
হোয়াইট হাউসে তেল খাতের নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, ‘গ্রিনল্যান্ড নিয়ে আমরা কিছু একটা করব—তারা পছন্দ করুক বা না করুক।’ ওই বৈঠকে ভেনেজুয়েলায় বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে আলোচনা হয়, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্টকে উৎখাত করেছে।
গ্রিনল্যান্ড বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি একটি চুক্তি করতে চাই—সহজ পথে। কিন্তু সহজ পথে না হলে আমরা কঠিন পথেই যাব।’
খনিজসম্পদে সমৃদ্ধ এই দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য জরুরি বলে মন্তব্য করেন ট্রাম্প। তাঁর ভাষ্য, আর্কটিক অঞ্চলে রাশিয়া ও চীনের বাড়তে থাকা সামরিক তৎপরতার প্রেক্ষাপটে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, ‘আমরা রাশিয়া বা চীনকে গ্রিনল্যান্ড দখল করতে দেব না। আমরা যদি না করি, তারা সেটাই করবে। তাই গ্রিনল্যান্ড নিয়ে আমরা কিছু একটা করব—হোক তা সুন্দরভাবে, না হলে আরও কঠিনভাবে।’
সাম্প্রতিক বছরগুলোয় আর্কটিক অঞ্চলে রাশিয়া ও চীন উভয়ই সামরিক তৎপরতা বাড়িয়েছে। তবে বিশাল বরফাচ্ছাদিত এই দ্বীপের ওপর কোনো দেশই আনুষ্ঠানিক দাবি করেনি।
গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক ঘাঁটি থাকলেও, দ্বীপটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার হুমকিতে ডেনমার্ক ও অন্যান্য ইউরোপীয় মিত্ররা বিস্ময় প্রকাশ করেছে।
ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন সতর্ক করে বলেছেন, গ্রিনল্যান্ডে আগ্রাসন হলে ‘সবকিছুর অবসান’ ঘটবে—এর মধ্যে ন্যাটো ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী নিরাপত্তা কাঠামোও অন্তর্ভুক্ত।
ডেনমার্কের উদ্বেগকে হালকাভাবে নেন ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের এই ঘনিষ্ঠ মিত্র ২০০৩ সালে বিতর্কিত ইরাক আগ্রাসনে যুক্তরাষ্ট্রের পাশে ছিল।
ট্রাম্প বলেন, ‘ডেনমার্কের প্রতিও আমি অনুরাগী। সত্যি বলতে কী, তারা আমার সঙ্গে খুব ভালো আচরণ করেছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘কিন্তু ৫০০ বছর আগে সেখানে তাদের একটি নৌকা ভিড়েছিল—এটাই তো প্রমাণ নয় যে তারা ওই ভূমির মালিক।’
আগামী সপ্তাহে ডেনমার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও গ্রিনল্যান্ডের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ শাহজালাল, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আব্দুল্লাহ্ আল-মামুন,যুগ্ম-সম্পাদক :মো. কামাল উদ্দিন,
নির্বাহী সম্পাদক : রাবেয়া সিরাজী
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ : মোতালেব ম্যানশন, ২ আর কে মিশন রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১২০৩।
মোবাইল : 01796-777753,01711-057321
ই-মেইল : bhorerawajbd@gmail.com