প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের এক ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, আজ দুপুরে জানাজার সময় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার পরিবর্তে মানিক মিয়া এভিনিউয়ের পশ্চিম প্রান্তে খালেদা জিয়ার মরদেহবাহী কফিন রাখা হবে। সংসদ ভবনের ভেতরের মাঠ, বাইরের অংশ এবং পুরো মানিক মিয়া এভিনিউ জুড়ে এই জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
দেশের এই বরেণ্য নেত্রীর প্রতি সর্বস্তরের মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে শ্রদ্ধা জানাতে এবং জানাজায় অংশ নিতে পারেন, সেজন্য নিরাপত্তা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রীয় সব দপ্তর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। মানিক মিয়া এভিনিউ সংলগ্ন চারপাশের সড়কগুলোতেও সাধারণ মানুষের অবস্থানের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
জানাজা শেষে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শেরেবাংলা নগরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে বেগম খালেদা জিয়াকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হবে। এ সময় মরহুমার পরিবারের সদস্য, সরকারের উচ্চপদস্থ ব্যক্তিবর্গ, বিদেশি অতিথি, রাষ্ট্রদূত এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।
দাফন প্রক্রিয়া সসম্মানে ও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যান এলাকায় নির্ধারিত ব্যক্তিবর্গ ছাড়া অন্যদের প্রবেশে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। দাফন শেষ না হওয়া পর্যন্ত ওই এলাকায় জনসাধারণের চলাচল সীমিত থাকবে।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আব্দুল্লাহ্ আল-মামুন, নির্বাহী সম্পাদক : রাবেয়া সিরাজী, সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ শাহজালাল,
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ: ২ আর কে মিশন রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১২০৩।
𝐌𝐨𝐛𝐢𝐥𝐞 : 𝟎𝟏𝟕𝟗𝟔-𝟕𝟕𝟕𝟕𝟓𝟑, ইমেইল: bhorerawajbd@gmail.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত