1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
বিশ্বের ক্ষুধার্তদের খাবার সরবরাহে ১৩ বিলিয়ন ডলারের ঘাটতি রয়েছে : জাতিসংঘ - দৈনিক ভোরের আওয়াজ
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
মধুপুরে জাতীয় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মেঘনায় নৌপথে চাঁদাবাজি: ইউপি সদস্যসহ গ্রেপ্তার ৩ দীঘিনালায় সেনাবাহিনীর মানবিক উদ্যোগ: অসহায়দের স্বাবলম্বী করতে সহায়তা বিতরণ বগুড়ার শেরপুরে পৌর আইনকে বৃদ্ধাংগুলী দেখিয়ে প্রভাবশালী সাকিবের ভবন নির্মাণ প্রসাশন নিরব! বাউফলে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি উপলক্ষে ব্যাপক প্রস্তুতি হাসান মাহমুদ (রুবেল),৫নংবড়কান্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী’র নব-বর্ষের শুভেচ্ছা মো. জাকির মাহমুদ, সদস্য সচিব মেঘনা উপজেলা ছাত্রদল এর নব-বর্ষের শুভেচ্ছা মেঘনায় বাংলা নববর্ষ-১৪৩৩ উদযাপন অনুষ্ঠিত আসিফ নজরুলের শতকোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ! কালিহাতীতে ফিলিং স্টেশনে বিক্রি বন্ধ রেখে তেল মজুত, জরিমানা 

বিশ্বের ক্ষুধার্তদের খাবার সরবরাহে ১৩ বিলিয়ন ডলারের ঘাটতি রয়েছে : জাতিসংঘ

ভোরের আওয়াজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫

জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) সতর্ক করে বলেছে, অর্থায়ন কমে যাওয়ায় ২০২৬ সালে তীব্র ক্ষুধার মুখে থাকা ৩১ কোটি ৮০ লাখ মানুষের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশকে খাদ্য সরবরাহ কঠিন হয়ে পড়বে।

রোম থেকে এএফপি জানায়, মঙ্গলবার ডব্লিউএফপির এক বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্বব্যাপী মানবিক সহায়তার অর্থায়ন হ্রাস পাওয়ায় ডব্লিউএফপি প্রায় এক-তৃতীয়াংশ (প্রায় ১১ কোটি) ক্ষুধার্ত মানুষকে খাদ্য সহায়তায় অগ্রাধিকার দিতে বাধ্য হচ্ছে।

এতে আনুমানিক ১৩ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে। তবে সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, ‘বর্তমান অর্থায়নের পূর্বাভাস অনুযায়ী ডব্লিউএফপি হয়তো লক্ষ্যকৃত অর্থের অর্ধেকের কাছাকাছি পাবে।’

ডব্লিউএফপি’র সবচেয়ে বড় দাতা যুক্তরাষ্ট্র। তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জাতিসংঘ সংস্থাগুলোর অধীনে বিদেশি সহায়তা কমিয়ে দিয়েছেন। অন্যান্য বড় দাতা, বিশেষ করে কিছু ইউরোপীয় অনেক দেশও তাদের মানবিক বাজেট কমিয়েছে।

ডব্লিউএফপি জানিয়েছে, সংঘাত, চরম আবহাওয়া এবং অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে ২০১৯ সালের তুলনায় তীব্র ক্ষুধার মুখোমুখি মানুষের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে ৩১ কোটি ৮০ লাখে পৌঁছেছে।

জাতিসংঘের সংস্থাগুলো এ বছর গাজা ও সুদানের কিছু অংশে দুর্ভিক্ষ ঘোষণা করেছে। ডব্লিউএফপি’র নির্বাহী পরিচালক সিন্ডি ম্যাককেইন এটিকে ‘একবিংশ শতাব্দীতে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’ বলে অভিহিত করেছেন।

২০২৬ সালের গ্লোবাল আউটলুক প্রতিবেদনের ভূমিকায় তিনি লিখেছেন, বিশ্বের প্রতিক্রিয়া ‘ধীর, বিচ্ছিন্ন এবং অর্থায়নহীন’ রয়ে গেছে।

তিনি লিখেছেন, ‘বিশ্বব্যাপী সহায়তা এখন মোট চাহিদার অর্ধেকেরও কম পূরণ করছে। খাদ্য সহায়তায় ব্যাপক কাটছাঁট হয়েছে। প্রায় সব কার্যক্রমেই খাদ্য ও নগদ অর্থ কমাতে হয়েছে এবং কোন ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠীকে সহায়তা দেওয়া হবে তা অগ্রাধিকার দিতে হয়েছে।’

একই সময়ে সহায়তা কর্মীদের ওপর হামলা বেড়েছে, যা আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের প্রতি ক্রমবর্ধমান অবহেলা প্রকাশ করছে।

২০২৬ সালে ক্ষুধার মুখে থাকা মানুষের মধ্যে ৪১ মিলিয়নকে জরুরি বা তারও বেশি সংকটাপন্ন অবস্থায় শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে।

গত সপ্তাহে জাতিসংঘের দুটি খাদ্য সংস্থা-ডব্লিউএফপি এবং খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) হাইতি থেকে দক্ষিণ সুদান পর্যন্ত ১৬টি ‘ক্ষুধার হটস্পট’ চিহ্নিত করেছে। তারা বলেছে, তহবিল ঘাটতি ইতোমধ্যেই পরিস্থিতিকে আরও খারাপের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।

এক যৌথ প্রতিবেদনে সংস্থাগুলো জানিয়েছে, ঝুঁকিপূর্ণদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় ২৯ বিলিয়ন ডলারের বিপরীতে তারা এখন পর্যন্ত মাত্র ১০.৫ বিলিয়ন ডলার পেয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট