1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
নির্বাচনে অপতথ্য বা তথ্যের অপপ্রচারই বড় চ্যালেঞ্জ : ইসি সচিব - দৈনিক ভোরের আওয়াজ
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৩৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
ভুল চিকিৎসার অভিযোগে পঞ্চগড় সদর হাসপাতালে চিকিৎসককে হামলা, গ্রেপ্তার- ২ মেঘনায় বিএনপি নেতার গ্রেফতারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন খাগড়াছড়িতে আড়াই কেজি গাঁজা জব্দ করেছে পুলিশ  নরসিংদীতে জ্বালানি তেলে নৈরাজ্য: লাইনে সাধারণ চালক, বোতলে সিন্ডিকেট বাণিজ্য! দীঘিনালায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুরু হয়েছে মেঘনায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫ চলমান মধুপুরে জাতীয় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মেঘনায় নৌপথে চাঁদাবাজি: ইউপি সদস্যসহ গ্রেপ্তার ৩ দীঘিনালায় সেনাবাহিনীর মানবিক উদ্যোগ: অসহায়দের স্বাবলম্বী করতে সহায়তা বিতরণ বগুড়ার শেরপুরে পৌর আইনকে বৃদ্ধাংগুলী দেখিয়ে প্রভাবশালী সাকিবের ভবন নির্মাণ প্রসাশন নিরব!

নির্বাচনে অপতথ্য বা তথ্যের অপপ্রচারই বড় চ্যালেঞ্জ : ইসি সচিব

ভোরের আওয়াজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অপতথ্য বা তথ্যের অপপ্রচারকে এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি এসব কথা বলেন।বৈঠকে আলোচনার বিষয়বস্তু তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘ইইউ ডেলিগেশন চিফ মূলত নির্বাচনের প্রস্তুতি এবং আমাদের দিক থেকে কোনো শঙ্কা আছে কি না, তা জানতে চেয়েছিলেন। তারা জানতে চেয়েছেন এই মুহূর্তে আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ কোনটা? আমরা আগাগোড়াই যে চ্যালেঞ্জটার কথা বলে আসছি, তাদের আবারও সেটাই বলেছি। নির্বাচনে আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে অপতথ্য বা তথ্যের অপপ্রচার। আমরা চেষ্টা করছি এবং আশা করি এটাকে একটা সম্মানজনক পরিস্থিতিতে নিয়ে যেতে পারবো।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা মেটার সঙ্গে আলোচনা করেছি এবং তাদের সহযোগিতা চেয়েছি। তবে আমরা ইন্টারনেটের গতি কমানো বা অন্য কোনো পদ্ধতিতে যাওয়ার পরিবর্তে বরং বিদ্রুপাত্মক, আক্রমণাত্মক কন্টেন্ট বা অপপ্রচারগুলো যাতে সরিয়ে নেওয়া (ডাউন করা) হয়, সেভাবেই তাদের অনুরোধ করেছি।’

ইসি সচিব বলেন, ‘ইইউ প্রতিনিধিদল আমাদের কাছে ডেপ্লয়মেন্ট প্ল্যান সম্পর্কে জানতে চেয়েছে। আমরা তাদের জানিয়েছি যে, নির্বাচনে সাত দিন সেনাবাহিনী এবং আট দিন আনসার সদস্যরা মাঠে থাকবেন। পুলিশ ও সেনাবাহিনী ইতোমধ্যে তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রমে মাঠে আছে, তবে নির্বাচনের জন্য বিশেষ ডেপ্লয়মেন্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী তারা কাজ করবেন।’

রাজনৈতিক দলগুলোর অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোকে আমরা অতীতেও বলেছি, এখনো বলছি, আপনারা লোকাল ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড এডজুডিকেশন কমিটির কাছে অভিযোগ করুন। আর যদি অতিরিক্ত কিছু বলার থাকে, আমাদের কাছে সুনির্দিষ্ট করে জানান। অনেকে আশ্বস্ত হতে পারছেন না, তবে আমরা আইনগত কাঠামোর মধ্যে থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।’

তিনি উল্লেখ করেন, আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে অর্থাৎ ভোট গ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে সব ধরনের নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা বন্ধ হয়ে যাবে। এদিকে বিএনসিসি সদস্যরাও এবারের নির্বাচনী কাজে সহায়তা করবেন বলে নিশ্চিত করেন তিনি।

 

সূত্র: অনলাইন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট