শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
মনোহরদীতে ‘উৎসর্গ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ’-এর ৩৩ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন সাংবাদিক আতাহার ইকবাল স্মরণে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত শিবপুরে স্কুলছাত্রী অপহরণ: পুলিশের বিরুদ্ধে তদন্তে গাফিলতি ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগ প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষার্থীর টিফিনের রুটিতে মিলল ব্লেড, অসাবধানতা না কি চক্রান্ত? সোনারগাঁওয়ের শীর্ষ সন্ত্রাসী রাসেল গ্রেফতার, র‍্যাবের অভিযানে অস্ত্র-গুলি ও ১৪ টেঁটা উদ্ধার লক্ষ্মীপুরে বিসিক শিল্প নগরীতে আবু তাহের ছানা কোম্পানিতে অভিযান চালিয়ে ৩৮ কার্টুন নকল ঘি জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বাউফলে ছাত্রদলের দুই নেতার বিরোধ প্রকাশ্যে, হাতাহাতির ঘটনা দিনাজপুর ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশনের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন-২০২৬ অনুষ্ঠিত বঙ্গপসাগরে ট্রলার ডাকাতি, ২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়েও পাওয়া যায়নি মাঝিকে ​পীরগঞ্জে খাল খননের উদ্বৃত্ত টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও গোলাম রব্বানী সরদার

শিবপুরে স্কুলছাত্রী অপহরণ: পুলিশের বিরুদ্ধে তদন্তে গাফিলতি ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগ

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬

শিবপুরে স্কুলছাত্রী অপহরণ: পুলিশের বিরুদ্ধে তদন্তে গাফিলতি ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগ

ফালু মিয়া,নরসিংদী শিবপুর :

​নরসিংদীর শিবপুরে দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় থানা-পুলিশের বিরুদ্ধে তদন্তে গাফিলতি, গ্রেফতার বাণিজ্য এবং অসদাচরণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। মামলা দায়েরের পর প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হলেও অন্যান্য সহযোগীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে বলে দাবি ভুক্তভোগী পরিবারের।

ঘটনার বিবরণী থেকে জানা যায়, শিবপুরের বাঘব ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ওই ছাত্রীর (১৫) সঙ্গে বেলবো থানার বারৈচা পশ্চিমপাড়া গ্রামের ফরিদ মিয়ার ছেলে মো. ফারুক মিয়ার (২৩) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ২৮ জুন সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে মেয়েটি কুন্দারপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছালে ফারুক মিয়া তার ৩/৪ জন সহযোগীকে নিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে অপহরণ করে। পরে ফোনে স্বজনদের জানানো হয় যে মেয়েটি ফারুকের হেফাজতে রয়েছে।
​ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পর শিবপুর থানায় গেলে পুলিশ প্রথমে মামলা নিতে গড়িমসি করে। পরবর্তীতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৭/৩০ ধারায় মামলাটি (নং- ৪৮(৬)/২৬) রজু করা হয়।
​মামলার বাদী অভিযোগ করে বলেন, “তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মুহাম্মদ কামরুল ইসলাম প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠালেও অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতার করছেন না। তিনি মামলার তদন্তে চরম গাফিলতি দেখাচ্ছেন।”
​স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগী পরিবারের একাংশের দাবি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল) মো. রায়হান সরকার শিবপুরে যোগদানের পর থেকেই আইনি সহায়তা নিতে আসা সাধারণ মানুষের সাথে খারাপ আচরণ করে আসছেন। এছাড়া থানা-পুলিশের বিরুদ্ধে ‘গ্রেফতার বাণিজ্যে’রও অভিযোগ তুলেছেন তারা।
​এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবার শিবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কহিনুর মিয়া এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল) মো. রায়হান সরকারের কাছে লিখিত ও মৌখিকভাবে অভিযোগ জানালেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে জানান বাদী।
​অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল) মো. রায়হান সরকার কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
​অন্যদিকে, পুলিশের আচরণের বিষয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আক্তার হোসেন বলেন, “ভুক্তভোগীদের সঙ্গে পুলিশের খারাপ আচরণ কোনোভাবেই পেশাদারিত্বের মধ্যে পড়ে না। পুলিশ এমনকি আমার সাথেও খারাপ আচরণ করেছে। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং এ বিষয়ে দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews