মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষার্থীদের মতবিনিময় সংসদ অধিবেশন দেখতে আসা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ ! গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে সহযোগিতার আশ্বাস যুক্তরাজ্যের মেঘনায় নিউ আল-শেফা হাসপাতালে অভিযান ! টানা বর্ষণ ও জোয়ারে হাটহাজারীতে জলাবদ্ধতা ! চাটখিলে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালন নওগাঁ জেলা টেলিভিশন অ্যাসোসিয়েশনের ১৩ সদস্যবিশিষ্ট নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন  ! গাইবান্ধায় সহস্রাধিক মানুষের অংশগ্রহণে বন্যা-পূর্বপ্রস্তুতির মহড়া অনুষ্ঠিত ! বিদ্যালয়ের ৮ শতক জমি উদ্ধারে জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চাইলেন প্রধান শিক্ষক গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম !

টানা বর্ষণ ও জোয়ারে হাটহাজারীতে জলাবদ্ধতা !

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬

টানা বর্ষণ ও জোয়ারে হাটহাজারীতে জলাবদ্ধতা !

মোঃ একরামুল হক হাটহাজারী,চট্টগ্রাম :

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে টানা ভারি বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও হালদা নদীতে জোয়ারের প্রভাবে বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা ও প্লাবনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। নিচু এলাকায় পানি ঢুকে পড়ায় জনজীবন ব্যাহত হচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় মির্জাপুর ইউনিয়নের দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করেছে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ। ঘোষণায় জানানো হয়, দুর্যোগকালীন সময়ে জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মির্জাপুর উচ্চ বিদ্যালয় এবং মির্জাপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আজ থেকেই আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে খোলা থাকবে। ঝুঁকিপূর্ণ বসতবাড়িতে বসবাসকারী বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। আশ্রয় গ্রহণকারীদের সঙ্গে শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও জরুরি ব্যবহার্য সামগ্রী নিয়ে আসার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আশ্রয়কেন্দ্রে স্বেচ্ছাসেবক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয়েছে। এদিকে ভারি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে অক্সিজেন-হাটহাজারী সড়কের বড় দিঘীরপাড় এলাকায় তীব্র পানির স্রোত সৃষ্টি হয়েছে। হাটহাজারী পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। কোথাও কোথাও সড়কে হাঁটুপানি জমে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। অনেক স্থানে রাস্তায় জমে থাকা পানিতে স্থানীয়দের মাছ ধরতেও দেখা গেছে। হাটহাজারী পৌরসভার জনবহুল কামালপাড়া এলাকায়ও হাঁটুপানি জমে বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, পানি নিষ্কাশনের অপর্যাপ্ত ব্যবস্থা ও রাস্তার উচ্চতা কম হওয়ায় প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে একই ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হয়। তারা স্থায়ীভাবে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও রাস্তা উঁচু করার দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে, টানা বৃষ্টির মধ্যে হালদা নদীতে জোয়ার শুরু হওয়ায় নদীর পূর্ব তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে জোয়ারের পানি রাস্তাঘাট ও বসতবাড়িতে ঢুকে প্লাবনের সৃষ্টি হতে পারে। স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং প্রয়োজন হলে আরও আশ্রয়কেন্দ্র চালুর প্রস্তুতি রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। একই সঙ্গে অপ্রয়োজনে ঘরের বাইরে না যাওয়া এবং দুর্যোগ-সংক্রান্ত সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার জন্য সবাইকে আহ্বান জানানো হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews