1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
বালিশ কাণ্ডের দুর্নীতির প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রীর কাছে পেশ! - দৈনিক ভোরের আওয়াজ
সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ১১:২৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬ শরীয়তপুর জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা সমাপ্ত প্রবাসীর স্ত্রীর সাহসী লড়াই বিনিময়ে ৪ সন্তানসহ যাযাবর জীবন! মাতৃজাতির মর্যাদা ও নিরাপত্তা! গোবিন্দগঞ্জে শিশু ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে যুবক আটক আড়াইহাজারে পৌরসভার নির্দেশ উপেক্ষা, নোটিশ অমান্য করেই চলছে ভবন নির্মাণ! শেরপুর হাসপাতালে নতুন পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে ডা. আমিরুল ইসলামের যোগদান। বাগমারার অবৈদ্ধ পুকুর খননের দায়ে  ভ্রাম্যমান আদালতে ১ জনের কারাবাস। শেরপুরে সড়ক অবরোধে অচল মহাসড়ক  ভোগান্তিতে হাজারো যাত্রী। রামগতিতে স্ত্রীর জন্য  মাকে পিটিয়ে স্ত্রীর ৯শর্ত মানতে না পেরে যুবকের আত্মহত্যার অভিযোগ। নড়িয়ায় চরাঞ্চলের সুফলভোগীদের মাঝে প্রাণি বিতরণ

বালিশ কাণ্ডের দুর্নীতির প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রীর কাছে পেশ!

ভোরের আওয়াজ ডেক্স:
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে পেশ করা সরকারি বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার ৩৮টি রিপোর্টে স্থান পেয়েছে ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সেই আলোচিত ‘বালিশ কাণ্ডের’ দুর্নীতির প্রতিবেদন।

২০১৯ সালে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের ‘গ্রিন সিটি’ আবাসিক ভবনে আসবাবপত্র ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী কেনাকাটায় অস্বাভাবিক মূল্য নিয়ে ‘বালিশ কাণ্ড’ দুর্নীতি সামনে আসে। প্রতিটি বালিশ কেনায় ৫,৯৫৭ টাকা এবং তা ওপরে তোলার খরচসহ অন্যান্য সামগ্রীতে কোটি টাকার জালিয়াতি হয়।

প্রধানমন্ত্রী প্রেস সচিব সালেহ শিবলী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ‘বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মো. নূরুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার অডিট রিপোর্ট পেশ করেছেন, সেখানে বালিশ কাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদনও আছে।’

প্রেস সচিব জানান, ‘প্রধানমন্ত্রী প্রতিবেদনে প্রতিটি বালিশের একরকম অবিশ্বাস্য দাম শুনে সিএজিকে বলেছেন, এই দামি বালিশের একটি জাদুঘরে রাখা উচিত।’

আজ মঙ্গলবার বিকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানে কাছে ২০২১-২২ অর্থ বছরের অডিট রিপোর্ট পেশ করেছেন মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মো. নূরুল ইসলাম।

‘বালিশ কাণ্ড’ দুর্নীতির ওই প্রকল্পে আবাসিক ভবনের জন্য ১৬৯ কোটি টাকার কেনাকাটায় পদে পদে দুর্নীতি হয়। সেখানে প্রতিটি বালিশ কিনতে খরচ দেখানো হয়েছে ৫ হাজার ৯৫৭ টাকা। আর প্রতিটি বালিশ আবাসিক ভবনের খাটে তোলার মজুরি দেখানো হয়েছে ৭৬০ টাকা। কভারসহ কমফোর্টারের (লেপ বা কম্বলের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত) দাম ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ৮০০ টাকা। যদিও এর বাজারমূল্য সাড়ে ৪ হাজার থেকে সর্বোচ্চ সাড়ে ১৩ হাজার টাকা। একইভাবে বিদেশি বিছানার চাদর কেনা হয়েছে ৫ হাজার ৯৩৬ টাকায়। এর বাজারমূল্য অবশ্য ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা।

অডিট রিপোর্ট পেশকালে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, অর্থ সচিব খায়েরুজ্জামান মজুমদার, প্রেস সচিব সালেহ শিবলীসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছিলেন।

 

সুত্র-নেট

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট