শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
সাতক্ষীরায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা দেবে ৮১২১ শিক্ষার্থী মানবিক উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের জন্য অর্ধেক ভাড়ার ঘোষণা তরুণ নোমানের! প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে এসিল্যান্ড ও পৌর প্রশাসককে বিদায়ী সংবর্ধনা ঘোড়াঘাট পৌরসভার ১১টি দুর্গামন্দিরে বিএনপির ৫৫ হাজার টাকা অনুদান চীনের সহায়তায় ৮ কারিগরি প্রতিষ্ঠান আধুনিকায়ন ও যৌথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার : রাষ্ট্রপতি নিজ কলেজ প্রাঙ্গণে গেলেন প্রধানমন্ত্রী  দখলমুক্ত ফুটপাত পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী ঘোড়াঘাটে বিভিন্ন সড়কের উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করেছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বোচাগঞ্জে শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার ও অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

কাজ শেষ না করে বিল প্রদানের অভিযোগে আশাশুনির প্রকৌশলী বদলি !

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬



কাজ শেষ না করে বিল প্রদানের অভিযোগে আশাশুনির প্রকৌশলী বদলি !

আব্দুর রহমান, সাতক্ষীরা :

চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪) প্রকল্পের মেয়াদ ৩০ জুন ২০২৬ শেষ হলেও সাতক্ষীরা জেলায় এখনো ১৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়নি। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বাস্তবায়িত মোট ১৩০টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ১১৭টির কাজ শেষ হলেও বাকি এসব বিদ্যালয়ের নির্মাণকাজ ঝুলে আছে। যেসব বিদ্যালয়ের কাজ এখনো শেষ হয়নি সেগুলো হলো: আশাশুনি উপজেলার দক্ষিণ কাদাকাটি কালীবাড়ি, দয়ারঘাট, বুড়িয়া ও গোয়ালডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়; তালা উপজেলার শিরাশুনি, ওমরপুর ও উত্তর শাহজাদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়; শ্যামনগর উপজেলার বাইনতলা, গাবুরা, গাবুরা খোলপেটুয়া ও পশ্চিম কৈখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং সাতক্ষীরা সদর উপজেলার লাবসা ও বাজুয়াডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। আশাশুনি উপজেলার দক্ষিণ কাদাকাটি কালীবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুমিতা চৌধুরী বলেন, ২০২৪ সালে কাজ শুরু হলেও এখনো তা শেষ হয়নি। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় বাকি কাজ কীভাবে সম্পন্ন হবে- এ নিয়ে তারা দুশ্চিন্তায় আছেন। সাতক্ষীরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমীন বলেন, বিদ্যালয় ভবন নির্মাণে গুণগত মান বজায় রেখে কাজ সম্পন্ন করা জরুরি। তিনি জানান, প্রধান শিক্ষক ও বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটিকে কাজ যথাযথভাবে বুঝে নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সাতক্ষীরার নির্বাহী প্রকৌশলী এ. এস. এম. তারিকুল হাসান খানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। অন্যদিকে, আশাশুনি উপজেলা প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে কাজ সম্পন্ন না করেই বিল প্রদান সংক্রান্ত অভিযোগের পর তদন্ত অনুষ্ঠিত হয়। তদন্ত শেষে তাকে শাস্তিমূলকভাবে বদলি করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট দপ্তর সূত্রে জানা গেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews