
নতুন কালুরঘাট সেতু নির্মাণে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) থেকে অনুমোদন পাওয়ার পর চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরাম এক বিবৃতিতে সরকারের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জানিয়েছে। ফোরামের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন এবং মহাসচিব মোঃ কামাল উদ্দিন এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, “চট্টগ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি অবশেষে পূরণের পথে এগোচ্ছে। এই সেতুটি নগরবাসীর যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও দৈনন্দিন দুর্ভোগ লাঘবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
বিবৃতিতে বলা হয়, চট্টগ্রামের সাধারণ জনগণ দীর্ঘদিন ধরে এই সেতুর জন্য অপেক্ষা করে আসছে। কিন্তু বিভিন্ন কারণে কাজটি বিলম্বিত হয়েছে। এবার একনেকের অনুমোদনের মাধ্যমে সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা বেড়েছে, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য স্বস্তির বিষয়। ফোরামের পক্ষ থেকে সরকারি এই উদ্যোগের প্রশংসা করা হয়েছে এবং দ্রুততার সাথে সেতু নির্মাণের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। নাগরিক ফোরামের নেতারা জানান, এই সেতু শুধু যোগাযোগের উন্নয়নে নয়, বরং চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তাই প্রকল্পটি যথাসময়ে সম্পন্ন করার জন্য সরকারের প্রতি সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। ফোরামের মতে, সঠিক পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনা দ্বারা কাজটি দ্রুত বাস্তবায়ন করা সম্ভব।
ফোরাম আশা প্রকাশ করে যে, ২০২৮ সালের মধ্যে সেতুর কাজ সম্পন্ন হবে এবং এটি চট্টগ্রামের পরিবহন ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে। ফোরামের নেতারা বলেন, “নতুন কালুরঘাট সেতুর মাধ্যমে চট্টগ্রামের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে এবং উন্নয়নের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে।”
বিবৃতিতে একনেকের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ফোরামের পক্ষ থেকে বলা হয়, এই উদ্যোগটি চট্টগ্রামের মানুষের জন্য একটি সুন্দর ভবিষ্যতের প্রতীক হয়ে থাকবে এবং শহরের উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত করবে।