
ভুমি বিরুধে নৃশংসতা ৩ জন হাসপাতালে ১ জনের অবস্হা আশংকাজনক
কক্সবাজার প্রতিনিধি
কক্সবাজারের রামুতে জমি নিয়ে বিরুদের জেরে ৩ জনকে মেরে অজ্ঞান করে ফেলে গেলে স্হানীয়রা জানতে পারলে সিএনজি যোগে তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি দেয়। তার মধ্যে একজনের অবস্হা আশংকাজনক বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল কতৃপক্ষ। গত মঙ্গলবার ৪ আগষ্ট রামু উপজেলার ৩ নং কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের ফুলতলি এলাকায় এঘঠনা ঘটে। মঙ্গলবার বিকাল আনুমানিক ২ ঘটিকার সময় আবুল কালাম তার ৫০ বছরের দখলীয় জমিতে ধান রোপন করিতে গেলে হঠাৎ তার পার্শ্ববর্তী আবু তাহের নামে একজন তাকে চাষ না করার বাঁধা দিলে দুজনের মধ্যে তর্কাতর্কি হলে আবু তাহেরের৭/৮ জন লোকজন আসিয়া আবুল কালামকে সবাই মিলে মারতে মারতে চাষের জমিতে ফেলে দিলে আবুল কালামের স্ত্রী কহিনুর আক্তার খবর পেয়ে স্বামীকে উদ্ধার করার জন্য গেলে তাকে ও মেরে চাষের জমিতে ফেলে রেখে প্রতিপক্ষরা পালিয়ে যায়। পালিয়ে যাওয়ার সময় তার ১০ বছরের মেয়ে ফাতেমা জান্নাতের হাতে থাকা মারামারির ভিডিও ধারন করা একটি ভিভো মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে যায়। যাতে ডকুমেন্টস দিতে না পারে। তার বাবা আবুল কালাম জানান মোবাইলের কভারের ভিতরে তার জমানো ৫ হাজার টাকাও ছিল।

স্হানীয়রা খবর পেয়ে গিয়ে দেখে তারা স্বামী স্ত্রী দুজনই অজ্ঞান অবস্থায় পড়ে আছে। তাদেরকে সিএনজি যোগে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দিলে তাদের জ্ঞান ফিরে আসে। পরের দিন রাত আনুমানিক ২ ঘটিকার সময় তার চাষ করার জন্য আসা শ্রমিক আব্দুল্লাহ নামের একজনকে বাড়ি থেকে বের করে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তার হাত পা বেঁধে মুখে প্লাস্টার লাগিয়ে দিয়ে তাকে মেরে ভিতরে ঝুলিয়ে ফেলে,এমতাবস্থায় সে অজ্ঞান হয়ে পড়লে তাকে ফেলে রেখে চলে যায় তারা
বাড়ির লোকজন দরজা খোলা দেখে তাকে না পেয়ে তার খোঁজে বাড়ির পার্শ্ববর্তী পাহাড়ের একপাশে হাত পাঁ বাঁধা দেখতে ফেলে পার্শ্ববর্তী লোকজন আগাইয়া আসিয়া সিএন জি যোগে স্হানীয় গর্জনিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি দিয়ে চিকিৎসা দেয়। অবনতি না হওয়াতে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফারেন্স করিয়ে দেয় হাসপাতাল কতৃপক্ষ। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে ভর্তিরত অবস্হায় আছেন তিনি।এ বিষয়ে রামু থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এ বিষয়ে রামু থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মনিরুল গিয়াস থেকে জানতে চাইলে তিনি জানান অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্হা নেওয়া হবে।