শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
বান্দরবানে নিখোঁজ হওয়া ৩ কিশোরী চট্টগ্রাম থেকে ৪ দিন পর উদ্ধার “বিশ্ব সাদাছড়ি নিরাপত্তা দিবস” উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও স্মার্ট সাদাছড়ি বিতরণ  দুর্গাপূজা ঘিরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আনসার ও ভিডিপির ব্রিফিং প্যারেড অনুষ্ঠিত কৃষককে কেন্দ্রবিন্দুতে রেখেই কৃষিখাতের নীতি ও প্রযুক্তি নির্ধারণ করতে হবে —জহির উদ্দিন স্বপন টাঙ্গাইল টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের হল ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন! কালাইয়ে সমবায়ীদের অংশগ্রহণে ভ্রাম্যমাণ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত পরিদর্শণে থাকবেন এমপি নুরুল সুনামগঞ্জে ৪৪৪ পূজামন্ডপে অনুষ্ঠিত হবে বাউফলে যুবলীগ নেতার বাবা পেলেন সারের ডিলার!  খেরকাটি দ্বি মুখী উচ্চ  বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষ ও বেন্স  সংকট ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান যুবলীগ সভাপতির পুত্র প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে!

কমতে শুরু করেছে মৌলভীবাজারের নদ নদীর পানি

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ জুন, ২০২৪




মৌলভীবাজার প্রতিনিধি;
মৌলভীবাজারে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতী হয়ে বিপৎসীমার ওপরে থাকা মনু ও কুশিয়ারা নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। সোমবার (২৪ জুন) বিকেলে মৌলভীবাজার জেলায় বৃষ্টিপাত না হওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতী হয়েছে।
গত কয়েকদিনের ভারি বর্ষণ, উজানের পাহাড়ি ঢল ও নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সাত উপজেলার প্রায় ৪০টি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাাবিত হয়ে বন্যা হয়েছে। একইসাথে ধলাই নদীর তিনটি পুরোনো ভাঙন দিয়ে পানি লোকালয়ে প্রবেশ করছে। গ্রামীন রাস্তা ডুবে যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যহত হচ্ছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন পানিবন্দী প্রায় আড়াই লাখ মানুষ। অনেকে বাড়ি ঘর ছেড়ে পরিবার নিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে উঠেছেন।
এদিকে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, জেলায় মোট ২০৫টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বন্যা উপদ্রæত এলাকা বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ পরিস্থিতিতে ২৪০টি ১০ লিটার পরিমাপের বোতল ও ৬৫ হাজার পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট সরবরাহ করা হয়েছে। এ ছাড়া জি আর চাল ৪২২ টন ও ২ লাখ ৮৭ হাজার ৫০০ নগদ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ৪৬৫ প্যাকেট ও শুকনো খাবার ও ১২০০ প্যাকেট রান্না করা খাবার সরবরাহ করা হয়েছে
পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলী জাবেদ ইকবাল বলেছেন, মৌলভীবাজারে গত দুই দিন ধরে বৃষ্টি কম হয়েছে। এছাড়া উজানে বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় জেলার নদনদীর পানি কমতে শুরু করেছে। তবে নদীর ঝুকিপূর্ন স্পটগুলোতে বালু ভর্তি বস্তা ও মাটি দিয়ে ঝুঁকিমুক্ত রাখার কাজ চলমান রয়েছে।
জেলা প্রশাসক ড. উর্মি বিনতে সালাম জানান, জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি মনিটরিংয়ে রয়েছে। পানিবন্দি এলাকার মানুষের সাহায্যে আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। যাদের বাড়ীতে বেশি পানি এমন প্রায় ১৫ শত পরিবার আশ্রয় কেন্দ্রে উঠেছেন। শুকনো খাবার ও চাল দেয়া হচ্ছে তাদের। এছাড়াও পানি বিশুদ্ধ করন ট্যাবলেট বিতরন করা হচ্ছে।
মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান বলেন, মৌলভীবাজার সদর ও রাজনগরের বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন করেছি। কয়েকটি আশ্রয়কেন্দ্রের বন্যাদুর্গত মানুষের সঙ্গে কথা বলেছি। প্রতিটি আশ্রয়কেন্দ্র ও বন্যাদুর্গত এলাকার জন্য প্রয়োজনীয় ও পর্যাপ্ত ত্রাণের মজুদ আছে। ইতোমধ্যে বিতরণ কার্যক্রম চলছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews