মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
শিক্ষকতা জীবনের ইতি; নজরুল ইসলামকে আবেগঘন বিদায়ী সংবর্ধনা! কেন বাড়ছে খুন? কক্সবাজারে  আট মাসে ৯৭ প্রানহানি, ২০ টির কারণ  অজানা! কক্সবাজারে ৬২% সরকারি  প্রাথমিক বিদ্যালয়েই নেই প্রধান শিক্ষক!  পাওনা ৬০০  টাকা চাওয়ায় মা ও তিন ছেলেকে কুপিয়ে জখম রাজনীতির অগ্নিপরীক্ষায় উত্তীর্ণ যুবনেতা ই এম মেহেদী হাছান মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায়  ৩ প্রতিবাদী  যুবকের উপর হামলা সোনারগাঁয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৪ জন গ্রেফতার খাদ্যের অপচয়রোধে প্রয়োজন কার্যকর পদক্ষেপ! বিএনপির নির্বাচনী প্রচারে হামলার মামলায় মেঘনায় আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী রিকশা, ভ্যান, অটো ও মিশুক চালক দলের কেন্দ্রীয় ১নং সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় চালক ও শ্রমিক নেতাদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা বার্তা

ইকবাল: আত্মার অগ্নিস্ফুলিঙ্গ!

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৫




ইকবাল: আত্মার অগ্নিস্ফুলিঙ্গ”
জাতীয় কবি নজরুল মঞ্চের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধার্ঘ্য
(কবি নজরুল ইসলামের কণ্ঠে কল্পিত ভাষায়)

আজ ২১ এপ্রিল, বিশ্ব ইতিহাসের এক মহিমান্বিত নাম—মুহাম্মদ আল্লামা ইকবালের ৮৭তম মৃত্যুবার্ষিকী। কবির মৃত্যু নেই, যাঁরা জাগিয়ে যান জাতির আত্মা, তাঁদের দেহ ঝরে যায়, কিন্তু তাঁদের চিন্তা, তাঁদের কাব্য, তাঁদের বজ্র-ধ্বনি চিরকাল বেঁচে থাকে।
আমি, নজরুল, তাঁকে দেখিনি, কাঁপা কণ্ঠে তাঁর সঙ্গে গলা মিলিয়ে বলিনি—“খুদি কো কর বুলন্দ ইত্তনা…”—কিন্তু তাঁর কাব্য পড়ে, তাঁর আত্মদর্শনে নিমগ্ন হয়ে বুঝেছি, এই মানুষটি শুধু একজন কবি নন, ছিলেন একটি জাতির জাগরণদূত, আত্মবোধের মহাগুরু, মানবতার মশালধারী।
তিনি লিখেছেন “শিকস্তে দিল হি তো দে আসরার-ই-জিন্দেগী”—ভগ্ন হৃদয়ই জীবনের গোপন অর্থ বলে দেয়। আর আমি লিখেছিলাম—“ভাঙার গান গাই গাই গাই, ওরে ভাঙনেরি সমান নাই!”
আমরা দুই জনই বুঝেছি, জাগরণ আসে ভাঙনের ভেতর দিয়ে। সেই জাগরণই তো আমাদের অস্তিত্বের আলো।
ইকবাল বলেছেন,
“উঠো মেরি দুনিয়া কে গরিবোঁ কো জগা দো…”
আর আমি বলেছি,
“জাগো অজগর, ধ্বংসের নিদ্রা ভাঙো!”
এই দারিদ্র্য, এই শোষণ, এই বঞ্চনার বিরুদ্ধে আমাদের ছিল এক অভিন্ন আহ্বান।
ইকবাল তাঁর “খুদি”-র দর্শন দিয়ে যে আত্মচেতনার অগ্নিস্ফুলিঙ্গ ছুঁড়ে দিয়েছিলেন, সেই আগুনে আমিও ছুঁইয়েছি বাউল, মজদুর, ফকির আর বিপ্লবীর বুক। আমরা ভিন্ন ভাষায়, ভিন্ন ছন্দে, কিন্তু এক আদর্শে জ্বলে উঠেছিলাম—মানুষের মুক্তির জন্য।
পাকিস্তান তাঁকে জাতীয় কবির মর্যাদা দিয়েছে, কিন্তু তাঁর জন্ম হয়েছিল ভারতবর্ষের শিয়ালকোটে—আমারও জন্মভূমি এই উপমহাদেশ। তাই আমি বলি, ইকবাল ছিলেন ভারতবর্ষের প্রাণপুরুষ। ধর্মের সীমারেখা নয়, মানুষের আত্মমর্যাদাই ছিল তাঁর কবিতার দিগন্ত।
আজকের এই দিনে, আল্লামা ইকবালের কবিতা আর দর্শনের কাছে আবারও মাথা নত করে বলি—
“আপনি শুধু পাকিস্তানের নন, আপনি আমাদেরও; আপনি গোটা বিশ্বের কবি। আপনি আমার কবি।”
শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায়
জাতীয় কবি নজরুল মঞ্চ

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews