শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
ঘোড়াঘাটে বিভিন্ন সড়কের উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করেছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বোচাগঞ্জে শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার ও অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ কবিতা/শিক্ষার পরিচয়/লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল গাজীপুরে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ ও বর্বরোচিত নির্যাতন! বান্দরবানে নিখোঁজ হওয়া ৩ কিশোরী চট্টগ্রাম থেকে ৪ দিন পর উদ্ধার “বিশ্ব সাদাছড়ি নিরাপত্তা দিবস” উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও স্মার্ট সাদাছড়ি বিতরণ  দুর্গাপূজা ঘিরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আনসার ও ভিডিপির ব্রিফিং প্যারেড অনুষ্ঠিত কৃষককে কেন্দ্রবিন্দুতে রেখেই কৃষিখাতের নীতি ও প্রযুক্তি নির্ধারণ করতে হবে —জহির উদ্দিন স্বপন টাঙ্গাইল টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের হল ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন! কালাইয়ে সমবায়ীদের অংশগ্রহণে ভ্রাম্যমাণ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

টানা বর্ষণে দীঘিনালার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, পাহাড়ধস ও আকস্মিক বন্যার শঙ্কা !

  • প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬



টানা বর্ষণে দীঘিনালার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, পাহাড়ধস ও আকস্মিক বন্যার শঙ্কা !

হাসান মোর্শেদ,দীঘিনালা (খাগড়াছড়ি) :

টানা ভারী বর্ষণে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। শনিবার থেকে থেমে থেমে বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় উপজেলাজুড়ে পাহাড়ধস ও আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক করা হচ্ছে এবং প্রয়োজন হলে আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার মেরুং ও কবাখালী ইউনিয়নের কয়েকটি নিম্নাঞ্চল পানিতে তলিয়ে গেছে। খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা-লংগদু সড়কের মেরুং হেডকোয়ার্টার এলাকায় সড়কের একটি অংশ প্লাবিত হয়েছে। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে দীঘিনালার সঙ্গে রাঙামাটির লংগদু উপজেলার সড়ক যোগাযোগ যে কোনো সময় বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অব্যাহত বর্ষণের কারণে উপজেলার নদী, ছড়া ও খালগুলোর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে আরও বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে পাহাড়ঘেঁষা বসতিগুলোতে পাহাড়ধসের আশঙ্কাও বেড়েছে।

দীঘিনালা উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বন্যা ও পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে থাকা এলাকাগুলোতে মাইকিং করে বাসিন্দাদের সতর্ক করা হচ্ছে। নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবেলায় উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মোট ২১টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিল পারভেজ বলেন, “বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমরা সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। মানুষের জানমালের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews