রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর দুই দেশের সম্পর্ক উচ্চতর পর্যায়ে উন্নীত করবে —জহির উদ্দিন স্বপন বান্দরবানের লামা উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তার বিদায়ী সংবর্ধনা সুনামগঞ্জে দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় করলেন এমপি নুরুল দুই শতাধিক সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণে হত্যা রহস্য উদ্‌ঘাটন, গ্রেপ্তার ৭ জৈন্তাপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ নিহত ৩ কক্সবাজারের ইনানীতে রিসোর্টে আগুন, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০ পুজামন্ডপ পরিদর্শন করলেন বিজিবি রংপুর রিজিয়নের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার কর্নেল ফয়সাল সাতক্ষীরায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা দেবে ৮১২১ শিক্ষার্থী মানবিক উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের জন্য অর্ধেক ভাড়ার ঘোষণা তরুণ নোমানের! প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে এসিল্যান্ড ও পৌর প্রশাসককে বিদায়ী সংবর্ধনা

হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত ভূমিহীন ও ক্ষুদ্র কৃষকদের পুনর্বাসনের ৩ দফা দাবিতে মানববন্ধন

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬



হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত ভূমিহীন ও ক্ষুদ্র কৃষকদের পুনর্বাসনের ৩ দফা দাবিতে মানববন্ধন

বাংলাদেশ ভূমিহীন আন্দোলন, চাষী মজদুর সংগ্রাম পরিষদ, জাতীয় একতা পার্টি (জিইপি)-এর যৌথ উদ্যোগে হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত ভূমিহীন ও ক্ষুদ্র কৃষকদের পুনর্বাসনের তিন দফা দাবিতে আজ ৭ মে ২০২৬ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনের ৩ দফা দাবি হলো- (১) বছরব্যাপী পর্যাপ্ত খাদ্য সহায়তা প্রদান। (২) ঋণ মওকুফের জন্য আসন্ন জাতীয় বাজেটে বিশেষ তহবিল চাই। (৩) অবিলম্বে হাওরের সকল জলমহালের ইজারা চুক্তি বাতিল করা হোক।

মানববন্ধনে সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ ভূমিহীন আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শেখ নাছির উদ্দিন বলেন, সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের ফলে হাওর অঞ্চলের কৃষকরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। বড়, মাঝারি ও ক্ষুদ্র—সব শ্রেণির কৃষকই ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছেন ভূমিহীন ও ক্ষুদ্র কৃষকরা, যারা বর্গা বা স্থানীয় প্রথায় অন্যের জমি নিয়ে চাষ করেন। তাদের বার্ষিক খাদ্যনিরাপত্তা এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এই অনিশ্চয়তার সাথে যুক্ত হয়েছে পূর্বের কৃষিঋণের বোঝা এবং চলতি মৌসুমে আবাদ করতে নেওয়া নতুন ঋণের চাপ। ফলে তাদের জীবনযাপন আজ চরম সংকটাপন্ন। তিনি আরো বলেন, সরকার তিন মাসের জন্য সহায়তার ঘোষণা দিলেও অতীত অভিজ্ঞতার কারণে এই সহায়তার প্রতি মানুষের আস্থা কম। উপরন্তু, বিদ্যমান নীতিমালা ও ব্যবস্থাপনার কারণেই হাওরের দরিদ্র কৃষকরা আজ আরও অসহায় হয়ে পড়েছে। সরকারি উদ্যোগে জলমহাল ইজারা ব্যবস্থার মাধ্যমে হাওরের সম্পদ কিছু প্রভাবশালী ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর হাতে কেন্দ্রীভূত হওয়ায় কৃষকদের অর্থনৈতিক ভিত্তিও দুর্বল করে রাখা হয়েছে।

শেখ নাছির উদ্দিন বলেন, হাট-ঘাটের ইজারা বাতিল করতে হবে। কৃষকদের কাছ থেকে প্রতি মণে দুই থেকে তিন কেজি ব্যাপারীরা ধরে না, এইগুলো বাতিল করতে হবে। হাওর অঞ্চল সহ সকল জলমহাল ইজারা বাতিল করতে হবে। কৃষকদের স্বাধীন কৃষক সংগঠন করতে হবে। জাতীয় সরকারের সাথে দর কষাকষি করে কৃষি ফসলের মূল্য নির্ধারণ করতে হবে। বর্তমান কৃষকের ধানের মূল্য ১৪৪০ টাকা নির্ধারণ করার পরও কৃষকদের কাছ থেকে ব্যাপারীরা ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা মন ধান কিনছে, কঠোর তদারকির মাধ্যমে এই অনিয়ম বন্ধ করতে হবে। কৃষক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ মাসুদের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে আরো বক্তব্য রাখেন, জাতীয় একতা পার্টির মহাসচিব ড. অধ্যক্ষ এম জি মোর্শেদ হাওলাদার, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক মুক্তি আন্দোলন (বিজিএমএ) এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফ আলী হাওলাদার, ভূমিহীন নেতা আলামিন প্রমুখ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews