
কেনেডি আরও বলেন, মাস্ক পরা ও টিকা নেওয়ার মতো ‘বেপরোয়া বাধ্যতামূলক নির্দেশনার’ কারণে ‘নার্সিং হোমে একা মারা যাওয়া মার্কিন নাগরিকদের’ এবং ‘ধ্বংস হয়ে যাওয়া ছোট ব্যবসাগুলোর’ জন্য ডব্লিউএইচও দায়ী।তার মতে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাহারের মূল উদ্দেশ্য হলো ‘মার্কিন সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা এবং জনস্বাস্থ্যকে আবার মার্কিন জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া’।এদিকে, উপস্বাস্থ্যসচিব জিম ও’নিল এক্সে অভিযোগ করেন, ডব্লিউএইচও মহামারিকালে ‘কঠোর বৈজ্ঞানিক প্রমাণ উপেক্ষা করেছে এবং লকডাউন প্রচার করেছে’।এর জবাবে এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানোম গেব্রেয়াসুস বলেন, ওই বক্তব্যে ‘ভুল তথ্য রয়েছে’।
তিনি বলেন, ‘ডব্লিউএইচও মাস্ক ব্যবহার, শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা ও টিকা গ্রহণের সুপারিশ করেছিল। তবে ডব্লিউএইচও কখনোই সরকারগুলোকে মাস্ক বা টিকা বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করেনি এবং কখনো লকডাউনের সুপারিশও করেনি।’তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘ডব্লিউএইচও সার্বভৌম সরকারগুলোকে প্রযুক্তিগত পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দিয়েছে, যা কোভিড-১৯ বিষয়ে পরিবর্তনশীল বৈজ্ঞানিক প্রমাণের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছিল—যাতে তারা নিজেদের নাগরিকদের সর্বোত্তম স্বার্থে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।’‘প্রতিটি সরকার তাদের প্রয়োজন ও বাস্তবতার ভিত্তিতে নিজ নিজ সিদ্ধান্ত নিয়েছে,’ যোগ করেন তিনি।এই বিরোধের সূত্রপাত হয়, যুক্তরাষ্ট্র ডব্লিউএইচও থেকে বেরিয়ে আসার প্রক্রিয়া নিয়ে টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে। এক বছর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রত্যাহারের নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছিলেন।এক বছরের প্রত্যাহার প্রক্রিয়া বৃহস্পতিবার সম্পন্ন হলেও, কেনেডি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে অভিযোগ করেন, জাতিসংঘের স্বাস্থ্য সংস্থাটি ‘আমাদের প্রত্যাহার অনুমোদন দেয়নি এবং উল্টো দাবি করছে যে আমরা তাদের ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য’।
ডব্লিউএইচও এদিকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছে, ১৯৪৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র সংস্থাটিতে যোগ দেওয়ার সময়ই এক বছরের নোটিশ প্রদান এবং ‘চলতি অর্থবছরের সব আর্থিক দায় সম্পূর্ণ পরিশোধ’ সাপেক্ষে প্রত্যাহারের অধিকার সংরক্ষণ করেছিল।কিন্তু বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ২০২৪ ও ২০২৫ সালের চাঁদা পরিশোধ করেনি এবং প্রায় ২৬ কোটি ডলার বকেয়া রয়েছে। বিষয়টি আগামী মাসে ডব্লিউএইচওর নির্বাহী বোর্ডের বৈঠকে আলোচনায় ওঠার কথা রয়েছে।
সূত্র: জেনেভা থেকে এএফপি জানায়,
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ শাহজালাল, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আব্দুল্লাহ্ আল-মামুন,যুগ্ম-সম্পাদক :মো. কামাল উদ্দিন,
নির্বাহী সম্পাদক : রাবেয়া সিরাজী
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ : মোতালেব ম্যানশন, ২ আর কে মিশন রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১২০৩।
মোবাইল : 01796-777753,01711-057321
ই-মেইল : bhorerawajbd@gmail.com