বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মারার হুমকির অভিযোগ, আতঙ্কে নাছির বেপারি! মনোহরদী উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত চাঁদাবাজির অভিযোগে বাউফলে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান কালীগঞ্জে বিধবার সম্পত্তি জবর দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন  সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে ২০ ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠন কুড়ি সার ডিলারের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা! নলতায় ফারজানার লাশ দেখে অজ্ঞান হন হত্যা মামলার সাক্ষী হামিদুল মোড়ল লক্ষ্মীপুরে ড্রাম্পট্রাক চলাচল নিষিদ্ধের দাবিতে মানববন্ধন সেনাবাহিনীর মানবিক উদ্যোগে দৃষ্টি ফিরে পেলেন দুই বৃদ্ধ বাবা-ছেলেসহ ৩১ জন গোয়াইনঘাট থানায় তদন্ত ছাড়া মামলা রেকর্ড, হয়রানি শিকার নিরীহ ব্যক্তি !

একটি পরিবার হৃদয়ের বেদনায়ক জীবনের গল্প !

  • প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬

একটি পরিবার হৃদয়ের বেদনায়ক জীবনের গল্প !

 

আমাদের একটু সহানুভূতি কি পারে না একটি মায়ের মুখে হাসি ফোটাতে? ​”আল্লাহর পরীক্ষা অনেক ধরণের হয়—কাউকে তিনি দেন চরম বিপদ দিয়ে পরীক্ষা, আর কাউকে করেন সেই বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতার পরীক্ষা। ​আজ তেমনই এক কঠিন ও হৃদয়বিদারক পরীক্ষার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে নোয়াখালীর চাটখিলের হীরাপুর গ্রামের এক সাধারণ চা ব্যবসায়ী আবুল কাশেমের পরিবার। যেখানে একটি পরিবারের একজন মানুষের কিডনি বিকল হলে পুরো পরিবার নিঃস্ব হয়ে যায়, সেখানে এই পরিবারটির প্রতিটি সদস্য আজ জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। এটি কোনো সাধারণ রোগ নয়, চিকিৎসকদের মতে এটি একটি জেনেটিক অটোইমিউন রোগ (Familial Kidney Disease)।

​নিয়তির নিষ্ঠুর পরিহাসের গল্পের প্রথম পর্ব-​বড় ছেলে দিপু:কিছু বছর আগে আমার বন্ধুর মতো বড় ভাই দিপুর দুটি কিডনিই সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে যায়। সে সময় আপনাদের সবার অকুতোভয় সহযোগিতা ও ভালোবাসায় আমরা তার পাশে দাঁড়িয়েছিলাম। নিজের কলিজার টুকরো ছেলেকে দদবাঁচাতে বাবা আবুল কাশেম নিজের একটি কিডনি দান করেন। বর্তমানে বাবা নিজেও এক কিডনি নিয়ে কোনোমতে বেঁচে আছেন। ​ছোট ছেলে: দিপুর সেই ধাক্কা সামলে উঠতে না উঠতেই তার ছোট ভাইয়েরও একই মারাত্মক সমস্যা ধরা পড়ে। কিন্তু আপনারা দয়াশীল মানুষ বলেই, আপনাদের সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা তারও কিডনি প্রতিস্থাপনের ব্যবস্থা করতে পেরেছিলাম।

​আজ অশ্রুসিক্ত মা: যে মা নিজের সন্তান আর স্বামীর এই মরণব্যাধির লড়াইয়ে চোখের জল আড়াল করে শক্তি জুগিয়েছেন, আজ সেই মা নিজেই হাসপাতালের বিছানায় যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন। তার দুটি কিডনিও আজ বিকল হওয়ার পথে। ​একজন ক্ষুদ্র চা ব্যবসায়ী বাবার পক্ষে একের পর এক পরিবারের সবার এই আকাশচুম্বী চিকিৎসার খরচ চালানো কোনোভাবেই সম্ভব নয়। তারা আজ সম্পূর্ণ নিঃস্ব। অতীতের মতো এবারও যদি আমরা এই মায়ের পাশে না দাঁড়াই, তবে পুরো পরিবারটি চিরতরে ভেঙে পড়বে। ​আসুন, আমরা যে যার সাধ্যমতো এই অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়াই। আপনার সামান্য দান হয়তো একটি জীবন বাঁচাতে পারে, ফিরিয়ে দিতে পারে একটি পরিবারের শেষ আশ্রয়টুকু। সহযোগিতার_মাধ্যম: ​যদি আপনার মন সায় দেয়, এই বিপন্ন পরিবারের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে নিচের মাধ্যমে সাহায্য পাঠাতে পারেন:

ব্যাংক অ্যাকাউন্ট: Account Name: Abul Kashem
Bank Name: sonali Bank Limited
A/c No: 3807501024646
Chatkhil Branch, Noakhali
​bKash: (01855220689) দিপু

গ্রাম: হীরাপুর, উপজেলা: চাটখিল, জেলা: নোয়াখালী।
(ক্ষুদ্র চা ব্যবসায়ী আবুল কাশেমের পরিবার) পরোপকারেই মানুষের আসল সার্থকতা। আসুন, আমাদের সামান্য ত্যাগে একটি মাকে তার পরিবারের মাঝে সুস্থভাবে ফিরিয়ে আনি।” ​দয়া করে পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদেরও দেখার ও পাশে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দিন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews