রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
দিনাজপুরে “বউ মেলা” জীবনসঙ্গী খুঁজতে আসবেন আদিবাসী তরুণ-তরুণীরা! শিক্ষিত বেকার বাড়ছে:  কর্মসংস্থানে কার্যকর উদ্যোগ জরুরি! সাঘাটায় তেল পাচারে বাধা দেওয়ায় যুবদল নেতাকে পিটিয়ে জখম! কবিতা/আত্মোপলব্ধি /আসাদুজ্জামান খান মুকুল কালিহাতীর বল্লা হাটে পরিচ্ছন্নতা  অভিযান, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়তে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর দুই দেশের সম্পর্ক উচ্চতর পর্যায়ে উন্নীত করবে —জহির উদ্দিন স্বপন বান্দরবানের লামা উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তার বিদায়ী সংবর্ধনা সুনামগঞ্জে দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় করলেন এমপি নুরুল দুই শতাধিক সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণে হত্যা রহস্য উদ্‌ঘাটন, গ্রেপ্তার ৭ জৈন্তাপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ নিহত ৩

খেয়া মাঝি দিয়ে খাস আদায়, হচ্ছে অনিয়ম ও দূর্নীতি!

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৫




পটুয়াখালীর গলাচিপার রামনাবাদ নদী পারাপারে হরিদেবপুর থেকে গলাচিপা খেয়াঘাটে জেলা পরিষদ কর্তৃক খেয়া মাঝি দিয়ে খাস আদায়ের ফলে হচ্ছে ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতি। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, গত ১৬ অক্টোবর ২০২৫ থেকে রামনাবাদ নদী পারাপারে হরিদেবপুর থেকে গলাচিপা খেয়াঘাটে খাস আদায়ের কাজে জেলা পরিষদের প্রতিনিধি অফিস সহায়ক মো. সুলতান খান ও অফিস সহায়ক সমির চন্দ্র পালকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়। তারা স্থানীয় খেয়া ঘাটের মাঝিদের সহায়তায় খাস আদায় করে আসছেন। এরফলে পারাপারের সাথে সম্পৃক্ত যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হচ্ছে বলে সাধরণ যাত্রীরা জানান। চালকসহ মটর সাইকেল পারপারে নেয়ার কথা ২০ টাকা সেখানে নিচ্ছে ৩০ টাকা। যাত্রীসহ মটর সাইকেল পারাপারে নিচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। যদি কেহ রিজার্ভ খেয়া পার হয় সেখানে খাস আদায় জন প্রতি ১০ টাকা নেয়ার পরেও খেয়া নৌকায় ১ শত টাকা নেয়া হচ্ছে। এছাড়া রাত ১০ টার পরে প্রতি খেয়ায় যাত্রীদের কাছ থেকে নেয়া হচ্ছে ১ শত টাকা ও ভারী মালামাল পরিবহনে দিতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা। সাধারণ যাত্রীরা আরও জানান, পূর্বের ইজারাদার শিবু লাল দাসই ভালো ছিলো অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়নি।


উল্লেখ্য গত ১৫ অক্টোবর ২০২৫ শিবু লাল দাসের ইজারার মেয়াদ শেষ হয়ে যায়।

খেয়াঘাটের কিছু মাঝি জানান, পূর্বের ইজারাদার শিবু লাল দাসই ভালো ছিলো। আগে তেলের টাকা ইজারাদারের কাছে চাইলেই পাইতাম আর এখন বাকিতে তেল কিনে খেয়া নৌকা চালাতে হয়।

এবিষয়ে জেলা পরিষদ অফিস সহায়ক মো. সুলতান খান ও সমির চন্দ্র পালের কাছে জানতে চাওয়া হয়, গত ১৬ অক্টোবর কত টাকা খাস আদায় আদায় হয়েছে, তারা প্রথমে জানান ৫০ হাজারের মত, পরে জানান ৫০ থেকে ৫২ হাজার টাকা। খাস আদায়ের টাকার সঠিক তথ্য পর্যন্ত দিতে পারেননি। অপর এক প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয় আদায়কৃত টাকা কোথায় জমা প্রদান করা হয়েছে উত্তরে তারা জানান, আদায়কৃত টাকা তাদের অফিসে কর্মরত উচ্চমান সহকারি শামীম ও সার্ভেয়ার হাসান পরামর্শক্রমে তাদের নিজ বাসায় রাখেন।
উক্ত বিষয়ে জেলা পরিষদে কর্মরত সার্ভেয়ার হাসানের কাছে জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না বলে জানান।
অপরদিকে জেলা পরিষদে কর্মরত উচ্চমান সহকারি শামীম এর মুঠোফোনে কল দিলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews