রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
চাটখিল ডেঙ্গু প্রতিরোধে উপজেলা প্রশাসন ও পৌরসভার সমন্বিত পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান ইংলিশ একাডেমি’র কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ২০২৬ অনুষ্ঠিত দিনাজপুরে সীতাকোট বিহার পরিদর্শন করলেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী জৈন্তাপুরে বিদেশি অস্ত্র ও লুটের গুলি উদ্ধার জয়পুরহাটে পুলিশ–ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত মানিকগঞ্জ জাদুঘর প্রাঙ্গণে স্মারকগ্রন্থের প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত ‌ আড়িয়াল খাঁ নদীর ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে জহির উদ্দিন স্বপন সমৃদ্ধ পর্যটন শিল্প গড়তে প্রয়োজন সম্মিলিত প্রচেষ্টা! ঐতিহাসিক ঘোড়াঘাট দুর্গ ও সুজা মসজিদ পরিদর্শন করলেন দুই মন্ত্রী মেঘনায় ১০ ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার

কালিহাতীতে তিন কিশোরকে আটকে রেখে বিকাশে ২৫ হাজার টাকা মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ

  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬



কালিহাতীতে তিন কিশোরকে আটকে রেখে বিকাশে ২৫ হাজার টাকা মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ

শাহ আলম ,টাঙ্গাইল :

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় তিন কিশোরকে কয়েক ঘণ্টা জিম্মি করে তাদের একজনের পরিবারের কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে ২৫ হাজার টাকা মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে ২৫ জুলাই সন্ধ্যায়  কালিহাতী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২০ জুলাই ২০২৬ দুপুর আনুমানিক ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত উপজেলার ইন্দুটি মৎস্য খামারে রুকন (১৭), ফরিদ (১৬) ও কামরুল (১৮) নামের তিন কিশোরকে আটকে রাখা হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, চারজন ব্যক্তি তাদের অবৈধভাবে আটক রেখে রুকনের বাবার কাছে মুক্তিপণ দাবি করেন। ভুক্তভোগী রুকনের বাবা মো. শাহা গাজী (৪০), পিতা মৃত আব্দুর রশিদ, গ্রাম সাতকুড়িয়া, ডাকঘর ইছাপুর, কালিহাতী, টাঙ্গাইল—অভিযোগে উল্লেখ করেন, ছেলের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে এবং অন্য কোনো উপায় না পেয়ে তিনি অভিযুক্তদের দাবিকৃত ২৫ হাজার টাকা বিকাশের মাধ্যমে পাঠান। অভিযোগ অনুযায়ী, টাকা পাঠানো হয় ০১৮১১-৭১৬৩৭৫ নম্বরের বিকাশ অ্যাকাউন্টে এবং এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হয় ০১৩১০-৫৬৪২৫১ নম্বর থেকে। টাকা পাওয়ার পর তার ছেলেকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের শনাক্তকরণ এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে। এ বিষয়ে কালিহাতী থানার দায়িত্বশীল কর্মকর্তার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে এবং তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইনজীবীদের মতে, অভিযোগের সত্যতা তদন্তে প্রমাণিত হলে ঘটনাটি বাংলাদেশের প্রচলিত দণ্ডবিধি এবং অপহরণ, অবৈধভাবে আটক রাখা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও চাঁদাবাজি-সংক্রান্ত প্রযোজ্য আইনের আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তবে তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের আইনগতভাবে দোষী বলা যায় না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews