শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৮:৫৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
 দুর্ঘটনার শঙ্কায় পাটকেলঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যাল মেয়াদ শেষের দুয়ারে ! বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি (বিএমএসএস) রাজশাহী বিভাগীয় সম্মেলন ও মিলনমেলা অনুষ্ঠীত হয় ! ঘোড়াঘাটে ছাগলসহ আটক চোরকে ‘রাজনৈতিক প্রভাবে’ ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ ! হাটহাজারীতে অস্ত্রসহ ত্রাস সৃষ্টির অভিযোগে ৪ যুবক গ্রেপ্তার ! মাধবদীতে প্রবাসীর বাড়িতে ৪-৫ লাখ টাকা চাঁদার দাবিতে সন্ত্রাসী হামলা ! সৈকতে  গোসলে নেমে পর্যটকের মৃত্যু ! ‎রংপুর জেলা  ডিবি’র অভিযানে  ভিসা জালিয়াতি ও  অনলাইন ক্যাসিনো সরঞ্জামসহ গ্রেফতার ০১ অবশেষে শাহজালালের মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় বাণিজ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে ১২ সদস্যের কমিটি । কালীগঞ্জে অস্বচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থী, দুঃস্থ নারী ও ক্ষুদ্র,নৃগোষ্ঠীর মাঝে উপকরণ বিতরণ ! নিশীথ বর্ষার কাব্য 

রামগতিতে স্ত্রীর জন্য  মাকে পিটিয়ে স্ত্রীর ৯শর্ত মানতে না পেরে যুবকের আত্মহত্যার অভিযোগ।

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

রামগতিতে স্ত্রীর জন্য  মাকে পিটিয়ে স্ত্রীর ৯শর্ত মানতে না পেরে যুবকের আত্মহত্যার অভিযোগ।

লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার ৬নং চর আলগী ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডে পারিবারিক কলহের জেরে মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন নামের এক যুবকের আত্মহত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহত আনোয়ার স্থানীয় জবিউল ডাক্তারের ছোট ছেলে বলে জানা গেছে।

বুধবার (৬ মে) ভোর রাতে উপজেলার সুফিরহাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে একই ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের আব্দুল মান্নানের মেয়ে ইয়াসমিন আক্তারের সঙ্গে আনোয়ারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের দাম্পত্য জীবনে বিরোধ চলছিল। পরিবার ও স্থানীয়দের দাবি, একপর্যায়ে স্ত্রী স্বামীর কাছে একটি মোবাইল ফোন কিনে দেওয়ার আবদার করেন। পরে ওই মোবাইল ব্যবহার করে অন্য ছেলেদের সঙ্গে কথোপকথনের অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি জানতে পেরে আনোয়ার স্ত্রীকে বকাঝকা করেন এবং মোবাইলটি বিক্রি করে দেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দাম্পত্য কলহ আরও বেড়ে যায়। পরে স্ত্রী বাবার বাড়িতে চলে যান।

স্থানীয় মেম্বার ও চেয়ারম্যানের মধ্যস্থতায় সালিশের মাধ্যমে স্ত্রীকে আবার স্বামীর সংসারে ফেরানোর চেষ্টা করা হলে ইয়াসমিন সংসার চালিয়ে যেতে স্বামীর কাছে ৯টি লিখিত শর্ত দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

শর্তগুলোর মধ্যে ছিল,স্বামীর মা-বোনের কথায় চলতে না পারা, স্ত্রীকে কোনো অবস্থাতেই শারীরিকভাবে আঘাত না করা, স্বর্ণালংকার বুঝিয়ে দেওয়া, দেনমোহরের পরিবর্তে ২০ শতাংশ জমি স্ত্রীর নামে লিখে দেওয়া, ব্যক্তিগত বিষয়ে কোনো অভিযোগ না তোলা, বাবার বাড়ি থেকে কিছু আনার জন্য চাপ না দেওয়া, ননদ ও তাদের স্বামীদের হস্তক্ষেপ বন্ধ রাখা, বাবার বাড়িতে যাতায়াতে বাধা না দেওয়া এবং স্ত্রীকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া। স্থানীয়দের ভাষ্য, এসব শর্ত নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মানসিক চাপে ছিলেন আনোয়ার। সোমবার (৪ মে) তিনি বিষয়টি নিয়ে শ্বশুর আব্দুল মান্নানের কাছে বিচার চাইতে শ্বশুরবাড়িতে যান। সেখানে তিনি অপমানিত হয়ে বাড়ি ফিরে আসেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এরপর থেকেই তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। পরিবারের সদস্যরা জানান, সংসার টিকিয়ে রাখতে আনোয়ার সবসময় স্ত্রীকে খুশি রাখার চেষ্টা করতেন। একপর্যায়ে স্ত্রীর মন রক্ষার জন্য নিজের মাকেও মারধর করেছিলেন বলে পরিবারের দাবি। তবে পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নেন বলে স্বজনদের ধারণা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews