1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
"এটা আমার শেষ বক্তব্য কী'না জানি'না"হয়'তো এটা আমার শেষ বক্তব্য হতে পারে - আফরোজা খানম রিতা - দৈনিক ভোরের আওয়াজ
মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
শরীয়তপুর জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের আহ্বায়ক বিজন ও সদস্য সচিব কার্তিক শিক্ষাক্রমে মাধ্যমিক স্তরে কৃষি শিক্ষা পুনরায় বাধ্যতামূলক করা হোক মনোহরদীতে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের ওপর হামলা দায় স্বীকার যুবদল নেতার শরীয়তপুর পৌরসভা যুবদলের উদ্যোগে মাদক সন্ত্রাস ইয়াবা ভূমিদস্যু নির্মূলের জন্য বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত গাইবান্ধায় দুদকের গণশুনানি দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার নিরাপদ কর্ম নিশ্চিত করার দাবিতে জয়পুরহাটে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের মানববন্ধন মেঘনায় ফারিয়ার উদ্যোগে মানববন্ধন ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত আবদুল্লাহ ধসঢ় ; এগ্রো ফুডে যৌথ অভিযানে ২ লাখ টাকা জরিমানা যাত্রাবাড়ীতে তরুণী নিখোঁজ দাদি ও শ্বশুরবাড়ির পাল্টাপাল্টি অভিযোগ! বালিয়াডাঙ্গীতে কৃষি উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে “পার্টনার কংগ্রেস” অনুষ্ঠিত

“এটা আমার শেষ বক্তব্য কী’না জানি’না”হয়’তো এটা আমার শেষ বক্তব্য হতে পারে – আফরোজা খানম রিতা

দেওয়ান মিজানুর রহমান , মানিকগঞ্জ :
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

সবার আগে বাংলাদেশ উক্তিটি সামনে রেখে “মোস্ট পপুলার এন্ড ক্লিন” ইমেজের ধৈর্যশীল ব্যক্তি “জনগণের মনোনীত ” ধানের শীষের সংসদ সদস্য প্রার্থী সাবেক মন্ত্রী মরহুম হারুণার রশিদ খান মুন্নুর আদর্শ কন্যা বিশিষ্ট শিল্পপতি আফরোজা খানম রিতা ৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার বেলা ৩ ঘটিকায় মানিকগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় খেলার মাঠ প্রাঙ্গণে তাঁর নির্বাচনী জনসভায় বলেন, আমার প্রাণপ্রিয় মানিকগঞ্জবাসী, যে সময় আপনারা আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন আমি আপনাদের প্রতি চিরকৃতজ্ঞ (আসসালামু আলাইকুম ) । আমার বাবার হাত ধরে আমি রাজনীতিতে এসেছি। সর্বশক্তিমান মহান আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীনের উপর ভরসা করে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে তিনি বলেন, শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে আর হৃদয়ের অন্তস্থল থেকে শ্রদ্ধা জানাই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানকে। আমার প্রাণপ্রিয় মানিকগঞ্জবাসী আমি আফরোজা খানম রিতা এমন এক সময় এসে আপনাদের কাছে দাঁড়িয়ে কথা বলছি যে সময় মানিকগঞ্জের ভাগ্য নির্ধারিত হবে গুরুত্বপূর্ণ সময় দাঁড়িয়ে কথা বলছি। তিনি আবারও বলেন, আমি আমার বাবার হাত ধরে রাজনীতিতে এসেছি। রাজনীতি আমার কোন পেশা নয়। ২০০১ সাল থেকে আমি আপনাদের সাথে সর্বদা আন্তরিকতার সাথে আছি। রাজনীতি করতে গিয়ে আমি আপনাদের ভালোবাসায় আবদ্ধ হয়ে গেছি। যখন মনে করি রাজনীতি ভালো লাগে না, তখনই আপনাদের মুখগুলো ভেসে উঠে। এই রাজনীতির কাজ করতে গিয়ে আপনাদের ভালোবাসায় আবদ্ধ হয়ে গেছি। আমার দীর্ঘ চলার পথে আমি আপনাদের পেয়েছি। যখনই মনে করি এখন আর আমার রাজনীতিতে ভালো লাগছে না তখনই আপনাদের মুখগুলো ভেসে উঠে তখন আর আমার রাজনীতি থেকে সরে যাওয়া হয় না। আমি বার বার আপনাদের রাজনীতির ভালো বাসায় বন্দি হয়ে যাই। আমার নেতা কর্মীরা যাঁরা আমার সাথে আছে তাঁরা ২৫ টা বছর আমার সাথে আছে। আমার নেতা কর্মীদের নিয়েই আমি রাজপথে জয়ী হয়েছি। আমি একা কিছু করতে পারতাম না। আপনাদের সহযোগিতা ও আন্তরিকতা ছাড়া আমার একা কিছুই করা সম্ভব ছিলো না। আজ আপনারা আছেন বলেই আমি আছি। আমার বাবা মানিকগঞ্জে এমন একটা অবদান রেখে গেছে, সেটার জন্য আজকে আমি আপনাদের সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলছি। আমার বাবা আমার অহংকার আমার গর্ব।
আমার রাজনীতি জীবনে আমি আমার সব গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হারিয়েছি এক আমার বাবা আর আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে। আমি তাঁদের আদর্শ ও সততা নিয়ে আপনাদের সাথে আগামীতে কাজ করতে চাই। আমার নেতা কর্মী যাঁরা আছে তাঁরা আমার সন্তানের মতো। যদিও তাঁরা আমাকে আপা ডাকে, তাঁরা আমার সন্তানের মতো। বিগত ১৭ বছর যে দুঃশাসনের মধ্যে ছিলাম তাঁদের আঁচলের মধ্যে ঢেকে রেখেছিলাম। আমার সন্তানেরা যেন কষ্ট না পায়। আমার সন্তানেরা উপযুক্ত সন্তান হয়েছে। তাঁরা রাজপথের যুদ্ধে জয়ী হতে পেরেছে।‌ এর মধ্যে পাঁচটি আঙ্গুল যেমন সমান হয় না, সব সন্তানেরা কিন্তু একই রকম হয় না , কিছু দুষ্ট সন্তান ছেলে পেলেও থাকে, দুষ্টুকে আবার শিষ্টের মধ্যে নিয়ে আসতে হয়, আবার হয়তো যে ভাবে চলার কথা সে ভাবে চলে নাই, আমি তাঁদের অনুরোধ করবো আগামী জীবনের সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য তোমারা তোমাদের নিজে ভালো ভাবে নিয়ে যাও। আজকে যে ছাত্র দলে আছে সে একদিন কিন্তু তুমি মূলদলে যাবে। আজ আমার যাঁরা দুষ্টু ছেলেরা আছে তাঁদের আমি রাগ করেছি বকা দিয়েছি তোমাদের বকেছি মা যেমন সন্তানদের বকে আমিও বকেছি। আমার রাজনীতি জীবনে কেউ যদি আমার প্রতি কষ্ট পেয়ে থাকেন আমি যদি আপনাদের মনে দুঃখ দিয়ে থাকি আপনারা আমাকে মাফ করে দিবেন। “এটা আমার শেষ বক্তব্য কী’ না ” জানি’না ” হয়তো এটা আমার শেষ বক্তব্য হতে পারে। জনসভায় উপস্থিত ছিলেন, মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এবং সমাজের সর্বস্তরের হাজারো মানুষ।
উল্লেখ্য, মানিকগঞ্জের প্রত্যেকটি মানুষকে আমি নিজের মনে করে নিজের সন্তান মনে করে দেখেছি। আমি সব সময় বলি আমার পৃথিবীটা খুব ছোট, আমার পৃথিবীটা মানিকগঞ্জের মানুষ এছাড়া আমি কখনো চিন্তা করি নাই। আমি আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নষ্ট করেছি, আমার গ্যাস লাইন কেটে দিয়েছে, আমার নিজের সন্তানের কথা চিন্তা করিনি। আমি চিন্তা করেছি দেশটা বাঁচুক মানিকগঞ্জ বাঁচুক। এরা বেঁচে থাকলে আমি সব কিছু ফিরে পাবো। ঢাকার এতো কাছে থাকার পরও মানিকগঞ্জে উন্নয়ন নেই। দুঃখ হয় যে ভাবে আমার বিরুদ্ধে ফেসবুকে কিছু মিড়িয়ায় অপপ্রচার চালানো হচ্ছে আমি কোন প্রতিবাদ করিনি , আমার নামে যাঁরা মিথ্যা বলেছে হে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তুমি তাঁদের হেদায়েত দাও। আমার বাবার সাথে যাঁরা ছিলো তাঁরা আমার সাথে আছে। আমার বাবার প্রত্যেকটা মানুষকে আমি বাদ দেই নাই। আমার বাবা আমাকে যে ভাবে আদর করতো আমিও তাঁদেরকে এভাবে আদর করি। সমাজের বিশিষ্ট জনেরা বলেন, বিএনপি’র দুর্দিনে গণতন্ত্রের ইতিহাসে আফরোজা খানম রিতা মানিকগঞ্জ জেলার এক স্বর্ণালী অধ্যায়। তাঁর ধৈর্য ,আদর্শ, ত্যাগ ,স্থিরতা, মানবতা ও দূরদর্শিতার সমীকরণ হলো জনগণের সাথে তাঁর সৌহার্দ্যপূর্ণ গভীর সম্পর্কের কারণে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটাররা তাঁকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সহজ সরল মানিকগঞ্জবাসী আফরোজা খানম রিতাকে মা উপাধি দিয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট