1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিশু ইউনিটে তিনগুণ বেশি ভর্তি - দৈনিক ভোরের আওয়াজ
মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ০২:০৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
গোবিন্দগঞ্জে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানের বাড়িতে ডাকাতি, নগদ টাকা-স্বর্ণালংকারসহ  মালামাল লুট !  শৃঙ্খলার রাজপথ থেকে জনতার মঞ্চে, এ টি এম ফিরোজ মন্ডল ! এসিল্যান্ডের স্বাক্ষর জাল করে জমি দখলের চেষ্টা, অভিযোগকারীর সংবাদ সম্মেলন ! বিশেষ সাক্ষাৎকার তীব্র সমালোচনার মুখেও অটল ইফার নতুন ডিজি ! জেলা পর্যায়ে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক২০২৬ অনুষ্ঠিত  ! সংগ্রাম ও মানবসেবার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ডাঃ মোঃ নাসির উদ্দিন। ​জলবায়ু সংকট ও কাজের ভবিষ্যৎ: টেকসই ও ন্যায্য বাংলাদেশের পথে যাত্রা ! সিলেটের সীমান্ত এলাকায় পুশ ইন ঠেকাতে বিজিবি কঠোর সতর্ক অবস্থানে ! জনগণের কল্যাণে আমাদের কাজ করতে হবে, উন্নয়ন করতে হবে এবং মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে ! পাবনা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের দুই কর্মকর্তার অপসারণ দাবীতে মানববন্ধন !

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিশু ইউনিটে তিনগুণ বেশি ভর্তি

সহিদ উল্লাহ মিয়াজী, কুমিল্লা
  • প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে বাড়ছে হাম আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। শিশুদের পাশাপাশি বয়স্কদের মাঝেও উপসর্গ দেখা দিচ্ছে। হাসপাতালটিতে এখন সববয়সি রোগীর ভিড় বাড়ছে। চাপ সামলাতে শিশুদের জন্য আলাদা ভবনে খোলা হয়েছে আইসোলেশন ইউনিট। তবুও রোগীর চাপ সামলানো যাচ্ছে না। ৩০ শয্যার এ আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি রয়েছে তিনগুণ বেশি রোগী। এছাড়া পর্যাপ্ত অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর ও সাকশন মেশিন না থাকায় রোগীরা যেমন ভোগান্তিতে তেমনি চিকিৎসকরাও পড়েছেন দুশ্চিন্তায়।

কুমেক হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, ৩০ শয্যার হাম আইসোলেশন ইউনিটে করিডর, সিঁড়িঘর, লিফটরুমেও রয়েছে রোগী। হাসপাতালের একমাত্র কনসেন্ট্রেটর মেশিনটি বিকল। আক্রান্ত শিশুদের শ্বাসকষ্ট থাকায় একটু পরপরই প্রয়োজন হয় অক্সিজেন কনসেন্ট্রেশন। এছাড়া নেই কোনো সাকশন মেশিনও। এতে চরম শঙ্কায় দিন কাটছে রোগীর স্বজনদের। হাসপাতালে এসে অনেক রোগী নিজস্ব অর্থায়নে অক্সিজেন মেশিন কিনছে। কিন্তু রোগীর চাপ বাড়তে থাকায় সংশ্লিষ্ট সবার মাঝে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।আইসোলেশন ইউনিটের ইনচার্জ নার্স মাকসুদা আক্তার বলেন, প্রতিদিনই হাম উপসর্গের রোগী বাড়ছে। এত রোগীর চাপ সামলাতে আমাদের বেগ পেতে হচ্ছে। তাছাড়া প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি না থাকায় আমাদের নিরুপায় হয়ে থাকতে হয়। আমাদের ইউনিটে অক্সিজেন কনসেন্ট্রেশন ও সাকশন মেশিন খুবই দরকার।জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, কুমিল্লায় হাম ও উপসর্গে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১ হাজার। আক্রান্তদের বেশির ভাগই চিকিৎসা নিচ্ছে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। কুমেক হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান ডা. মিয়া মঞ্জুর আহমেদ বলেন, শিশুদের সংক্রমণের কথা চিন্তা করে আইসোলেশন ইউনিটকে আলাদা করা হয়েছে। হাসপাতালের সীমিত সরঞ্জামাদি দিয়েই চিকিৎসক ও নার্সরা সেবা দিচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট