উপদেষ্টা পার্বত্য চট্টগ্রামের শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে বলেন, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নির্দেশনায় পার্বত্য অঞ্চলের তিন জেলায় ইতোমধ্যে ১২টি বিদ্যালয়ে ই-লার্নিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে। খুব শীঘ্রই দুর্গম এলাকার আরো দেড়শ স্কুলে এই মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা হবে। নিজেকে একজন পার্বত্যবাসী উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, আমার সারাদিনের ভাবনা পার্বত্যবাসীদের জন্য কল্যাণমূলক কাজ করা। আমরা এমন এক দেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছি যেখানে ধর্মনিরপেক্ষতা, সামাজিক সংহতি এবং জনগণের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় থাকবে।
পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রশাসনিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, ‘বর্তমান অন্তর্বর্তীকালিন সরকার দেশে একটি গুণগত পরিবর্তন আনতে চায়। পার্বত্যবাসীর অধিকার বাস্তবায়নে সরকারের সদিচ্ছার কোনো ঘাটতি নেই। আমরা কেবল সমতা নয় বরং প্রতিটি ক্ষেত্রে ন্যায়বিচার ও ন্যায্যতার ওপর জোর দিচ্ছি।’ শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে উপদেষ্টা আরো বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ সংঘাতের পক্ষে নয়, আমরা শান্তির পক্ষে আছি। এই দেশ আমাদের সবার এবং কেউ এককভাবে দেশের ক্ষতি করতে পারবে না। একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করা এবং ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়াই আমাদের লক্ষ্য।
রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীর সভাপতিত্বে সভায় রাঙ্গামাটি জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা ও পেশাজীবী প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র: অনলাইন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আব্দুল্লাহ্ আল-মামুন, নির্বাহী সম্পাদক : রাবেয়া সিরাজী, সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ শাহজালাল,
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ: ২ আর কে মিশন রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১২০৩।
𝐌𝐨𝐛𝐢𝐥𝐞 : 𝟎𝟏𝟕𝟗𝟔-𝟕𝟕𝟕𝟕𝟓𝟑, ইমেইল: bhorerawajbd@gmail.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত