1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:৫৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
 প্রেম, বেদনা আর বাস্তবতার গল্পে ইমন খানের নতুন গান ‘তোমার বাসর রাইতে বন্ধু আমার হইবোরে কবর’ জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে  শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন জাতীয়তাবাদী পেশাজীবি দল চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকবিরোধী ভলিবল প্রতিযোগিতা ঝিনাইগাতীতে অবকাশ স্বপ্ন কৃষি সমবায় সমিতির ১ম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত পঞ্চগড়ে বইছে শৈত্যপ্রবাহ, তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রিতে রাষ্ট্রপতির সাথে প্রধান বিচারপতির সৌজন্য সাক্ষাৎ হোয়াইট হাউসের বৈঠক যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনল্যান্ড পরিকল্পনা বদলাতে ব্যর্থ হয়েছে : ডেনমার্ক মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম শান্তকে তারেক রহমানের উপহার মনোনয়ন গ্রহণ ও বাতিলের বিরুদ্ধে ইসিতে ৬ষ্ঠ দিনের আপিল শুনানি চলছে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় শরীয়তপুরের রুদ্রকরে দোয়া মাহফিল

ঝিনাইগাতিতে সেতুর অভাবে চরম দূর্ভোগ, ভোগান্তিতে গর্ভবতী ও শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১২ মে, ২০২৫
শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার হাতীবান্ধা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ২ নম্বর ব্লকের বাসিন্দারা দীর্ঘদিন যাবৎ চরম ভোগান্তির মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। পাগলামুগ বাজার থেকে মাদ্রাসার পাশ দিয়ে কামারপাড়া রোড ধরে প্রায় এক কিলোমিটার পথের মাঝখানে মাঝলি নদীর ওপর কোনো স্থায়ী সেতু না থাকায় সাধারণ মানুষের চলাচলে মারাত্মক বাধার সৃষ্টি হচ্ছে।
হাতীবান্ধা ইউনিয়নের বাসিন্দারা বলেন ২০০২ সালে বিএনপি সরকার আমলে জননেতা মাহমুদুল রুবেল একটি কাঠের সাঁকো নির্মাণ করেছিলেন। কিন্তু পাহাড়ি ঢলে সেটি কয়েক বছরের মধ্যেই ভেঙে যায়। এরপর থেকে এলাকাবাসী বারবার নিজ উদ্যোগে গ্রাম থেকে চাঁদা তুলে কাঠের সাঁকো নির্মাণ করেছেন, কিন্তু প্রতিবারই বর্ষার পানিতে সেগুলো ভেঙে যায়।এই গ্রামে প্রায় দেড় থেকে দুই হাজার মানুষ বসবাস করেন। প্রতিদিন অসংখ্য ছাত্র ছাত্রী স্কুলে যেতে পারে না এই সেতুর অভাবে। সবচেয়ে দুর্ভাগ্যজনক বিষয় হলো, সেতুর অপর পাশে মাত্র আধা কিলোমিটার দূরে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকলেও যাতায়াতের দুর্ভোগের কারণে স্কুলটি এখনও উন্নয়ন বঞ্চিত রয়ে গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান এলাকাবাসী স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের—ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের—কাছে বহুবার অনুরোধ জানিয়েছেন। কিন্তু তাঁরা আশ্বাস দেওয়া ছাড়া আর কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি। সর্বশেষ বন্যায় নদীর ওপর থাকা সাময়িক কাঠের সাঁকো সম্পূর্ণভাবে ভেঙে যায়। পরে এলাকাবাসী আবারও নিজেদের অর্থায়নে একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেন, তবে সেটিও অস্থায়ী এবং খুব দুর্বল। বর্তমানে বন্যা বা ভারী বৃষ্টির সময় বাজারে যাতায়াত, চিকিৎসা গ্রহণ কিংবা শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।
স্থানীয় যুবক রাকিব সিদ্দিক বলেন আমাদের গ্রামের সাধারণ মানুষ ঠিকমতো বাজারে যেতে পারে না। ছেলে-মেয়েরাও স্কুলে যাওয়া-আসায় অনেক কষ্ট করে। সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ে আমাদের এলাকার কৃষকরা। যদি একজন কৃষক ১ মন ধান বাজারে বিক্রি করতে নিয়ে যেতে চান, তাহলে শুধু গাড়িভাড়াই দিতে হয় ৫০ থেকে ৬০ টাকা। এতে কৃষকরা লাভ তো দূরের কথা, উল্টো ক্ষতিতেই পড়ে যাচ্ছে।
তাই তাদের দাবী বর্ষার আগেই মাঝলি নদীর ওপর একটি টেকসই কাঠের বা সিমেন্টের সেতু নির্মাণ করে যেন এলাকাবাসীর চরম দুর্ভোগ লাঘব করা হয়।
ঝিনাইগাতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আশরাফুল আলম রাসেল বলেন, জনগনের ভোগান্তি নিরসনে উপজেলা প্রসাশন নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এই সমস্যা  দ্রুত সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট