মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
দীর্ঘদিন চিকিৎসা শেষে নিজ এলাকা গৌরবদীতে ফিরলেন বিএনপি নেতা ফরিদ উদ্দিন বেপারি শরীয়তপুরের তুলাসারে হা-ডু-ডু টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করলেন এমপি সাঈদ আহমেদ আসলাম পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে চট্টগ্রামে আসছেন প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিক মোঃ হাবিবুর রহমান মানবাধিকার শান্তি সম্মাননা পুরষ্কার পেয়েছেন ৩০ কোটি টাকার সেতু দুটিতে নেই সংযোগ সড়ক, ভোগান্তিতে গাইবান্ধাবাসী সোনারগাঁয়ের উন্নয়ন প্রকল্প ও সরকারি ব্যয়ের হিসাব চায় এনসিপি! লক্ষ্মীপুরে একমাসে ৫ নির্বাহী প্রকৌশলীর বিদায়! দুর্নীতিতে স্থবির উন্নয়ন জলঢাকায় মিথ্যা সংবাদ সম্মেলন এর প্রতিবাদে মানবাধিকার কর্মীর সংবাদ  সম্মেলন নবাবগঞ্জে মরহুমা বেগম জেবুন্নেছা স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত যার যার ধর্ম নির্ভয়ে ও স্বাধীনভাবে পালন করবেন,সরকার এটাই প্রত্যাশা করে …. এমপি নুরুল

সরকার পরিবর্তন হয়, বদলায় না কতিপয় রক্তচোষা সরকারি চাকুরিজীবীর কর্মস্থল

  • প্রকাশিত: রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬




৫ আগস্টের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পার হয়ে এখন নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব পালন করছে। কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হলো- রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরে অভিযুক্ত অনেক সরকারি চাকুরিজীবী এখনো বহাল তবিয়তেই দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।
তাদের অনেকের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে ঘুষ, দুর্নীতি এবং সাধারণ মানুষের রক্ত চুষে খাওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। প্রশ্ন উঠতেই পারে- এত অভিযোগ, এত অপকর্মের পরও তারা কীভাবে একের পর এক তিনটি সরকার পার করে একই পদে টিকে থাকেন? বিষয়টি সত্যিই বিস্ময়কর।মূলত এদের স্বপদে বহাল থাকার কারণেই ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার সাহস বা সুযোগ পান না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাহসী কিছু মানুষ এসব রক্তচোষা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে লিখলেও অনেক ক্ষেত্রে তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আসে না কিংবা গুরুত্ব পায় না। ফলে সমস্যার কোনো সমাধান হয় না, আর এর ভুক্তভোগী হতে থাকে সাধারণ মানুষই। অভিযোগ রয়েছে, এসব চাকুরিজীবীদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ আশ্রয়-প্রশ্রয়ে অতীতের রাজনৈতিক সময়ে অনেক সন্ত্রাসী চক্র মানুষের জায়গা-জমি দখল করেছে। চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, পেশীশক্তির দাপট এবং মাদক ব্যবসা চালিয়ে সাধারণ মানুষকে ন্যায্যতা থেকে বঞ্চিত করেছে। কিন্তু দীর্ঘ সময় একই পদে বহাল থাকার কারণে ক্ষতিগ্রস্তরা তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করার সাহস পান না।বাস্তবতা হলো, দেশের প্রায় সব সেক্টরেই এ ধরনের সুবিধাবাদী কর্মকর্তাদের উপস্থিতি রয়েছে। অতীতে ক্ষমতাসীন দলের পরিচয় ব্যবহার করে তারা ভিন্নমতের মানুষকে দমন-পীড়ন করেছে। আবার সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নিজেদের অবস্থান বদলে নতুন রঙে আবির্ভূত হওয়ার চেষ্টাও করছে।কিন্তু জনগণ সরকারি চাকুরিজীবীদের কাছ থেকে রাজনৈতিক আনুগত্য প্রত্যাশা করে না। রাষ্ট্রের কর্মচারীরা কোনো দলের গোলাম হবে- এটা কখনোই কাম্য নয়। তাদের দায়িত্ব জনগণের সেবা করা, কোনো রাজনৈতিক নেতার পদলেহন করা নয়।নতুন সরকারের উচিত সৎ, দক্ষ ও পেশাদার কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে প্রশাসনকে নতুনভাবে ঢেলে সাজানো। সেই প্রক্রিয়ায় দুর্নীতিবাজ, সুবিধাবাদী, মাদক ব্যবসায় সম্পৃক্ত এবং জনগণের রক্তচোষা কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করে দ্রুত অপসারণসহ কঠোর শাস্তির আওতায় আনা জরুরি।নইলে জনগণের প্রত্যাশা বারবার ভেঙে যাবে, আর পরিবর্তনের স্বপ্ন কেবল কথার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকে যাবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews