1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
শেরপুরের তিন সীমান্তাঞ্চলে জেঁকে বসেছে হিমেল বাতাস ও ঘন কুয়াশা - দৈনিক ভোরের আওয়াজ
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
হাসান মাহমুদ (রুবেল),৫নংবড়কান্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী’র নব-বর্ষের শুভেচ্ছা মো. জাকির মাহমুদ, সদস্য সচিব মেঘনা উপজেলা ছাত্রদল এর নব-বর্ষের শুভেচ্ছা মেঘনায় বাংলা নববর্ষ-১৪৩৩ উদযাপন অনুষ্ঠিত আসিফ নজরুলের শতকোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ! কালিহাতীতে ফিলিং স্টেশনে বিক্রি বন্ধ রেখে তেল মজুত, জরিমানা  হাটহাজারীতে সড়কে গেইট স্থাপন নিয়ে বিতর্ক, নিরাপত্তার যুক্তি বিবাদীর! ‎রংপুরে দুঃসাহসিক হামলা: প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টা, নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার  পাবনা প্রেসক্লাবে সতীর্থদের সাথে প্রাণবন্ত আড্ডা দিলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পাবনায় ভাইরাসজনিত ছোঁয়াচে রোগ হামের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে ॥ আক্রান্ত ২৭ শেবন্দী ফুটবল প্রিমিয়ার লীগের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

শেরপুরের তিন সীমান্তাঞ্চলে জেঁকে বসেছে হিমেল বাতাস ও ঘন কুয়াশা

রণবীর সরকার, শেরপুর (নর্থ)
  • প্রকাশিত: রবিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২৬

শেরপুর জেলার শ্রীবরদী, ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ি উপজেলায় তীব্র শীতের প্রকোপে জনজীবন চরম দুর্ভোগে পড়েছে। ভারতের মেঘালয় পর্বতের পাদদেশে অবস্থান করায় এসব এলাকায় উত্তর দিক থেকে হিমেল বাতাস প্রবলভাবে বইছে। এর সঙ্গে ঘন কুয়াশা ও কুয়াশার মতো গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে শীতের তীব্রতা আরও বেড়ে গেছে।

সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সূর্যের দেখা না মেলায় শীত সহনীয় পর্যায়ে নামছে না। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী ও পাহাড়ঘেঁষা গ্রামগুলোতে শীতের দাপট সবচেয়ে বেশি। ঘর থেকে বের হতে পারছেন না অনেক মানুষ। কাজে যেতে না পারায় দিনমজুর, কৃষিশ্রমিক ও ভ্যানচালকরা চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন।

শীতবস্ত্রের অভাবে সবচেয়ে বেশি কষ্টে আছেন দরিদ্র ও ছিন্নমূল মানুষ, শিশু ও বৃদ্ধরা। অনেকেই পুরোনো কাপড় কিংবা পাতলা চাদর গায়ে দিয়ে রাত কাটাচ্ছেন। শীতজনিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে। স্থানীয় হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে ঠাণ্ডাজনিত জ্বর, সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে রোগীর ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

ঘন কুয়াশার কারণে সড়কপথে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও কমে গেছে। অনেক অভিভাবক শিশুকে স্কুলে পাঠাতে অনীহা প্রকাশ করছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, শীতের তীব্রতায় সরকারি – বেসরকারি বিভিন্ন সংগঠনের শীত বস্ত্র বিতরণের জন্য,  দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন এই অঞ্চলের মানুষ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট