মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০১:৩০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
কালিহাতীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত ইউএনওর মতবিনিময় সভা বাউফলে প্রধানমন্ত্রীর ছবির উপর অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ লেখার অভিযোগ ঘোড়াঘাটে হারপেস ইনফেকশন ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সাইন্টিফিক সেমিনার অনুষ্ঠিত সরকারি প্রতিষ্ঠানে আউটসোর্সিং প্রথা বিলুপ্ত ও চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে রাজপথে নামার আলটিমেটাম অসুস্থ ও অসহায় পরিবারের  পাশে দাঁড়ানোর   আহ্বান, এমপি কাজলের ! হাটহাজারীতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, কমিউনিটি সেন্টারকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা !  নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ ও পুনঃতফসিলের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন শেরপুরে জোর পূর্বক জমি দখলের চেষ্টা আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা নিশ্চিতে নির্ভুল তথ্যভাণ্ডার গড়ার ওপর প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ

জয়পুরহাটে দাঁদন ব্যবসায়ীদের রমরমা ব্যবসায় নিঃস্ব সাধারণ মানুষ

  • প্রকাশিত: রবিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৫

জয়পুরহাটের কালাইয়ে চলছে রমরমা সুদের ব্যবসা। প্রতি মাসে হাজার থেকে লাখ টাকা পর্যন্ত সুদ দিতে হয় গ্রহীতাদের। মাস শেষে সুদের টাকা দিতে না পারলে সুদ বৃদ্ধি পায়। সেই সুদ দিতে না পারলে এসি, ওয়াশিং মিশিং এমনকি টিভি ও দিতে হয় সুদি মহাজনদের।

এরকমই একটি ঘটনা ঘটেছে জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার পুনট ইউনিয়নের চাকলমুয়া নিমেরপাড়া গ্রামের কামরুজ্জামান এর ছেলে রাকিবের সাথে।

জানা গেছে, উপজেলার পুনট বাজারে একটি দোকান ছিল রাকিবের। ভালো সম্পর্কও ছিল দাঁতন ব্যবসায়ী সুজাউল (নান্টু) এর সাথে। সে সুবাদে রাকিব সুজাউল  ( নান্টু) এর  কাছ থেকে ৪ লক্ষ্য টাকা সুদে নেন। সেটার পরিবর্তে প্রতি মাসে ৪০ হাজার টাকা করে সুদ পরিশোধ করতেন তিনি। তবে একপর্যায়ে সুদের টাকা না দিতে পারায় নান্টু মিয়া রাকিবের বাড়ি থেকে এসি, ওয়াশিং মেশিনসহ আসবাবপত্র নিয়ে যান।

অভিযুক্ত দাঁতন ব্যবসায়ী সুজাউল ওরফে নান্টু জানান,তার সাথে রাকিবের ভালো সম্পর্ক ছিল সবাই তাকে টাকা দিতে চাইতো না সেজন্য আমার মাধ্যমে বিভিন্ন যায়গা থেকে প্রায় ১১ লাখ টাকা নিয়ে দিয়েছি এ বিষয়ে আদালতে মামলা চলমান আছে। পরবর্তী প্রশ্নের উত্তর জানতে চাইলে সে বিষয়ে কিছু না বলে চলে যান। অভিযুক্ত দাঁতন ব্যবসায়ী সুজাউল ওরফে নান্টু পুনট এলাকার সার ব্যবসায়ী বারিক এর ছেলে।

ভুক্তভোগী রাকিব জানান, পুনট বাজারে ব্যবসার সুবাদে নান্টুর সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। তার কাছ থেকে  ৪ লাখ টাকা নিয়েছিলাম। এই টাকার সুদ প্রতি মাসে ৪০ হাজার টাকা করে প্রায় ছয় মাস দিয়েছে। এক পর্যায়ে টাকা দিতে না পারলে ঘরের আসবাবপত্র দিয়ে দেন তিনি। পরে লোন দেওয়ার কথা বলে চেক নিয়ে ২০ লক্ষ্য টাকার মামলা করেন সুদ ব্যবসায়ী। মামলার কারণে তিনি এখন ঘরছাড়া। তিনি ন্যায়বিচার চান।”

ভুক্তভোগী রাকিব এর বাবা কামরুজ্জামান জানান, তার ছেলের সাথে ভালো সম্পর্ক থাকায় চার লক্ষ টাকা নিয়েছে রাকিব তিনি জানতো না। তবে সুদের টাকা না দিতে পারলে বাসায় আসতো টাকা নিতে তখন শুনেছি। চার লক্ষ টাকার পরিবর্তে ২০ লক্ষ্য টাকার মামলা দায়ের করেছে এটার সঠিক তদন্ত হওয়া উচিত ‌।

এ বিষয়ে ঐ গ্রামের প্রতিবেশি জাহানারা বেগম জানান, কিছুদিন আগে লোকজন সহ রাকিবের বাড়িতে এসে  এসি, টিভি   নিয়ে চলে যায় নান্টু। তিনি এলাকায় সুদের ব্যবসা করে   ২ লাখ লিলে ৫ লাখ টাকার মামলা করে সুদ না দিতে পারলেই মামলা করে এটার ব্যবসা৷

এ বিষয়ে আইনজীবী উজ্জল জানান, রাকিবের নামে একটি চেকের মামলা হয়েছে।  রাকিব জানিয়েছে তার সাথে প্রতারণা করে মামলা করা হয়েছে যে মামলা করে সে টাকা পাবে না । তবে সম্পর্কের কারণে কিছু টাকা হাওলাত নিয়েছে এর পরে চেক নিয়ে মামলা করেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews