বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
গোমস্তাপুরে সামাজিক বনায়ন কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন ঘোড়াঘাটে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত সোনারগাঁয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযান, কেরু মদসহ গ্রেপ্তার ১৯ আশুলিয়ায় চাঞ্চল্যকর বিথী হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, ( পিবিআই ) কালিহাতীতে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ‘তারুণ্যের কণ্ঠ’ অনুষ্ঠিত দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত ইউনিয়ন গঠনের প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুল লতিফ খান জনপ্রিয়তার শীর্ষে মেঘনায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত! জলঢাকায় আন্তর্জাতিক ও জাতীয় কন্যা শিশু দিবস ২০২৬ উদযাপিত বিসিএসআইআর রাজশাহী গবেষণাগারে বার্ষিক কর্মশালা ও অংশীজন মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠি চাঁদা না দেওয়ায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা হামিদুল মেরে রক্তাক্ত করল প্রবাসীর পিতা-মাতাকে

সবাইকে পবিত্র ঈদ-উল-আযহার শুভেচ্ছা -সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রী ।

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬



সবাইকে পবিত্র ঈদ-উল-আযহার শুভেচ্ছা -সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রী ।

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ এজেডএম জাহিদ হোসেন এবং সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন তাঁদের নির্বাচনী এলাকাসহ সকল মুসলমানদের প্রতি পবিত্র ঈদ-উল-আযহা’র শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তাঁরা পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উদযাপন উপলক্ষে এক শুভেচ্ছা বাণীতে বলেন, পবিত্র
ঈদ-উল-আযহা মুসলিম উম্মাহর অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এটি শুধু পশু কোরবানির আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং ত্যাগ, আত্মসমর্পণ, মানবতা, সাম্য ও সামাজিক দায়বদ্ধতার এক মহিমান্বিত শিক্ষা। প্রতি বছর জিলহজ মাসের ১০ তারিখে মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে পশু কোরবানি করে থাকেন। কিন্তু কোরবানির প্রকৃত তাৎপর্য কেবল পশু জবাইয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এর গভীরে রয়েছে আত্মশুদ্ধি, মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এক মহান বার্তা।মন্ত্রীদ্বয় বলেন,বর্তমান বিশ্বে যখন হিংসা, বিদ্বেষ, অসহিষ্ণুতা, স্বার্থপরতা ও সামাজিক বৈষম্য উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, তখন ঈদ-উল-আযহার শিক্ষা মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই উৎসব আমাদের শেখায়, প্রকৃত মর্যাদা ও সাফল্য তখনই অর্জন করা সম্ভব হয়, যখন তা মানুষের কল্যাণে কাজে লাগে। তাই ঈদ-উল-আযহা সকল মানুষের জন্য একটি ন্যায়ভিত্তিক, সহমর্মী ও মানবিক সমাজ বিনির্মাণের শক্তিশালী অনুপ্রেরণা।ঈদ-উল-আযহার মূল ইতিহাস জড়িয়ে আছে হযরত ইব্রাহিম (আ.) ও তাঁর পুত্র হযরত ইসমাইল (আ.)-এর অনন্য ত্যাগের সঙ্গে। মহান আল্লাহর নির্দেশে নিজের সবচেয়ে প্রিয় বস্তু, অর্থাৎ পুত্রকে কোরবানি করার কঠিন পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন হযরত ইব্রাহিম (আ.)। অপরদিকে হযরত ইসমাইল (আ.)-ও আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজেকে উৎসর্গ করতে প্রস্তুত ছিলেন। এই ঘটনা মানবজাতির জন্য এক অনুপম দৃষ্টান্ত। পরিশেষে পবিত্র ঈদ-উল-আযহা আপনার ও আপনাদের পরিবারের সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। সবাইকে আবারও পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews