
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়েছে।আজ মঙ্গলবার আইন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এ তথ্য জানান।রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি এ অধ্যাদেশ জারি করেন।সংশোধিত আইনের ১২ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কর্পোরেশনের বোর্ডকে সহায়তা করার জন্য এখন থেকে একটি স্থায়ী কমিটি, নিরীক্ষা কমিটি এবং শরীয়াহ কমিটি গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া বোর্ড প্রয়োজন মনে করলে অন্য যেকোনো কমিটি গঠন করতে পারবে।
অধ্যাদেশের ২১ নম্বর অনুচ্ছেদের সংশোধন অনুযায়ী, কর্পোরেশন কর্তৃক প্রদত্ত ঋণের ওপর সুদের হার এখন থেকে সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে বোর্ড কর্তৃক সময়ে সময়ে নির্ধারিত হবে।২৯ নম্বর অনুচ্ছেদে আমূল পরিবর্তন আনা হয়েছে। এখন থেকে নিট বার্ষিক মুনাফা থেকে প্রয়োজনীয় অবচয় ও দায় মেটানোর পর বোর্ড অনুমোদিত রিজার্ভ তহবিল গঠন করা হবে। উদ্বৃত্ত মুনাফার একটি অংশ লভ্যাংশ হিসেবে সরকারকে প্রদান করা হবে এবং অবশিষ্ট অর্থ কর্পোরেশনের সংরক্ষিত আয়ে স্থানান্তরিত হবে।
আইনের ২৯ক অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আয়কর আইন, ২০২৩-এর অধীনে কর্পোরেশনকে একটি ‘কোম্পানি’ হিসেবে গণ্য করা হবে এবং সেই অনুযায়ী এটি ন্যূনতম আয়কর প্রদানে বাধ্য থাকবে।আইনের ৩০ নম্বর অনুচ্ছেদের সংশোধনীর মাধ্যমে কর্পোরেশনের হিসাব রক্ষণাবেক্ষণ এবং বার্ষিক বিবরণী প্রস্তুত করার প্রক্রিয়াকে আরও সুসংহত করা হয়েছে।
এই অধ্যাদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে।
সূত্র: অনলাইন