
পলাতক আওয়ামী নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা এফআইআর করলো সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর থানা
আল হেলাল,সুনামগঞ্জ
সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় নাশকতামূলক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ,মিছিল এবং অপরাধ সংঘটনের চেষ্টার অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নোমান বখত পলিন, জেলা ছাত্রীগের সভাপতি দীপঙ্কর কান্তি দে, সহ সম্পাদক মেহেদী হাসান সাকিবসহ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ১৯ পলাতক নেতাকর্মীদের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। বিশ্বম্ভরপুর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে গেল বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাতে মামলা দায়ের করেন বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার শ্রীধরপুর গ্রামের বাসিন্দা সোহাগ তালুকদার।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ১৯ আগস্ট সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়নের রসুলপুর এলাকায় জামিয়া আবু হুরাইরা (রাঃ) এতিমখানা মাদ্রাসা সংলগ্ন বিশ্বম্ভরপুর সুনামগঞ্জ সড়কে ঘটনাটি ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, পূর্বপরিকল্পিতভাবে নাশকতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা এবং এলাকায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে আসামিরা সেখানে সমবেত হয়ে মিছিলসহ অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা করেন।
মামলায় অভিযুক্ত অন্যদের মধ্যে রয়েছেন বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. তৈয়বুর রহমান, সাগর মিয়া, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাফায়েত জামিল, তাহিরপুরের শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহসভাপতি সালমান মিয়া, সহ সাধারণ সম্পাদক মুক্তার হোসেন আখঞ্জী, সদস্য আজহার মিয়া, ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি রাজন পাল, শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের দপ্তর সম্পাদক সাব্বির মিয়া, যুবলীগ নেতা মারুফ খান, ছাত্রলীগ নেতা সজল মিয়া ও হৃদয় মিয়া এবং স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা রাজা।
এছাড়া বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সদস্য দেলোয়ার হোসেন, পলাশ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সদস্য সেলিম মিয়া, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি খালেদ তালুকদার এবং শাহিন মিয়াকেও মামলায় আসামি করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বিশ্বম্ভরপুর থানার ওসি আহম্মদ উল্ল্াহ ভূইয়া বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে সোহাগ তালুকদার নামের একজন বাদী হয়ে ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেছেন, এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।