মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ১১:২১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
মনোহরদীতে মোবাইল কোর্টের অভিযান: ৩ ইয়াবা সেবীর ৫ মাস করে কারাদণ্ড পিরোলী খানকাহপাড়া সবুজ সংঘের উদ্যোগে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ নৌপথে চাঁদাবাজি ও হয়রানি বন্ধের দাবিতে বাল্কহেড মালিক-শ্রমিকদের মানববন্ধন রাজশাহী মোহনপুর উপজেলার প্রবেশ মুখে পিলারে নির্মিত হয়েছে পানের প্রতিক সোনারগাঁয়ে ১,৩০০ ফুট আরসিসি সড়ক নির্মাণকাজের উদ্বোধন করলেন এমপি আজহারুল ইসলাম মান্নান শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন ! ১১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে হাবিপ্রবিতে নির্মিত হচ্ছে বেগম খালেদা জিয়ার নামে ১২ তলা মেগা ছাত্রী হল অনৈতিক সম্পকের জেরে নির্মম হত্যাকাণ্ড, সীমান্ত এলাকা থেকে আসামি গ্রেফতার করেছে পিবিআই অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে ‘ফ্রন্ট-অফ-প্যাক লেবেলিং’ প্রবিধানমালা বাস্তবায়নের দাবি আহ্ছানিয়া মিশনের কালিহাতীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত ইউএনওর মতবিনিময় সভা

জয়পুরহাটে দাঁদন ব্যবসায়ীদের রমরমা ব্যবসায় নিঃস্ব সাধারণ মানুষ

  • প্রকাশিত: রবিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৫

জয়পুরহাটের কালাইয়ে চলছে রমরমা সুদের ব্যবসা। প্রতি মাসে হাজার থেকে লাখ টাকা পর্যন্ত সুদ দিতে হয় গ্রহীতাদের। মাস শেষে সুদের টাকা দিতে না পারলে সুদ বৃদ্ধি পায়। সেই সুদ দিতে না পারলে এসি, ওয়াশিং মিশিং এমনকি টিভি ও দিতে হয় সুদি মহাজনদের।

এরকমই একটি ঘটনা ঘটেছে জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার পুনট ইউনিয়নের চাকলমুয়া নিমেরপাড়া গ্রামের কামরুজ্জামান এর ছেলে রাকিবের সাথে।

জানা গেছে, উপজেলার পুনট বাজারে একটি দোকান ছিল রাকিবের। ভালো সম্পর্কও ছিল দাঁতন ব্যবসায়ী সুজাউল (নান্টু) এর সাথে। সে সুবাদে রাকিব সুজাউল  ( নান্টু) এর  কাছ থেকে ৪ লক্ষ্য টাকা সুদে নেন। সেটার পরিবর্তে প্রতি মাসে ৪০ হাজার টাকা করে সুদ পরিশোধ করতেন তিনি। তবে একপর্যায়ে সুদের টাকা না দিতে পারায় নান্টু মিয়া রাকিবের বাড়ি থেকে এসি, ওয়াশিং মেশিনসহ আসবাবপত্র নিয়ে যান।

অভিযুক্ত দাঁতন ব্যবসায়ী সুজাউল ওরফে নান্টু জানান,তার সাথে রাকিবের ভালো সম্পর্ক ছিল সবাই তাকে টাকা দিতে চাইতো না সেজন্য আমার মাধ্যমে বিভিন্ন যায়গা থেকে প্রায় ১১ লাখ টাকা নিয়ে দিয়েছি এ বিষয়ে আদালতে মামলা চলমান আছে। পরবর্তী প্রশ্নের উত্তর জানতে চাইলে সে বিষয়ে কিছু না বলে চলে যান। অভিযুক্ত দাঁতন ব্যবসায়ী সুজাউল ওরফে নান্টু পুনট এলাকার সার ব্যবসায়ী বারিক এর ছেলে।

ভুক্তভোগী রাকিব জানান, পুনট বাজারে ব্যবসার সুবাদে নান্টুর সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। তার কাছ থেকে  ৪ লাখ টাকা নিয়েছিলাম। এই টাকার সুদ প্রতি মাসে ৪০ হাজার টাকা করে প্রায় ছয় মাস দিয়েছে। এক পর্যায়ে টাকা দিতে না পারলে ঘরের আসবাবপত্র দিয়ে দেন তিনি। পরে লোন দেওয়ার কথা বলে চেক নিয়ে ২০ লক্ষ্য টাকার মামলা করেন সুদ ব্যবসায়ী। মামলার কারণে তিনি এখন ঘরছাড়া। তিনি ন্যায়বিচার চান।”

ভুক্তভোগী রাকিব এর বাবা কামরুজ্জামান জানান, তার ছেলের সাথে ভালো সম্পর্ক থাকায় চার লক্ষ টাকা নিয়েছে রাকিব তিনি জানতো না। তবে সুদের টাকা না দিতে পারলে বাসায় আসতো টাকা নিতে তখন শুনেছি। চার লক্ষ টাকার পরিবর্তে ২০ লক্ষ্য টাকার মামলা দায়ের করেছে এটার সঠিক তদন্ত হওয়া উচিত ‌।

এ বিষয়ে ঐ গ্রামের প্রতিবেশি জাহানারা বেগম জানান, কিছুদিন আগে লোকজন সহ রাকিবের বাড়িতে এসে  এসি, টিভি   নিয়ে চলে যায় নান্টু। তিনি এলাকায় সুদের ব্যবসা করে   ২ লাখ লিলে ৫ লাখ টাকার মামলা করে সুদ না দিতে পারলেই মামলা করে এটার ব্যবসা৷

এ বিষয়ে আইনজীবী উজ্জল জানান, রাকিবের নামে একটি চেকের মামলা হয়েছে।  রাকিব জানিয়েছে তার সাথে প্রতারণা করে মামলা করা হয়েছে যে মামলা করে সে টাকা পাবে না । তবে সম্পর্কের কারণে কিছু টাকা হাওলাত নিয়েছে এর পরে চেক নিয়ে মামলা করেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews