ালিটি ফ্যাশন মার্টের উদ্বোধন নরসিংদীতে ২০০ বছরের পুরোনো রাস্তা বন্ধ নিয়ে দ্বন্দ্ব! মোগরাপাড়া এইচ.জি.জি.এস স্মৃতিবিদ্যায়তন ৯৬ ব্যাচের নৌভ্রমণ অনুষ্ঠিত ডেঙ্গু প্রতিরোধে মোস্তফা কামালের উদ্যোগে  র‍্যালি ও মশক নিধন অভিযান দিনাজপুরে সবজির বাজারে স্বস্তি, তবে হাসি নেই কৃষকের মুখে!

দিনাজপুরে সবজির বাজারে স্বস্তি, তবে হাসি নেই কৃষকের মুখে!

  • প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬



দিনাজপুরে সবজির বাজারে স্বস্তি, তবে হাসি নেই কৃষকের মুখে

আব্দুস সালাম, দিনাজপুর 

দিনাজপুরের স্থানীয় বাজারগুলোতে শীতের আগাম সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় কমতে শুরু করেছে সব ধরনের সবজির দাম। গত সপ্তাহের তুলনায় কোনো কোনো সবজির দাম কেজিতে সর্বোচ্চ ৩০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। এতে ক্রেতাদের মাঝে স্বস্তি ফিরলেও উৎপাদন খরচ ওঠা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।

শনিবার (৩ অক্টোবর ২০২৬) দিনাজপুরের বাহাদুর বাজারসহ শহরের বিভিন্ন কাঁচাবাজারে গিয়ে সবজির এই দরপতনের চিত্র দেখা যায়।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, শীতকালীন লালশাক, পালংশাক, মুলাশাক, বাঁধাকপি, ফুলকপি, শিম, মুলা, গাজর, টমেটো, শালগম, বিটরুট, ক্যাপসিকামসহ বিভিন্ন শাকসবজির সরবরাহ বেড়েছে।

আমদানি করা কাঁচামরিচ প্রতি কেজি ৯০–১০০ টাকা এবং দেশি মরিচ ১৩০–১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিপ্রতি ২০–৩০ টাকা কম।

আলু প্রকারভেদে ১৬–৩০ টাকা, পেঁয়াজ ৪০–৪৫ টাকা, বেগুন ৫০–৭০ টাকা, শিম ১৫০–১৬০ টাকা, গাজর ১৪০ টাকা, টমেটো ১২০ টাকা এবং মুলা ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

চালকুমড়া প্রতি পিস ৪০ টাকা, কাঁচাকলা প্রতি হালি ৩০ টাকা এবং ফুলকপি ও পাতাকপি যথাক্রমে ১৫০ টাকা ও ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাহাদুর বাজারের বিক্রেতাদের মতে, জেলাজুড়ে এবার আগাম সবজির বাম্পার ফলন হয়েছে। পাইকারি

বাজারে সরবরাহ বেশি থাকায় কম দামে কিনে অল্প মুনাফায় বিক্রি করছেন তারা। শীতের প্রকোপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সবজির দাম আরও কমতে পারে বলে বিক্রেতারা জানান।

ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের মতে, গত সপ্তাহের তুলনায় সবজি কেনাকাটায় সাধারণ মানুষের খরচ বেশ কিছুটা কমে এসেছে। বিশেষ করে আলুর দরপতনে আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের লোকসান হলেও সাধারণ ক্রেতারা স্বস্তিতে আছেন।

তবে সার্বিক দরপতনে ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় চাষিরা। সদর উপজেলার ঘুঘুডাঙ্গা ও ফুলবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন এলাকার একাধিক সবজি চাষি জানান, অনুকূল আবহাওয়া থাকায় আগাম চাষে ফলন ভালো হলেও বর্তমান বাজারদরে উৎপাদন খরচ তোলা কঠিন হয়ে পড়ছে। ভরা মৌসুমে দাম আরও কমলে বড় অঙ্কের লোকসানের মুখে পড়ার আশঙ্কা করছেন তারা।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (দিনাজপুর) কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে জেলার ১৩টি উপজেলায় ৭,১৫০ হেক্টরেরও বেশি জমিতে আগাম শীতকালীন সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে চাষ হয়েছে এবং সামগ্রিক উৎপাদনও প্রত্যাশার চেয়ে ভালো হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews