শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বের পাশাপাশি কক্সবাজারের দায়িত্ব পেলেন সাচিং প্রু জেরী জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের নিয়ে রহনপুরে ‘A+ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান-২৬’ সম্পন্ন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) এলাকা পরিদর্শন ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ! বান্দরবানে ইয়াবাসহ এগার মাদক মামলার আসামি গ্রেফতার সাইবার অপপ্রচারের প্রতিবাদে সাংবাদিকদের ক্ষোভ: দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর আগমন: অন্ধকার পৃথিবীতে আলোর জাগরণ জলতরঙ্গ পয়েন্টে মর্মান্তিক ঘঠনা; সৈকতে গোসলে নেমে পর্যটকের মৃত্যু, খোঁজ মিলছে না সঙ্গীর, চকবাজারে ২০ ইয়াবা সহ ২জন গ্রেফতার মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদে আইনজীবীর সংবাদ সম্মেলন কবি আল মুজাহিদী স্মৃতি পদক পেলেন লায়ন গনি মিয়া বাবুল

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিশু ইউনিটে তিনগুণ বেশি ভর্তি

  • প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে বাড়ছে হাম আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। শিশুদের পাশাপাশি বয়স্কদের মাঝেও উপসর্গ দেখা দিচ্ছে। হাসপাতালটিতে এখন সববয়সি রোগীর ভিড় বাড়ছে। চাপ সামলাতে শিশুদের জন্য আলাদা ভবনে খোলা হয়েছে আইসোলেশন ইউনিট। তবুও রোগীর চাপ সামলানো যাচ্ছে না। ৩০ শয্যার এ আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি রয়েছে তিনগুণ বেশি রোগী। এছাড়া পর্যাপ্ত অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর ও সাকশন মেশিন না থাকায় রোগীরা যেমন ভোগান্তিতে তেমনি চিকিৎসকরাও পড়েছেন দুশ্চিন্তায়।

কুমেক হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, ৩০ শয্যার হাম আইসোলেশন ইউনিটে করিডর, সিঁড়িঘর, লিফটরুমেও রয়েছে রোগী। হাসপাতালের একমাত্র কনসেন্ট্রেটর মেশিনটি বিকল। আক্রান্ত শিশুদের শ্বাসকষ্ট থাকায় একটু পরপরই প্রয়োজন হয় অক্সিজেন কনসেন্ট্রেশন। এছাড়া নেই কোনো সাকশন মেশিনও। এতে চরম শঙ্কায় দিন কাটছে রোগীর স্বজনদের। হাসপাতালে এসে অনেক রোগী নিজস্ব অর্থায়নে অক্সিজেন মেশিন কিনছে। কিন্তু রোগীর চাপ বাড়তে থাকায় সংশ্লিষ্ট সবার মাঝে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।আইসোলেশন ইউনিটের ইনচার্জ নার্স মাকসুদা আক্তার বলেন, প্রতিদিনই হাম উপসর্গের রোগী বাড়ছে। এত রোগীর চাপ সামলাতে আমাদের বেগ পেতে হচ্ছে। তাছাড়া প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি না থাকায় আমাদের নিরুপায় হয়ে থাকতে হয়। আমাদের ইউনিটে অক্সিজেন কনসেন্ট্রেশন ও সাকশন মেশিন খুবই দরকার।জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, কুমিল্লায় হাম ও উপসর্গে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১ হাজার। আক্রান্তদের বেশির ভাগই চিকিৎসা নিচ্ছে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। কুমেক হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান ডা. মিয়া মঞ্জুর আহমেদ বলেন, শিশুদের সংক্রমণের কথা চিন্তা করে আইসোলেশন ইউনিটকে আলাদা করা হয়েছে। হাসপাতালের সীমিত সরঞ্জামাদি দিয়েই চিকিৎসক ও নার্সরা সেবা দিচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews