বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
অভীক্ষাপদ প্রণয়নে ব্লুম ট্যাক্সোনমির ধারণার ব্যবহার: প্রাথমিক তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির বাংলা ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের আলোকে ঐতিহ্যের বারোবাজার: ৭০০ বছরের ইতিহাস থাকলেও নেই পর্যটনের বিকাশ সিলেটের এআরডি ভূয়া এনজিও সংস্থার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ ঢাকা শহরের বর্জ্যজনিত দুর্ভোগ প্রশমনে কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন দক্ষিন কোরিয়ার সিংগায়েংজু বিশ্ববিদ্যালয়ে আটকা পরেছে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের প্রায় ১৮ কোটি টাকা মনোহরদীতে মোবাইল কোর্টের অভিযান: ৩ ইয়াবা সেবীর ৫ মাস করে কারাদণ্ড পিরোলী খানকাহপাড়া সবুজ সংঘের উদ্যোগে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ নৌপথে চাঁদাবাজি ও হয়রানি বন্ধের দাবিতে বাল্কহেড মালিক-শ্রমিকদের মানববন্ধন রাজশাহী মোহনপুর উপজেলার প্রবেশ মুখে পিলারে নির্মিত হয়েছে পানের প্রতিক

ঘোড়াঘাটে দিন ব্যাপি ক্লাস্টার উন্নয়ন পরিকল্পনা শীর্ষক কর্মশালা

  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৫

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি, ইমাম, এনজিও প্রতিনিধি ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবগের্র অংশগ্রহণে ক্লাস্টার উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রস্তুতিমূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (২৬অক্টোবর) সকাল ১০টায় ঘোড়াঘাট পৌরসভার সেমিনার কক্ষে বাংলাদেশ সরকার এবং বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে, এলজিইডি কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন রেজিলিয়েন্ট আরবান এন্ড টেরিটোরিয়াল ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের আওতায় ও ঘোড়াঘাট পৌরসভা আয়োজনে ক্লাস্টার উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রস্তুতিমূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

ওয়ার্কশপের উপস্থাপনা করেন এই প্রকল্পের কারিগরি বিশেষজ্ঞ মোঃ নুরুল আমিন তালুকদার। কর্মশালায় পৌরসভার কর্ম সম্পাদনের সহায়ক কমিটির সদস্য ও উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ আফজাল হোসেনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, নগর পরিকল্পনাবিদ সাইফুল ইসলাম ও জোবায়দা পারভীন, আর্কিটেক্ট আজমিরা আক্তার, পরিবেশ বিশেষজ্ঞ মাহমুদা খাতুন ও সামাজিক ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ মোঃ জাহিদুল ইসলাম, সিনিয়র মিউনিসিপাল প্রকৌশলী মুর্তুজা রেজা এবং টিএলসিসি সদস্য বৃন্দ।

কর্মশালায় বক্তারা বলেন, দেশের দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের পৌরসভাগুলোকে উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের পৌরসভার সঙ্গে সংযুক্ত করার মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সম্প্রসারণ, গ্রামীণ ও নগর এলাকার মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার এবং জলবায়ু সহনশীল নগর ব্যবস্থাপনা পড়ে তোলা এ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য। প্রথম পর্যায়ে দেশের ৩৬টি জেলার ৮১ টি পৌরসভা এবং ছয়টি সিটি করপোরেশনে বাস্তবায়িত হবে প্রকল্পটি। প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রায় ২.১ কোটি মানুষ উপকৃত হবেন যা অর্ধেকই নারী।
কর্মশালায় আরও জানানো হয় প্রকল্পের আওতায় রাস্তাঘাট-ফুটপাত, সড়কবাতী উন্নয়ন, ড্রেন নির্মাণ, পাবলিক টয়লেট, বাজার ও বাস ট্রামিনাল উন্নয়ন, সুপার মার্কেট , ব্রিজ ও কালর্ভাট নির্মাণসহ আধুনিক নগর সেবার বিভিন্ন দিক উন্নয়ন করা হবে।
বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্প সামাজিক ও পরিবেশগত, জয়বায়ু সহনশীল নগর পরিসেবার দিক বিবেচনা করে এবং নারীর অংশগ্রহন নিশ্চিত করে পরিচালিত হবে। কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা পৌরসভার বিভিন্ন সমস্যাসমূহ চিহ্নিত করে উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

মোঃ আনভিল বাপ্পি

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews