বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ১০:১৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
রামভদ্রপুর ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে হাজী মোসলেম হোসেন সরদারের প্রার্থিতা নিয়ে ব্যাপক প্রচারণা গাজীপুরে অবৈধ ৩ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে র‍্যাব ও জেলা প্রশাসনের অভিযান মনোহরদীতে কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত ইউএনওর মতবিনিময় পলাশে গোপন বৈঠককালে গ্রেপ্তার যুবলীগ নেতা: নিরপেক্ষ তদন্ত ও অপতৎপরতা রোখার হুঁশিয়ারি যুবদলের তিন মাদকসেবীকে কারাদন্ড ও হাসপাতাল সিলগালা ছাত্রদল নেতার ওপর হামলার ঘটনায় জামায়াত নেতাসহ গ্রেপ্তার-৩ মেহেন্দিগঞ্জে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির  সহ সাংগঠনিক সম্পাদক  মিজানুর রহমান সুমনের আগমন দিনাজপুরে তীব্র লোডশেডিং! অবহেলা ও অযত্নে মৃতপ্রায় খোকসার মিনি শিশু পার্ক!

হাজরাবাড়ী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের অনিয়ম নিয়ে পিওর ভয়েসের সংবাদ সম্মেলন

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৫

জামালপুরের মেলান্দহে হাজরাবাড়ী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের অনিয়ম, দুর্নীতি ও অরাজকতার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন পিওর ভয়েস।

রবিবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে মেলান্দহ উপজেলা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সদস্য সচিব আইরিন জান্নাত শান্তা। এসময় সংগঠনের সদস্য মুসলিমা জান্নাত ও ফাতেমা জান্নাতসহ অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।লিখিত বক্তব্যে আইরিন জান্নাত শান্তা অভিযোগ করে বলেন, গত দুই বছর ধরে হাজরাবাড়ী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে একের পর এক ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটলেও কর্তৃপক্ষ কোনো স্থায়ী সমাধান করছে না। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির দায়িত্ব থাকলেও তারা দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখছে না। বরং উস্কানিমূলক মন্তব্যের মাধ্যমে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের রাস্তায় নামিয়ে এনে আন্দোলন দীর্ঘায়িত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ অনুযায়ী সংগঠনের সদস্যরা বিদ্যালয়ের সঠিক তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে প্রধান শিক্ষিকা রোকশানা বেগম কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান। এমনকি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উসকে দিয়ে তাদের ওপর হামলার নির্দেশ দেন বলে অভিযোগ করা হয়। ওই সময় সংগঠনের সদস্যরা রাজনৈতিক ট্যাগ দিয়ে অপমানিত হন, যদিও এ ঘটনায় কোনো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা ছিল না।সংবাদ সম্মেলনে হাজরাবাড়ী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে পাঁচটি নির্দিষ্ট অভিযোগ তুলে ধরা হয়—

১. রশিদ ছাড়া অর্থ আদায় ও ব্যক্তিগত নিয়ন্ত্রণ।
২. প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বৈধতার প্রশ্ন ও ভুয়া সনদ ব্যবহার।
৩. ক্ষমতার অপব্যবহারে আর্থিক অনিয়ম।
৪. শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে উপস্থিত না থেকেও বেতন গ্রহণ।
৫. শিক্ষকদের মধ্যে বিভাজন ও বিভিন্ন শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়—অত্র বিদ্যালয়ের সভাপতি, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) দ্রুত অভিযোগের তদন্ত করে এক সপ্তাহের মধ্যে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। পিওর ভয়েসের পক্ষ থেকে দেশের সকল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া ও দুর্নীতি প্রতিরোধে প্রশাসনকে সহযোগিতা করারও আহ্বান জানানো হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews