বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
অভীক্ষাপদ প্রণয়নে ব্লুম ট্যাক্সোনমির ধারণার ব্যবহার: প্রাথমিক তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির বাংলা ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের আলোকে ঐতিহ্যের বারোবাজার: ৭০০ বছরের ইতিহাস থাকলেও নেই পর্যটনের বিকাশ সিলেটের এআরডি ভূয়া এনজিও সংস্থার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ ঢাকা শহরের বর্জ্যজনিত দুর্ভোগ প্রশমনে কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন দক্ষিন কোরিয়ার সিংগায়েংজু বিশ্ববিদ্যালয়ে আটকা পরেছে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের প্রায় ১৮ কোটি টাকা মনোহরদীতে মোবাইল কোর্টের অভিযান: ৩ ইয়াবা সেবীর ৫ মাস করে কারাদণ্ড পিরোলী খানকাহপাড়া সবুজ সংঘের উদ্যোগে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ নৌপথে চাঁদাবাজি ও হয়রানি বন্ধের দাবিতে বাল্কহেড মালিক-শ্রমিকদের মানববন্ধন রাজশাহী মোহনপুর উপজেলার প্রবেশ মুখে পিলারে নির্মিত হয়েছে পানের প্রতিক

ঘোড়াঘাটে গোখাদ্য দাম বৃদ্ধি, দেশেহারা হয়েপরেছে গরু  লালন-পালনকারীরা

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫

দিনাজপুর ঘোড়াঘাটে গোখাদ্য খরের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। গোখাদ্য খরের দাম দ্বিগুন হয়েছে। সাম্প্রতিক গোখাদ্য সংকটে দিশেহারা হয়ে পরেছে খামারি ও গরু লালন-পালনকারীরা। গোখাদ্যের মুল্যবৃদ্ধি ও খরের আকাশছোঁয়া দাম বেড়ে যাওয়ায় হতাশায় পরেছে গরু লালন-পালনকারীরা। হাট বাজারে বোঝা বেঁধে ভানে করে বিক্রয় করছে এসব খর । আর এসব খর চরা মুল্য বাজারে বিক্রয় হচ্ছে । অনেকেরই এই গোখাদ্য কেনার সামর্থ্য না থাকায় অনেক কৃসক গবাদি প্রানি বাজারে বিক্র দিতে বাধ্য হচ্ছে। এখন বাজারে গরু ছাগলের দাম অনেক কমে যায়। কৃষকেরা শুকনা খাবার শেষ হওয়ায় চিন্তিত হয়ে পরেছে। কৃষক দের চরা দামে গো খাদ্যসংগ্রহ করতে পারলেও বিপদে পরেছে দরিদ্র কৃষকেরা। পরিবারের আর্থিক সংকট পুরনের পর আবার গো খাদ্য ক্রয় করতে হচ্ছে। এক সময় ভোরবেলা বউ ছেলে মেয়েরা তাদের গবাদি প্রানি গ্রামের পারিত্যক্ত যায় গায় বেধে আসতো। এখন সে সব জায়গা গুল রোপন করার ফলে কৃষকেরা তাদের গবাদি পশু নিয়ে দিশেহারা হয়ে পরেছে। ব্যাপক চাহিদা ও চরাদামের কারনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে খর গুল এনে বোঝা বেঁধে ভ্যানে করে বাজারে বিক্রয় করতে দেখা যায়। তাই শুকনো খাদ্য র্নিরভর হয়েছে পড়েছে গাদি পশুর। বিকল্প খাদ্য হিসাবে প্রচলিত খাবারের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে । চোকর, ভুসি, খৈল, চালের খুদ, গুড়া, খোসা প্রভৃতির দাম বেড়ে যাওয়ায় কুলাতে পারছেনা গরু লালন-পালনকারীরা। অনেক গরু লালন-পালনকারীরা গোখাদ্য দাম বেড়ে যাওয়ায় গরু হাটে বিক্রি করে দিছেন । অতিরিক্ত টাকা দিয়েও গোখাদ্য কেনা সম্ভাব হচ্ছে না তাই গরু হাটে বিক্রি করে দিচ্ছেন । হাট-বাজারে ঘুড়ে দেখা যাচ্ছে একটি ভ্যানে বোজায় করে বিক্রি করতে। প্রতিটি খর আটি ৪-৫ টাকা, আর ভ্যনে করে খর বিক্রি  হচ্ছে  ৮০০ শত থেকে ১২শত টাকায়। যা গত বছরের তুলনায় দ্বিগুন।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews